ব্রেকিং নিউজ ১: প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে বারবার ত্রুটি, কারণ জানতে চায় সংসদীয় কমিটি   |   ব্রেকিং নিউজ ২: আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতে নামিবিয়ার ইতিহাস   |   ব্রেকিং নিউজ ৩: শিক্ষক নিয়োগে ১৮ রায় জালিয়াতি : তদন্ত কমিটি গঠন করলেন আপিল বিভাগ
  • About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
QR Code
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

যে নারী বিজ্ঞানী নিউক্লিয়ার ফিশন ব্যাখ্যা করেও নোবেল পাননি

admin by admin
February 18, 2026
in আন্তর্জাতিক
0
যে নারী বিজ্ঞানী নিউক্লিয়ার ফিশন ব্যাখ্যা করেও নোবেল পাননি

RelatedPosts

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত ৬৯ জনের সবার পরিচয় শনাক্ত

UNIP GLOBAL SDGs & SADGs INTERNATIONAL SUMMIT & CONFERENCE 2026

নিজস্ব প্রতিনিধি : ১৯৩৮ সালে নিউক্লিয়ার ফিশন বা পারমাণবিক বিভাজনের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য লিজ মাইটনারের নাম আজ বিজ্ঞানের ইতিহাসে উজ্জ্বল। এ আবিষ্কার আধুনিক বিজ্ঞানকে যেমন বদলে দিয়েছিল তেমনি আধুনিক যুদ্ধের নীতিনির্ধারণেও বড় ভূমিকা রেখেছিল। ফিশন-সংক্রান্ত কাজের জন্য ১৯৪৪ সালে লিজের দীর্ঘদিনের সহযোগী অটো হানকে রসায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। লিজ মাইটনারের এই নোবেল বঞ্চিত হওয়ার ঘটনা আজও বিজ্ঞানের ইতিহাসের অন্যতম অমীমাংসিত বিতর্ক হয়ে আছে।

১৮৭৮ সালে ভিয়েনায় জন্ম নেওয়া লিজ মাইটনার ১৯০৬ সালে ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনকারী দ্বিতীয় নারী ছিলেন। এরপর তিনি বার্লিনে চলে যান। সেখানে বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী ম্যাক্স প্লাঙ্কের বক্তৃতা শোনার সুযোগ পান। সেখানেই অটো হানের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের পেশাগত সম্পর্কের সূচনা হয়। ১৯১৭ সালে এই জুটি প্রোটেক্টিনিয়াম মৌলটি শনাক্ত করেন। এতে তিনি জার্মান বিজ্ঞানী মহলে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। ১৯২৬ সালে তিনি বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের প্রথম নারী অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন। লিজের গবেষণার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল পরমাণুর গঠন ও ইউরেনিয়াম থেকে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গমনের সম্ভাবনা। সেই সময় তাঁর বিভিন্ন ধারণা শুধু গবেষণাগারেই সীমাবদ্ধ ছিল।

১৯৩৩ সালের পর জার্মানির রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যেতে থাকে। ১৯৩৮ সালে তিনি জীবন বাঁচাতে জার্মানি থেকে পালিয়ে নেদারল্যান্ডস হয়ে সুইডেনে আশ্রয় নেন। কাইজার উইলহেম ইনস্টিটিউটে নিজের দীর্ঘদিনের পদ এবং স্থাবর-অস্থাবর সবকিছুই তাঁকে পেছনে ফেলে আসতে হয়। স্টকহোমে নির্বাসনে থাকলেও অটো হানের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। ১৯৩৮ সালের শেষের দিকে অটো হান ও ফ্রিটজ স্ট্রাসম্যান নিউট্রন দিয়ে ইউরেনিয়ামকে আঘাত করার পর এক অদ্ভুত ফলাফল পান, যা তাঁরা ব্যাখ্যা করতে পারছিলেন না। লিজের ভাইয়ের ছেলে অটো রবার্ট ফ্রিশ তখন তাঁর কাছে বেড়াতে গিয়েছিলেন। লিজ ও ফ্রিশ মিলে সেই পরীক্ষালব্ধ ফলাফল বিশ্লেষণ করেন এবং সিদ্ধান্তে পৌঁছান ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াসটি দুটি ছোট অংশে বিভক্ত হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার নাম তাঁরা দেন ফিশন। তাঁদের এই যুগান্তকারী ব্যাখ্যা ১৯৩৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘নেচার’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়।

পারমাণবিক বিভাজন আবিষ্কারের কৃতিত্বস্বরূপ ১৯৪৪ সালে যখন অটো হান নোবেল পান, লিজ মাইটনারের নাম সেখানে অদ্ভুতভাবে অনুপস্থিত ছিল। ঐতিহাসিকদের মতে, যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা, রসায়ন বনাম পদার্থবিজ্ঞানের সীমানা আর লিঙ্গবৈষম্য এই অন্যায্য সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটান প্রজেক্টে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু শান্তিবাদী লিজ সরাসরি তা প্রত্যাখ্যান করে ঘোষণা করেছিলেন, বোমার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক থাকবে না! যুদ্ধের পর তিনি সুইডেন ও ব্রিটেনে তাঁর গবেষণা চালিয়ে যান। নোবেল না পেলেও তিনি ম্যাক্স প্লাঙ্ক মেডেল ও এনরিকো ফের্মি অ্যাওয়ার্ডের মতো সম্মাননা লাভ করেন। এমনকি পর্যায় সারণির ১০৯ নম্বর মৌলটির নাম তাঁর সম্মানে রাখা হয়েছে মাইটনারিয়াম।

১৯৬৮ সালে তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর সমাধিস্তম্ভে ভাইপো অটো ফ্রিশ একটি মর্মস্পর্শী এপিটাফ লিখেছিলেন, লিজ মাইটনার এমন একজন পদার্থবিজ্ঞানী, যিনি কখনো তাঁর মানবতা বোধ হারাননি।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

Previous Post

নতুন–পুরোনো মিলিয়ে বড় মন্ত্রিসভা

Next Post

কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ ফিরিয়েছিলেন রাভিনা, কিন্তু কেন

Next Post
কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ ফিরিয়েছিলেন রাভিনা, কিন্তু কেন

কুছ কুছ হোতা হ্যায়’ ফিরিয়েছিলেন রাভিনা, কিন্তু কেন

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল : ruposhibd71@gmail.com

info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), 

Publisher and Editor

Gautam Kumar Edbor
www.ruposhibangla.com
www. asomoy.com

FB Page:ruposhibangla71

Youtube :Ruposhibangla71

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা