প্রিয়ন্ত মন্ডল :
বিচ্ছেদের পর অনেকে সাময়িকভাবে ভালো থাকা জন্য নানা ফাঁদে পা দেন। ফলে ওই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার যাত্রা দীর্ঘ ও কঠিন হয়ে যায়। জেনে নিন বিচ্ছেদের পর যেসব কাজ ভুলেও করা যাবে না।
কিছুই ভালো লাগছে না। পছন্দের খাবারটা চিবিয়ে চলেছেন, কিন্তু কোনো স্বাদ পাচ্ছেন না। কারও ফোন ধরতে বা কারও সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছা করছে না। নানা চিন্তাভাবনা করতে করতে কখন যেন ঘুমিয়ে গেলেন, ঘুম থেকে ওঠার পর মনে হচ্ছে, কেন উঠলাম? ঘুমিয়ে ছিলাম, ভালো ছিলাম।
বুকের ভেতরে এক তীব্র হাহাকার যেন প্রতিনিয়ত তাড়া করছে। ভেতরটা মনে হচ্ছে শূন্য। দম নিতেও কষ্ট হচ্ছে। বিচ্ছেদের পর সময়টা অনেকটা এ রকমই। এক কথায় ভীষণ কঠিন।
তবে বিশ্বাস করুন, এই দুঃসময় কেটে যাবে। সময়ের সঙ্গে আপনি সেরে উঠবেন। ভুল থেকে শিখে, জীবনের কঠিন সময় পার করে আপনি একসময় আরও পরিণত, পরিশুদ্ধ একজন ব্যক্তি হয়ে উঠবেন। জেনে নিন বিচ্ছেদের পর যেসব কাজ ভুলেও করা যাবে না।
১. শেষ সুযোগের আশা করা
কখনোই শেষ একটা সুযোগ ‘ভিক্ষা’ করবেন না। কেননা প্রেমের সম্পর্ক পুরোপুরি দ্বিপক্ষীয় বিষয়। আপনি জোর করে আর যা-ই হোক, ভালোবাসা বা সম্মান পাবেন না। তাই আরেকটু চেষ্টা করলে সম্পর্কটা হয়তো টিকিয়ে রাখা যেত, এই চিন্তা ভুলেও নয়! সঙ্গীর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করুন। তাঁকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনফলো, ব্লক করুন।
২. যেকোনো ধরনের বার্তা চালাচালি
প্রথম কাজটি থেকে বিরত রাখার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সাময়িক বিরতি নিন। কে অপরাধী, কার কতটা দোষ, নানা ফিরিস্তি লিখে লম্বা লম্বা বার্তা তো নয়ই, খুদেবার্তা, নিজেদের পুরোনো ছবি, উপহার বা প্রাক্তনের হাসিমুখ দেখা থেকে বিরত থাকুন।
চেষ্টা করুন, প্রথম ৭২ ঘণ্টা কোনো বার্তা না পাঠাতে। এই সময় সবচেয়ে কঠিন। এই ৩ দিনে আপনি নিজে মানসিকভাবে স্থির হোন। তারপর একটানা ২১ দিন যোগাযোগ বন্ধ রাখুন। কেবল তারপরই আপনি ‘তাঁর সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই’ কথাটি সফলভাবে বলতে পারবেন। এর মানে এই নয় যে ২১ দিন পর আবার যোগাযোগ করবেন!

