রুপসীবাংলা৭১ প্রতিবেদক : শারদীয় দুর্গাপূজা কেবল ধর্মীয় আচারের উৎসব নয়, এটি হাজার বছরের ঐতিহ্য আর মানবিক বন্ধনের মিলনমেলা। বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য বছরের সবচেয়ে বড় এই উৎসব এবার উদযাপিত হচ্ছে এক নতুন বাস্তবতায়, যেখানে ধর্মীয় আনন্দের পাশাপাশি নিরাপত্তা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্বও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সভাপতিত্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা সূত্রে জানা গেছে, ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে ৩৩ হাজার ৩৫৫টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা।
গত বছর সারাদেশে ৩১ হাজার ৪৬১টি মণ্ডপ ও মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগর এলাকায় গত বছর ২৫২টি মণ্ডপ ও মন্দিরে দুর্গাপূজা হয়েছিল।
গত বছরের তুলনায় সংখ্যায় বৃদ্ধি স্পষ্টভাবে একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে যে, হিন্দু সম্প্রদায়ের আত্মবিশ্বাস বাড়ছে, উৎসব পালনে সক্রিয়তা বাড়ছে।
রাজধানী থেকে মফস্বল, সর্বত্র পূজামণ্ডপে প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত ধাপে। প্রতিমা নির্মাণ, মণ্ডপ সাজানো, আলোকসজ্জা এবং সাংস্কৃতিক আয়োজনে ব্যস্ত সময় পার করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
বিভিন্ন জেলার পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ বলছেন, আমরা আশাবাদী, এবার উৎসব হবে নির্বিঘ্ন, আনন্দময়। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও প্রস্তুতি খুব ভালোভাবে হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, আনসার ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে সর্বাত্মক পরিকল্পনা। গোয়েন্দা তৎপরতা, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ও স্থানীয় পর্যায়ের স্বেচ্ছাসেবী দলগুলোকে সম্পৃক্ত করে তৈরি করা হয়েছে একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়।
রুপসীবাংলা৭১/এআর

