হুমায়ূন মুজিবঃ গত কাল মানিকগঞ্জ সদর আটি গ্রামের জাগিরদিঘুলিয়ায় ১ এপ্রিল বুধবার বিকেলবেলা সালিসি বৈঠক হয়, সেখানে জব্বার নামের এক ছেলে সোনা মিয়ার বউ ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করে।এটা সমাজের চোখে যেমন ঘৃন্য কাজ হলেও বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিলো সোনা মিয়ার সাথে মেয়েকে ডিভোর্স করানো।
মেয়ের মা ও মেয়ে বলেছে জব্বার এর সাথে ও ডিভোর্স করাবে সে এই সংসার করবে না, যেহেতো জব্বার এর আগের ও একটা বউ আছে।এখন আসি মূল কথায় কাজী আসলো গ্রামের গন্য মান্য ব্যাক্তি বর্গ ও উপস্থিত হলো।মেয়ে আসলো সোনা মিয়া আসলো কিন্তু জব্বার আসেনি ভয়ে।সোনা মিয়ার সাথে ডিভোর্স হয়েগেলো, এখন মেয়ে জব্বার কে একতরফা তালাক দিবে, তখন গ্রামের কিছু আউলিয়ারা জেগে উঠলো না জব্বার কে তালাক দেওয়া যাবেনা তাদের উদ্দেশ্য জব্বার আসবে তাকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা।কারন সে যে অপরাধ করেছে তা আর এই এলাকার কোনো আউলিয়ারা করে নাই, তাই তার বিচার তাকে হত্যা করে এলাকা কলংক মুক্ত করা, এলাকার গন্য মান্য মাতবরদের কারো কথা তারা শুনবে না মাতবর গন ও চেষ্টা করেছে যেহেতু মেয়ে নিজ ইচ্ছায় একতরফা তালাক দিবে তাহলে আইনি কোনো বাধা নেই। বাধা দিলো কারা এলাকার আউলিয়ারা।
আউলিয়ারা বলছে গ্রাম কে কলংক মুক্ত করতে হবে, তাদের আমূল নামা একটু অনুসন্ধান করে দেখি।অনুসন্ধানে যা পাওয়া গেলো জাগিরদিঘুলিয়ার পূর্ব মেরুতে বাস করেন এক বুজুর্গ যে ঘরে বউ রেখে ৬০ বছর বয়সে এসে সে এক বিধবা মহিলার সাথে কট পরে বিয়ে।তার ছেলে এক মেয়ে নিয়ে বাইরাই গিয়ে(পরিবারের অমতে একা একা বিয়ে)বিয়ে করে সে আউলিয়া দুই সন্তান হওয়ার পর বউ আর ভালো লাগেনা বউ নাকি শুকনা হাড্ডি। পরে মিরপুর থেকে নাদুসনুদুস আর একটা বিয়ে করে আনলেন। তার একটা মেয়ে হলো সেই মেয়ে আবার তার ভাগিনার সাথে ভেগে গেলো তার পর বিয়ে। যার একটাও বিচার হয়নি। এ হলো এক আউলিয়ার আমলনামা, এমন ১৭ জন আউলিয়ার আমলনামা পাওয়া গেছে কেউ বউ রাখতে পারে নাই, আবার বিয়ে করতে হয়েছে কারও মেয়ে কট কারও ভাতিজা কট। যদি সত্যি সত্যি গ্রাম কে কলংক মুক্ত করতে হয় তাহলে বিগত দিনে যতো অপকর্ম হয়েছে সব গুলোর বিচার করা হউক।। শুধু একজন জব্বার এর বিচার করে গ্রাম কলংক মুক্ত হবে না।

