• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
QR Code
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

বাবা শক্তি সাহস ও প্রেরণার উৎস :

admin by admin
June 20, 2026
in অন্যান্য
0
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে সড়ক নিরাপত্তা কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ অপরিহার্য : লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

RelatedPosts

হারিয়ে যাওয়া শৈশব: আমাদের শিশুদের সুরক্ষায় দায় কার?

বরগুনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাহী সভা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রবীণদের সুরক্ষায় প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা : লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

মানুষের জীবনে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আশ্রয়, সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা এবং সবচেয়ে শক্তিশালী সাহসের নাম বাবা। পৃথিবীতে এমন অনেক সম্পর্ক রয়েছে যা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়, কিন্তু বাবার ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ এবং ত্যাগ কখনো বদলে যায় না। একজন সন্তানের জন্মের পর থেকে তার শিক্ষা, চরিত্র গঠন, নৈতিকতা, আত্মবিশ্বাস এবং জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের পেছনে বাবার ভূমিকা অপরিসীম। তিনি হয়তো সব সময় মুখে ভালোবাসার কথা বলেন না, কিন্তু তাঁর প্রতিটি পরিশ্রম, প্রতিটি ত্যাগ এবং প্রতিটি দুশ্চিন্তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে সন্তানের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা।

বাবা শুধু একজন অভিভাবক নন, তিনি একজন শিক্ষক, পথপ্রদর্শক, পরামর্শদাতা, রক্ষক এবং জীবনের প্রথম নায়ক। একজন সন্তান যখন পৃথিবীর কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়, তখন বাবার শেখানো সাহস, সততা এবং অধ্যবসায়ই তাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয়। জীবনের প্রতিটি সংকটে বাবার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ এক একটি আলোর দিশারির মতো কাজ করে।

শৈশবে বাবা সন্তানের হাত ধরে হাঁটা শেখান। তিনি শুধু হাঁটাই শেখান না, শেখান জীবনের পথে কীভাবে দৃঢ়তার সঙ্গে এগিয়ে যেতে হয়। একটি শিশু যখন প্রথম বিদ্যালয়ে যায়, নতুন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে শেখে, তখন বাবার উৎসাহ ও সাহস তাকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। একজন বাবা সন্তানের ছোট ছোট সাফল্যে যেমন আনন্দ পান, তেমনি তার ব্যর্থতার সময় নীরবে পাশে দাঁড়িয়ে নতুন করে উঠে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা দেন।

একজন বাবা নিজের স্বপ্নকে অনেক সময় বিসর্জন দেন সন্তানের স্বপ্ন পূরণের জন্য। তিনি নিজের আরাম-আয়েশের কথা না ভেবে সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে নিরলস পরিশ্রম করেন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কঠোর শ্রম, কর্মব্যস্ততা এবং জীবনের নানা সংগ্রামের মধ্যেও তাঁর একমাত্র লক্ষ্য থাকে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো। একজন সন্তানের ভালো শিক্ষা, নিরাপদ জীবন এবং সম্মানজনক ভবিষ্যতের জন্য একজন বাবার এই ত্যাগের কোনো তুলনা হয় না।

অনেক সময় আমরা মায়ের আবেগময় ভালোবাসা সহজেই অনুভব করতে পারি, কিন্তু বাবার ভালোবাসা থাকে নীরব। তিনি খুব কম কথা বলেন, কিন্তু তাঁর প্রতিটি কাজেই ভালোবাসার প্রকাশ ঘটে। সন্তানের প্রয়োজন মেটাতে তিনি নিজের চাওয়াকে বিসর্জন দেন। অনেক বাবা নিজের নতুন পোশাক কেনেন না, কিন্তু সন্তানের জন্য সেরা পোশাকটি কিনে দেন। নিজের ইচ্ছাগুলোকে চাপা দিয়ে সন্তানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। এই নীরব ভালোবাসাই একজন বাবাকে মহান করে তোলে।

জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে বাবার সাহস একজন সন্তানের সবচেয়ে বড় শক্তি। পরীক্ষায় ব্যর্থতা, চাকরির অনিশ্চয়তা, ব্যবসায় ক্ষতি কিংবা জীবনের অন্য কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বাবার একটি কথা, একটি স্পর্শ কিংবা একটি আশ্বাসই নতুন করে বেঁচে থাকার সাহস জোগায়। তিনি শেখান, ব্যর্থতা জীবনের শেষ নয়; বরং নতুন করে শুরু করার একটি সুযোগ। এই শিক্ষা একজন মানুষকে জীবনের প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দৃঢ় করে তোলে।

বাবা শুধু অর্থ উপার্জনকারী নন, তিনি একজন আদর্শ নির্মাতা। তাঁর সততা, ন্যায়পরায়ণতা, পরিশ্রম, সময়ানুবর্তিতা এবং মানবিক মূল্যবোধ সন্তানের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। একজন সন্তান তার বাবার আচরণ দেখে শিখে কীভাবে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হয়, কীভাবে সমাজে সম্মান অর্জন করতে হয় এবং কীভাবে একজন ভালো মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হয়। তাই বলা যায়, একজন বাবার জীবনই সন্তানের প্রথম পাঠ্যপুস্তক।

সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে একজন বাবার অবদানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি সুস্থ, শিক্ষিত এবং নৈতিক পরিবারই একটি উন্নত সমাজের ভিত্তি। আর সেই পরিবারের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হচ্ছেন বাবা। তিনি পরিবারে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ এবং পারস্পরিক সম্মানের পরিবেশ সৃষ্টি করেন। একজন আদর্শ বাবা শুধু একজন সফল সন্তানই গড়ে তোলেন না, বরং একজন দায়িত্বশীল নাগরিকও তৈরি করেন, যিনি সমাজ ও দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন।

বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির কারণে পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে অনেক পরিবর্তন এসেছে। ব্যস্ততা বেড়েছে, সময় কমে গেছে, কিন্তু বাবার দায়িত্ব কমেনি। বরং বর্তমান সময়ে সন্তানকে সঠিক পথে পরিচালিত করা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মাদকাসক্তি, সাইবার অপরাধ এবং বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব থেকে সন্তানকে রক্ষা করতে বাবাকে আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হচ্ছে। একজন আধুনিক বাবা শুধু উপার্জন করলেই তাঁর দায়িত্ব শেষ হয় না; সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা, তার মানসিক অবস্থা বোঝা এবং মূল্যবোধের শিক্ষা দেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

একজন বাবার প্রকৃত সাফল্য তাঁর ব্যাংক ব্যালেন্সে নয়, বরং তাঁর সন্তান কতটা সৎ, শিক্ষিত, মানবিক এবং দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠেছে, তার ওপর নির্ভর করে। একজন সৎ বাবা তাঁর সন্তানকে কখনো অন্যায়ের পথে উৎসাহিত করেন না। তিনি শেখান সত্য বলতে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে, দুর্নীতিকে ঘৃণা করতে এবং নিজের বিবেকের কাছে সৎ থাকতে। এই শিক্ষাই একজন মানুষকে প্রকৃত অর্থে সফল করে তোলে।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে অসংখ্য বাবা সীমিত আয় ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সন্তানদের উচ্চশিক্ষিত করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন। অনেক বাবা নিজের জমি বিক্রি করেছেন, ঋণ নিয়েছেন কিংবা নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে সন্তানকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগের কারণেই আজ অসংখ্য চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক, সাংবাদিক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা ও সফল নাগরিক সমাজকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

একজন সন্তানের জীবনে বাবার প্রভাব মৃত্যুর পরও শেষ হয়ে যায় না। বাবার আদর্শ, শিক্ষা এবং স্মৃতিগুলো আজীবন সন্তানের জীবনের পাথেয় হয়ে থাকে। জীবনের কোনো কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়ও অনেকেই মনে মনে ভাবেন, “আজ বাবা থাকলে কী পরামর্শ দিতেন?” এই অনুভূতিই প্রমাণ করে, একজন বাবা শুধু জীবদ্দশায় নয়, তাঁর আদর্শের মাধ্যমেও চিরকাল বেঁচে থাকেন।

আমাদের সমাজে বাবাদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের সংস্কৃতি তুলনামূলকভাবে কম। অনেক সন্তান বাবাকে ভালোবাসলেও তা মুখে বলতে পারেন না। অথচ বাবা বেঁচে থাকতেই তাঁর প্রতি সম্মান, ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত। তাঁর সঙ্গে সময় কাটানো, তাঁর খোঁজ নেওয়া, তাঁর কষ্ট বোঝার চেষ্টা করা এবং বার্ধক্যে তাঁর পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেক সন্তানের নৈতিক দায়িত্ব।

একজন বাবার সবচেয়ে বড় চাওয়া অর্থ-সম্পদ নয়, তিনি চান তাঁর সন্তান একজন ভালো মানুষ হোক। সন্তানের সাফল্যই তাঁর সবচেয়ে বড় আনন্দ। তাই আমাদের উচিত বাবার স্বপ্নকে সম্মান করা, তাঁর ত্যাগের মূল্য দেওয়া এবং তাঁর দেখানো পথে চলার চেষ্টা করা।

বাবা কখনো সন্তানের কাছে কিছু দাবি করেন না। তিনি শুধু চান সন্তানের মুখে একটি হাসি দেখতে, সন্তানের সফলতা দেখতে এবং সন্তানের সম্মানজনক জীবন দেখতে। তাঁর এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রতিদান কোনোভাবেই পরিশোধ করা সম্ভব নয়। তবে আমরা যদি তাঁর শিক্ষা, আদর্শ ও মূল্যবোধকে ধারণ করে জীবন পরিচালনা করি, তবেই তাঁর প্রতি প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন করা হবে।

একজন বাবা শুধু পরিবারের উপার্জনকারী নন, তিনি একটি পরিবারের শক্তির কেন্দ্র, সাহসের প্রতীক এবং প্রেরণার উৎস। তাঁর ত্যাগ, ভালোবাসা, পরিশ্রম এবং নৈতিক শিক্ষা একজন সন্তানকে জীবনের প্রতিটি ধাপে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয়। একজন বাবার অবদান ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন, কারণ তাঁর ভালোবাসা শব্দের চেয়ে অনেক গভীর।

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ যেমন আধুনিক হচ্ছে, তেমনি পারিবারিক বন্ধনের ক্ষেত্রেও নানা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। কর্মব্যস্ততা, নগরজীবনের চাপ এবং প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাত্রার কারণে অনেক সন্তানই বাবার সঙ্গে আগের মতো সময় কাটাতে পারেন না। অথচ একজন বাবা জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময় ব্যয় করেন সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে। তাই সন্তানেরও উচিত বাবার প্রতি যথাযথ সম্মান, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ প্রদর্শন করা। বার্ধক্যে তাঁর শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার খোঁজ নেওয়া, তাঁর অভিজ্ঞতাকে মূল্য দেওয়া এবং পারিবারিক সিদ্ধান্তে তাঁর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া একজন সন্তানের নৈতিক কর্তব্য। কারণ, যে বাবা সারাজীবন সন্তানের হাত ধরে পথ দেখিয়েছেন, জীবনের শেষ অধ্যায়ে তাঁর হাত ধরে পাশে দাঁড়ানোই একজন সন্তানের সর্বোচ্চ মানবিক দায়িত্ব। একজন বাবার মুখের হাসি, তাঁর আত্মতৃপ্তি এবং সন্তানের প্রতি গর্বই প্রকৃত সফল জীবনের অন্যতম বড় অর্জন।

তাই আসুন, আমরা প্রত্যেকে আমাদের বাবাকে যথাযথ সম্মান করি, তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি এবং তাঁর আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে একটি মানবিক, সুন্দর ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখি। বাবা শুধু একটি সম্পর্কের নাম নয়, তিনি শক্তি, সাহস, বিশ্বাস, ভালোবাসা এবং জীবনের সবচেয়ে বড় প্রেরণার উৎস।

Previous Post

বাংলাদেশের সৃষ্টি, পুনর্গঠন ও উন্নয়ন অভিযাত্রায় আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক ভূমিকা

Next Post

১১৫ তম সুফিয়া কামাল স্মারকবক্তৃতা, সুফিয়া কামাল সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।

Next Post
১১৫ তম সুফিয়া কামাল স্মারকবক্তৃতা, সুফিয়া কামাল সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।

১১৫ তম সুফিয়া কামাল স্মারকবক্তৃতা, সুফিয়া কামাল সম্মাননা প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল : ruposhibd71@gmail.com

info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), 

Publisher and Editor

Gautam Kumar Edbor
www.ruposhibangla.com
www. asomoy.com

FB Page:ruposhibangla71

Youtube :Ruposhibangla71

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.