নিজস্ব প্রতিনিধি :সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডি ৮ ওএমএস ডিলার মো: আমিনুল ইসলাম মেহেদী সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন ও ক্যামেরা পার্সন আরিয়ান হোসেন আবিদকে বেধড়ক মারধরের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বক্তাব্য রাখেন, দৈনিক ডেসটিনি পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও জাতীয় সম্পাদক মঞ্চের সভাপতি মাহমুদুল হাসান নিজামী, বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির আহ্বায়ক ও দৈনিক বিজনেস ফাইলের বিশেষ প্রতিবেদক এফ রহমান রূপক, বাংলাদেশ মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক মুক্ত খবরের স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আবু বকর সিদ্দিক, দৈনিক চৌকসের সহ-সম্পাদক এডভোকেট জাহিদুল ইসলাম, দৈনিক চৌকসের সিনিয়র রিপোর্টার মোঃ আনোয়ার হোসেন ও এসটিভি বাংলার স্টাফ রিপোর্টার শফিকুল ইসলাম প্রমূখ।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এটিএন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লিঃ এর স্টাফ রিপোর্টার রিটন ইসলাম, এসএ টিভির মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লিঃ এর মোঃ ইসমাইল হোসেন, দৈনিক গণবার্তার স্টাফ রিপোর্টার জাহান ইমামসহ আরও শতাধিক গণমাধ্যম কর্মী।
এসময় বক্তারা বলেন, প্রতিনিয়ত সাংবাদিকরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। ওএমএস পণ্য সর্বসাধারণের জন্য কিন্তু ডিলার, তদারককারী কর্মকর্তা, এআরও এবং ঢাকা রেশনিংয়ের প্রধান নিয়ন্ত্রকসহ সবাই চোর। এ চোরদের কালোবাজারি ঠেকানো কঠিন। আমরা সাংবাদিকগণ চোর ধরতে গেলে উল্টো তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা বার বার আক্রান্ত হচ্ছি। সরকার এ ঘটনার একটি বিহিত করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
তারা আরও বলেন, হামলাকারী ডিলার আমিনুল ইসলাম মেহেদীর ডিলার বাতিলসহ দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে অন্যথায় বমরা রাজপথে নামবো।
উল্লেখ্য, ১৮ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার রাজারবাগ কালীবাড়ি পয়েন্টে মাটির রাস্তায় বিকাল ৪টায় ট্রাকে ও এম এস এর চাল, আটা মানুষদের না দিয়ে অর্ধেক ট্রাক ভর্তি চাল ও আটা অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন তার ক্যামেরায় ভিডিও ধারন করেন। ঢাকা রেশনিংয়ের দায়িত্বরত তদারককারী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামকে ফোনে বিষয়টি অবগত করলে তদারককারী অফিসার ডিলার আমিনুল ইসলাম মেহেদীকে সঙ্গে নিয়ে আসেন। এসময় অবিক্রীত পণ্য ব্যালেঞ্চ দেখানোর কথা বললে, ব্যালেঞ্চ না দেখিয়ে তদারককারী ও ডিলার আমিনুল ইসলাম মেহেদী সাংবাদিক আনোয়ারকে ঘুষের অফার করেন। আনোয়ার ঘুষ নিতে অস্বীকার করলে তদারককারী তরিকুল ইসলাম ও ডিলার আমিনুল ইসলাম তার উপর চড়াও হন। এসময় ভিডিও ধারন করতে গেলে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেন ডিলার আমিনুল ইসলাম মেহেদী। এসময় আমিনুল ইসলামের ডাকে আরও ১০/১২ জন এসে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন ও আরিয়ান হোসেন আবিদকে উপর্যুপরি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন। এসময় সঙ্গে থাকা একটি জাপানি সনি ফুল এইচডি ক্যামেরা, একটি oppo মোবাইল সেট, একটি ডিএসএলআর ডি ৭০০০ ক্যামেরা, একটি হেলমেট ও বিশ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় আমিনুল ও তার সঙ্গে থাকা বাহিনীরা।

