নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আসন্ন জাতীয সংসদ নির্বাচন এর প্রাক্কালে বিভিন্নভাবে নারী এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগণকে হত্যা,তাদের উপর নির্যাতন, হুমকি, হেনস্থার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের বিবৃতি
আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনের তারিখ যতোই ঘনিয়ে আসছে ততোই নারী এবং ধর্মীয় সংখ্যলঘু সম্প্রদায়ের জনগণের উপর হত্যা, হুমকি, হেনস্থা এবং নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর থেকে প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারাও বাদ যাচ্ছেন না। খোকন দাস, অমৃত মন্ডলের নির্মম হত্যাকান্ডের পরে সাম্প্রতিক সময়ে আমরা লক্ষ্য করলাম যে, দলীয় প্রতীকে ভোট না দিলে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনগণকে দেশ থেকে উচ্ছেদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য কলরাম , একজন ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জেলা প্রশাসককে তাঁর দায়িত্ব পালনে অসন্তুষ্ট হয়ে তাাঁকে নানাভাবে অপমান ও হেনস্থা করা হচ্ছে, যা সকল দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাদেও জন্য একটি নেতিবাচক বার্তা। এছাড়াও ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক বিধবা হিন্দু নারীকে ধর্ষণ করে গাছের সাথে বেঁধে মাথার চুল কেটে পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে।
নরসিংদীর পলাশে গতকাল রাতে মনি চক্রবর্তী নামক একজন মুদীর দোকানদারকে খুন করা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ঘোড়শাল ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে ডাকাতি হয় এবং এসময় বাড়ির নারী সদস্যের সাথে অশালীন আচরণ করা হয়েঠে। গত ২৯ ডিসেম্বর হবিগঞ্জে পুকুর থেকে কামদেব দাস নামক এক যুবকের এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এছাড়াও বিভিন্ন স্থান থেকে সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িতে ডাকাতির পাশাপাশি নারীদের উপর যৌন সহিংসতার ঘটনা ঘটছে, যা তারা ভয়ে প্রকাশ করছেনা। নির্বাচনের প্রাক্কালে এসব ধারাবাহিক ঘটনায় নারী ও দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী জনগণের মনে এক ধরনের ভীতি তৈরী করছে। এইসকল ঘটনাবলী সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশকে বাধাগ্রস্থ করছে।

