নিজস্ব প্রতিনিধি : ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ইং, রোজ বুধবার, বিকেল ৪:০০ ঘটিকায় আগামি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ সকল রাজনৈতিক দলসমূহ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্তকরণের দাবিতে হাফেজ মাওলানা আহমদ আলীর সভাপতিত্বে মোঃ রেজাউল হক এর সঞ্চালনায় পল্টন আজাদ সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ মোঃ মাইন উদ্দীন, সভাপতি, বেসরকারি মাদরাসা শিক্ষক কর্মচারি ফোরাম ও জাতীয়করণ প্রত্যাশীজোট। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ মোঃ আবদুর রহমান, মহাসচিব, অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ ফোরাম, ডঃ মোঃ মহিউদ্দিন, অধ্যক্ষ, মিসবাহুল উলুম কামিল মাদরাসা, ঢাকা, ড. মুহাম্মদ ঈশা সাহেদী, আমির, ইসলামি ঐক্য আন্দোলন, বাংলাদেশ, মাওলানা মোছলেহ্ উদ্দিন, সহ-সভাপতি, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষা উন্নয়ন বাংলাদেশ, মাওলানা খলিলুর রহমান, সহ-সভাপতি, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষা উন্নয়ন বাংলাদেশ, মোঃ ওমর ফারুক আকন্দ, সাংগঠনিক সম্পাদক, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষা উন্নয়ন বাংলাদেশ, এল. এম রফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষা উন্নয়ন বাংলাদেশ, মোঃ আঃ আলিম, সদস্য, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষা উন্নয়ন বাংলাদেশ, মোঃ মেহেদী হাসান সদস্য, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা শিক্ষা উন্নয়ন বাংলাদেশ, মোঃ আলী জিন্নাহ, মোঃ আব্দুস সাত্তার প্রমুখ ।
উক্ত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন ১৯৭৮ সালে ৯ অর্ডিন্যান্স ২ এর ধারা মোতাবেক স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার সমূহকে ১৯৮৪ সনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়। বাংলাদেশে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাল মিশিয়ে এন সি টি বি কর্তৃক প্রকাশিত শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচক অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষার ন্যায় সকল শিক্ষা পাঠদান করে আসতেছে। দেশে প্রাথমিক শিক্ষার ন্যায় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীগণ উপবৃত্তি ও ফিডিং এর ব্যবস্থা ছিল যা অজানা কারণে ২০২২ সাল থেকে বন্ধ। ১৯৯৪ ই সালে রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আঠারো হাজার স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার মধ্যে মাত্র ১৫১৯ টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের একই পরিপত্রে ৫০০ টাকা ভাতা প্রদান করা হয় কিন্তু ধীরে ধীরে রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০১৩ সালে জাতীয়করণ হলেও স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা পূর্বের ন্যায় বেতন বঞ্চিত রয়েছে। যারা বর্তমানে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এ সময় সংগঠনের মহাসচিব মোঃ রেজাউল হক বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার বিদায় হবার পর বৈষম্য বিরোধী গণঅভ্যুত্থানের সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর শিক্ষকদের দাবির প্রেক্ষিতে গত ২৮ জানুয়ারি ২০২৫ শাহবাগ মোড়ে মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব ঘোষণা দেন, পর্যায়ক্রমে সকল স্বতন্ত্র মাদ্রাসা জাতীয়করণ করা হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় ঘোষণার এক বছর পেরিয়ে গেলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। তবে এই বঞ্চনা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে গত ০৮/০৯/২০১৫ ইং তারিখে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা স্থাপন স্বীকৃতি পরিচালনা জনবল কাঠামো ও এমপিও সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ গ্যাজেট বা প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রথম পর্যায়ে উক্ত নীতিমালার আলোকে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলোকে এমপিও ভুক্ত করার লক্ষ্যে গত ২৬/০৬/২০২৫ তারিখের গণ বিজ্ঞপ্তির আলোকে ০৩/০৭/২০২৫ তারিখ হতে ১৫/০৭/২০২৫ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয়। এরপর গত ০২/০৭/২০২৫ তারিখে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের এমপিও শাখা হতে একটি নোটিশের মাধ্যমে বর্ণিত হয় যে, এমপিওভুক্ত করনের সকল কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে। এ পদ্ধতিতে নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে। উল্লেখ্য যে সকল প্রক্রিয়া নির্দেশনা মোতাবেক ২০২৫ নীতিমালা অনুসারে প্রস্তুত করা হলেও ১২/১০/২০২৫ পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এমপিও ফাই সাক্ষরিত হয়ে না আসায় ১৩/১০/২০২৫ হতে আবারও অবস্থান কর্মসূচিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনরত অবস্থায় গত ৩-১১-২০২৫ তারিখে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় হতে নির্দেশনা প্রদান করেন যে, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা স্থাপন স্বীকৃতি পরিচালনা জনবল কাঠামো এবং বেতন ভাতাদি/অনুদান নীতিমালা ২০১৮-এর সকল শর্ত পূরণ করে এমপিও করতে হবে, তবে এক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকগণের বিস্তারিত প্রতিবেদন গ্রহণ করতে হবে। তার ধারাবাহিকতায় গত ১০-১১-২৫ মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ হতে ১৫ দিনের সময় দিয়ে দেশের সকল জেলা প্রশাসকদের তথ্য পাঠানোর জন্য চিটি ইস্যু করেন। যা দুই মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত একটি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসাও এমপিওভুক্ত করা হয়নি। যা অত্যন্ত হতাশাজনক এবং শিক্ষকদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সকল কর্মকর্তা এবং শিক্ষা উপদেষ্টা মহোদয় কে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিভিন্ন জেলা থেকে তথ্য প্রদানকৃত অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা যাচাই-বাছাই করে এমপিওভুক্ত তালিকা গ্যাজেট আকারে এবং অনুদানবিহীন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার দ্বিতীয় পর্যায়ে কার্যক্রম গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছি। সে সঙ্গে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে

