ব্রেকিং নিউজ ১: প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে বারবার ত্রুটি, কারণ জানতে চায় সংসদীয় কমিটি   |   ব্রেকিং নিউজ ২: আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতে নামিবিয়ার ইতিহাস   |   ব্রেকিং নিউজ ৩: শিক্ষক নিয়োগে ১৮ রায় জালিয়াতি : তদন্ত কমিটি গঠন করলেন আপিল বিভাগ
  • About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
QR Code
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

যে পাঁচ আমল ব্যক্তিত্ব গঠনে সহায়ক

admin by admin
September 7, 2026
in সম্পাদকীয়
0
যে পাঁচ আমল ব্যক্তিত্ব গঠনে সহায়ক

RelatedPosts

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হোক সকল শিক্ষার্থীদের সহাবস্থান,পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সচেতনতা মিলনস্থল

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অমূল্য নসিহত

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)


আমরা এমন এক সময়ে বসবাস করছি, যখন ফিতনা-ফাসাদ চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষের চিন্তা ও চেতনাকে প্রভাবিত করার অসংখ্য মাধ্যম আজ আমাদের হাতের নাগালে। প্রযুক্তির উৎকর্ষ যেমন জীবনকে সহজ করেছে, তেমনি এর অপব্যবহার মানুষের ঈমান, নৈতিকতা ও চরিত্রের জন্য সৃষ্টি করেছে নানা বিপদ।

দিন-রাত বিভিন্ন স্ক্রিনে প্রচারিত হচ্ছে অশ্লীলতা, প্রবৃত্তির উসকানি ও নৈতিক অবক্ষয়ের উপকরণ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এমন সব চিন্তা ও মতাদর্শ আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে, যা তাদের ঈমান, মূল্যবোধ ও জীবনদর্শনকে নীরবে পরিবর্তন করে দিচ্ছে। এর ফলে এমন এক প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে, যাদের দেহ মুসলিম সমাজের মধ্যে থাকলেও চিন্তা-চেতনা অনেকাংশে ভিন্ন সংস্কৃতি ও মতাদর্শের দ্বারা পরিচালিত।

তারা বাহ্যিকভাবে মুসলিম পরিচয় বহন করলেও অনেক সময় তাদের হৃদয় প্রবৃত্তির দাসত্বে এবং চিন্তা ভ্রান্ত আদর্শের প্রভাবে বন্দি হয়ে পড়ছে।

এ অবস্থায় আমাদের সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—আমরা কিভাবে আমাদের সন্তানদের এমন ব্যক্তিত্ব হিসেবে গড়ে তুলব, যারা এই যুগের ফিতনা, সংশয়, প্রবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে? এর জবাব খুঁজতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শের কাছে—আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও শিক্ষার কাছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা : আল-আহজাব, আয়াত : ২১)

ইসলামী ব্যক্তিত্বের প্রকৃত অর্থ

ইসলামী ব্যক্তিত্ব বলতে শুধু বিশেষ পোশাক, বাহ্যিক অবয়ব কিংবা কোনো ইসলামী পরিচয়কে বোঝায় না, ইসলামী ব্যক্তিত্ব হলো একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনদর্শন, যেখানে মানুষের আকিদা, ঈমান, চিন্তা, ইবাদত, চরিত্র, আচরণ ও কর্ম—সব কিছু ইসলামের আলোকে গড়ে ওঠে।

একজন প্রকৃত মুসলিমের ব্যক্তিত্বে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে সমন্বিত থাকে—সচেতন ও প্রজ্ঞাময় বিবেক, আল্লাহর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক এবং উত্তম চরিত্র। সচেতন বিবেক মানুষকে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য করতে শেখায়। ফলে সে গণমাধ্যমের প্রচারণা, অন্ধ অনুকরণ ও বিভ্রান্তিকর মতাদর্শের স্রোতে ভেসে যায় না।

আল্লাহর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক মানুষকে অন্তরের প্রশান্তি ও দৃঢ়তা দান করে। জীবনে বিপদ-আপদ এলে সে ভেঙে পড়ে না।

দুনিয়ার সামান্য লাভের জন্য সে নিজের ঈমান ও আদর্শকে বিসর্জন দেয় না। আর উত্তম চরিত্র মানুষকে নৈতিক অধঃপতন থেকে রক্ষা করে। সে সত্যবাদী হয়, আমানত রক্ষা করে, দুর্বলের প্রতি দয়া করে, মানুষের অধিকার আদায় করে এবং সত্যের পক্ষে সাহসের সঙ্গে দাঁড়ায়।
নবী (সা.)-এর হাতে গড়া সাহাবিদের ব্যক্তিত্ব

