রুপসীবাংলা৭১ প্রতিবেদক : জেলায় চলতি মওসুমে আউশের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এ বছর জেলায় মোট ৯ হাজার ১০৭ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়েছে।
চাষকৃত এ জমিতে ২৩ হাজার ৫৯৭ মেট্রিকটন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। বর্তমানে জেলার তিন উপজেলায় ক্ষেত থেকে পুরোদমে আউশ ধান কাটা চলছে।
নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে কৃষকদের বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা দেওয়ায় প্রতিবছর আউশ ধান চাষাবাদে আগ্রহী হচ্ছেন এখানকার চাষিরা।
ইতোমধ্যেই জেলায় আবাদ হওয়া মোট ৮১ শতাংশ জমির আউশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। জেলার কৃষকরা ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
ধান কেটে ঘরে তোলা পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আউশের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলায় আউশের আবাদ হয়েছে ৩ হাজার ৮৫৯ হেক্টর জমিতে।
লোহাগড়া উপজেলায় আউশের আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৭১৮ হেক্টর জমিতে এবং কালিয়া উপজেলায় হয়েছে ৩ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে।
নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কার্যালয়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিপু মজুমদার বলেন, চলতি খরিপ মওসুমে (২০২৬-২০২৭) এ জেলায় উফশী বিরি ধান-৪৮,৫৫,৮২,৯৮ জাত, হাইব্রীড ধান-হিরা, এগ্রো-১২, বিরি-৭ ও স্থানীয় রাতইল, ভোজন,পরাঙ্গীর, এবং নড়ই জাতের আউশ ধানের আবাদ হয়েছে।
আউশের চালের ভাত খেতে সুস্বাদু। এ জেলার মাটি আউশ ধান উৎপাদনের জন্য বেশ উপযোগী। এ চালের চাহিদা থাকায় কৃষকরা আগ্রহ সহকারে প্রতি বছর আউশ আবাদ করেন বলে তিনি জানান।
রুপসীবাংলা৭১/এআর