রাসুলুল্লাহ (সা.) শুধু কিছু বিধি-বিধান শিক্ষা দেননি; বরং তিনি মানুষকে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থার আলোকে গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর হাতে গড়া সাহাবিদের জীবন তার উজ্জ্বল প্রমাণ। আবু বকর সিদ্দিক (রা.) ছিলেন সত্যবাদিতা ও অবিচলতার অনন্য দৃষ্টান্ত। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) ছিলেন শক্তি, সাহস ও ন্যায়বিচারের প্রতীক। ওসমান (রা.) ছিলেন লজ্জাশীলতা ও দানশীলতার উজ্জ্বল উদাহরণ। আর আলী (রা.) ছিলেন জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও সাহসের অনন্য প্রতিচ্ছবি। তাঁরা প্রত্যেকে ছিলেন স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্বের অধিকারী; কিন্তু সবার মধ্যে একটি অভিন্ন বৈশিষ্ট্য ছিল—তাদের জীবন ঈমান, সুন্নাহ ও নববী শিক্ষার আলোকে গড়ে উঠেছিল।

তাহলে প্রশ্ন হলো, আমরা কি আমাদের সন্তানদের সেই আদর্শে গড়ে তুলতে পারি না? অবশ্যই পারি। প্রয়োজন শুধু সঠিক পদ্ধতি, আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং নববী শিক্ষার প্রতি ফিরে আসা।

শৈশব থেকেই ইসলামী ব্যক্তিত্বের ভিত্তি গড়তে হবে

ইসলামী ব্যক্তিত্ব গঠন কোনো এক দিনের কাজ নয়। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া, যার সূচনা হতে হবে শৈশব থেকেই। সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই নামাজের প্রতি অভ্যস্ত করতে হবে। তাকে সত্য কথা বলতে শেখাতে হবে। আমানত রক্ষার শিক্ষা দিতে হবে। অন্যের প্রতি দয়া, সম্মান ও সহমর্মিতা গড়ে তুলতে হবে।

প্রথম ভিত্তি : ঈমান ও আকিদা

একজন মুসলিমের ব্যক্তিত্বের প্রথম ও প্রধান ভিত্তি হলো সঠিক ঈমান ও আকিদা। যে হৃদয় আল্লাহকে চেনে, সে মানুষের ভয়ে সত্যকে পরিত্যাগ করে না। যে ব্যক্তি বিশ্বাস করে তার জীবন, মৃত্যু, রিজিক ও ভবিষ্যৎ আল্লাহর হাতে, সে দুনিয়ার মোহে সহজে বিকিয়ে যায় না। তাই সন্তানদের শুধু ইসলামের কিছু বাহ্যিক বিধান শেখানো যথেষ্ট নয়; বরং তাদের শেখাতে হবে—আমাদের রব কে, কেন আমরা তাঁকে ভালোবাসি, কেন তাঁর ইবাদত করি এবং কেন তাঁর ওপরই ভরসা করি। এমন ঈমানই একজন মুসলিমের মধ্যে আত্মমর্যাদা, সাহস ও দৃঢ়তা সৃষ্টি করে।

দ্বিতীয় ভিত্তি : ইবাদত ও আত্মশুদ্ধি

ঈমানের পর ইসলামী ব্যক্তিত্ব গঠনের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো ইবাদত। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর নামাজ কায়েম করো। নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।’ (সুরা : আল-আনকাবুত, আয়াত : ৪৫)

নামাজ শুধু কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অঙ্গভঙ্গির নাম নয়; বরং এটি মানুষের অন্তরকে আল্লাহর সঙ্গে যুক্ত করার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। নামাজ মানুষকে আত্মসংযম শেখায়। রোজা তাকে ধৈর্য ও প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা দেয়। জাকাত তাকে কৃপণতা ও স্বার্থপরতা থেকে পবিত্র করে। আর হজ তাকে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা দেয়।

অতএব, ইবাদত শুধু আখিরাতের সওয়াব অর্জনের মাধ্যম নয়; বরং এটি একটি শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যক্তিত্ব গঠনের অন্যতম প্রধান উপায়।

তৃতীয় ভিত্তি : উত্তম চরিত্র

ইসলামী ব্যক্তিত্বের আরেকটি অপরিহার্য ভিত্তি হলো উত্তম চরিত্র। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মুমিনদের মধ্যে ঈমানে সবচেয়ে পরিপূর্ণ সে-ই, যার চরিত্র সবচেয়ে উত্তম।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১১৬২)

এ থেকে স্পষ্ট হয়, চরিত্র কোনো অতিরিক্ত সৌন্দর্য নয়; বরং এটি ঈমানেরই অংশ। একজন মানুষ অনেক ইবাদত করতে পারে, কিন্তু যদি সে মিথ্যাবাদী হয়, মানুষের অধিকার নষ্ট করে, অন্যকে কষ্ট দেয় কিংবা তার জিহ্বা ও হাত থেকে মানুষ নিরাপদ না থাকে, তাহলে তার ইসলামী ব্যক্তিত্ব অপূর্ণ থেকে যায়।

জ্ঞান ও চিন্তার শক্তি

বর্তমান যুগে ইসলামী ব্যক্তিত্ব গঠনের জন্য উপকারী জ্ঞান অর্জনের কোনো বিকল্প নেই; বিভ্রান্তিকর তথ্যের অভাব নেই। সত্যের পাশাপাশি মিথ্যাও অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়। ফলে জ্ঞান ও প্রজ্ঞা ছাড়া একজন মানুষ খুব সহজেই বিভ্রান্ত হতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বিনের গভীর জ্ঞান দান করেন।’ (বুখারি, হাদিস : ৭১)

তাই আমাদের সন্তানদের এমন শিক্ষা দিতে হবে, যাতে তারা শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য নয়, বরং সত্যকে চেনার, সঠিকভাবে চিন্তা করার এবং হক ও বাতিলের পার্থক্য করার যোগ্যতা অর্জন করে। শুধু জ্ঞান অর্জন করলেই ইসলামী ব্যক্তিত্ব পূর্ণ হয় না। জ্ঞানকে জীবনে বাস্তবায়ন করতে হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বলুন, তোমরা আমল করতে থাকো। অচিরেই আল্লাহ, তাঁর রাসুল এবং মুমিনরা তোমাদের আমল দেখবেন।’ (সুরা : আত-তাওবা, আয়াত : ১০৫)

ইসলাম এমন কোনো দর্শন নয়, যা শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকবে। ইসলাম মানুষের চিন্তা, ইবাদত, পরিবার, লেনদেন, কর্মক্ষেত্র, সমাজ ও ব্যক্তিগত জীবনে বাস্তবায়িত হওয়ার জন্য এসেছে। তাই আমাদের সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা যা শেখে, তা জীবনে প্রয়োগও করে।

পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মসজিদের ভূমিকা

একটি শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠনে পরিবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাবা-মায়ের আচরণ, কথাবার্তা, ইবাদত ও পারিবারিক পরিবেশ শিশুর মনে গভীর ছাপ ফেলে।

তাই আমরা যদি সন্তানদের সত্যবাদী হতে বলি, অথচ তারা আমাদের মিথ্যা বলতে দেখে; যদি তাদের নামাজের নির্দেশ দিই, অথচ তারা আমাদের নামাজে অবহেলা করতে দেখে, তাহলে আমাদের উপদেশ তাদের মনে কতটা প্রভাব ফেলবে?

শিশুরা আমাদের কথার চেয়ে আমাদের কাজ বেশি অনুসরণ করে। অতএব, আমাদের ঘরগুলোকে এমন পরিবেশে পরিণত করতে হবে, যেখানে কোরআনের তিলাওয়াত থাকবে, নামাজের গুরুত্ব থাকবে, আল্লাহর জিকির থাকবে, সত্য ও সুন্দর কথার চর্চা থাকবে এবং পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্মান থাকবে। একইভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মসজিদগুলোতেও জ্ঞান, ঈমান ও চরিত্র গঠনের সমন্বিত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

Previous Post

বাগেরহাটে প্রথম দফায় কৃষক কার্ড পাবেন ২৬ হাজার কৃষক

Next Post

মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর আর্চারি ফেডারেশনের

Next Post
মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর আর্চারি ফেডারেশনের

মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর আর্চারি ফেডারেশনের

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল : ruposhibd71@gmail.com

info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), 

Publisher and Editor

Gautam Kumar Edbor
www.ruposhibangla.com
www. asomoy.com

FB Page:ruposhibangla71

Youtube :Ruposhibangla71

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.