• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দেশের জন্য অশনিসংকেত

admin by admin
August 15, 2026
in Uncategorized
0
তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট দেশের জন্য অশনিসংকেত

RelatedPosts

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন ৪ সদস্যের সাক্ষাৎ

বেগম খালেদা জিয়ার জীবনাবসান ঘটেছে, কিন্তু পরাজয় বরণ করেননি: রিজভী

দেশে বর্তমানে যে জ্বালানি সংকট চলছে তার মূল কারণ হচ্ছে গ্যাস সরবরাহের স্বল্পতা। এ পরিস্থিতি এই ঘাটতি হঠাৎই তৈরি হয় নাই। বিগত পতিত আওয়ামী সরকার নিজস্ব উৎস থেকে গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনের বিষয়ে খুব বেশি গুরুত্ব না দিয়ে দেশকে ক্রমেই আমদানিনির্ভর করে তুলেছিল। যার ফলশ্রুতিতেই এই সংকট আজ ভয়াবহ রুপ নিয়েছে। তাদের পরিকল্পনার অন্যতম অংশ ছিল ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) এবং ল্যান্ড-বেজড রিগ্যাসিফিকেশন প্ল্যান্ট স্থাপন। এখন প্রতিয়মান হচ্ছে যে, এর কোনোটিই প্রত্যাশামাফিক কার্যকর হয় নাই। ২০১১-১২ সাল থেকেই পেট্রোবাংলা গ্যাস আমদানিনির্ভর পরিকল্পনা গ্রহণ করে আসছে। ২০১৬-১৭ সালে নিজস্ব উৎস (পেট্রোবাংলা ও আইওসি মিলিয়ে) থেকে গ্যাসের উৎপাদন যেখানে ২৭০ কোটি ঘনফুটে পৌঁছেছিল, সেটা এখন কমে প্রায় ১৫০ কোটি ঘনফুটে এসে ঠেকেছে। এটা পেট্রোবাংলার অনেক বড় একটা ব্যর্থতা।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটে দেশের অর্থনীতিতে যখন বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবনে ভোগান্তি যখন চরমে পৌঁছেছে, তখন সরকার জনগণের সামনে কোনো সঠিক, গ্রহণযোগ্য জ্বালানি পরিকল্পনা হাজির করতে পারছে না। বরং সরকারের বিদ্যুৎ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী বলছেন, ‘গ্রামে কোন লোড শেডিং নাই। কারেন্টের খাম্বাগুলো লম্বা হওয়ার কারণে কারেন্ট আসতে দেরি হয়।’ মন্ত্রীদের এমন কথা বলা কি আদৌ সাজে ? এতে করে কি প্রমানিত হচ্ছে না যে, তারা জনগণের এই সমস্যাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। ফলে জনমনে একধরনের ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। গত দুই সপ্তরে রাজধানির বাইরে কয়েকটি মফস্বল শহরে যাবার সুযোগ আমার হয়েছে। সেখানে নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা খুব বেশী সুখকর নয়। প্রায় জায়গায় সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে বলাবলি করছে, ‘ভাই কারেন্ট কখন যায় বলার দরকার নাই। এখন বলবেন কারেন্ট কখন কখন আসে।’ জ্বালানির অভাবে আমাদের অনেক গ্যাস প্ল্যান্ট বন্ধ আছে, তেল প্ল্যান্টগুলো চলছে না। কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হলো? সরকারের জ্বালানি পরিকল্পনার ত্রুটিগুলো কোথায়? বর্তমান অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায়ই বা কী? এসব বিষয়ে কথা না বলে মন্ত্রীদের অসংলগ্ন কথা সমস্যাকে গুরুত্বহিন ভাবে উপস্থাপন করছে।

বাংলাদেশের পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে যে, দেশে প্রতিদিন বিদ্যুৎ চাহিদা স্বাভাবিক সময়ে সাড়ে ১১ হাজার থেকে ১২ হাজার মেগাওয়াট, তবে চলতি বছরে দাবদাহের কারণে সেই চাহিদা তৈরি হয় ১৬ থেকে সাড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট। এই সময়ে প্রতিদিন বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৩-১৪ হাজার মেগাওয়াট। ঘাটতি থাকছে আড়াই হাজার মেগাওয়াটের বেশি। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশকে মূলত প্রাকৃতিক গ্যাস, জ্বালানি তেল, কয়লা ও সোলার এনার্জির ওপর নির্ভর করতে হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বিদ্যুতের ৫১ শতাংশ উৎপাদন হয় প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে, ২৬ শতাংশ উৎপাদন হয় ফার্নেস অয়েল থেকে ও বাকি অংশ উৎপাদন হয় অন্যান্য উৎস থেকে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য জ্বালানি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। একসময় বাংলাদেশের বিদ্যুতের ৮০ শতাংশ উৎপাদন হতো প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে, বর্তমানে তা কমে ৫১ শতাংশে নেমেছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ পেট্রোবাংলা নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করতে না পারা এবং নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে পর্যাপ্ত উদ্যোগ গ্রহন না করা। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস- এলএনজি) বাংলাদেশে ব্যবহার হয়। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্য দুই থেকে চার গুণ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে সংকট তৈরি হয়েছে। তাছাড়া জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদন সে তুলনায় বৃদ্ধি পায় নাই।

দেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং সকল রেকর্ড ছাড়িয়েছে। গড়ে প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে প্রাতদিন। প্রচণ্ড তাবদাহের মধ্যে বিদ্যুতের অভাবে দেশজুড়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শহরে কিছুটা কম হলেও গ্রামের পরিস্থিতি অত্যান্ত ভয়াবহ। কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। কোথাও টানা ১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিংয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। ক্ষুব্ধ মানুষ বহু স্থানে বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। বিদ্যুতের সংটে সারা দেশেই কল-কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমেছে। অনেক প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকরা গল্প-গুজব করে অলস সময় পার করছে। শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ায় মন দিতে পারছে না। রোগী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা গরমে হাঁসফাঁস করছেন। তাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত। এই পরিস্থিতি রীতিমতো উদ্বেগজনক।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি খুব দ্রুত উন্নয়নের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানীতে জ্বালানি-সম্পর্কিত এক সেমিনারে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী সরকারের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী মানুষের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহে বড় ঘাটতির দায় স্বীকারও করেন। প্রতিমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ ইতিবাচক হলেও তার বক্তব্যে সমাধানের সূত্র নাই।  কিন্তু বিদ্যুৎমন্ত্রী বা অন্য কারো কাছ থেকে আশাবাদী হওয়ার মতো কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায় নাই। আগামী সাড়ে চার বছরে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতির কথা বলেছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী। ভোগান্তির শিকার মানুষ কিন্তু প্রস্তুতির কথা নয়, চলমান সঙ্কট কাটাতে সরকার কী করছে- সেটা জানতে চায়।

দেশে রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, কে মন্ত্রী হচ্ছেন—এসব রাজনৈতিক আলোচনা থাকলেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ এখন বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামাঞ্চলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে জনজীবন ক্রমেই দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে বাসাবাড়িতে দীর্ঘ সময় গ্যাস না থাকায় রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় তীব্র গরমের মধ্যে মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে গ্যাস সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হলেও সাধারণ মানুষের বড় একটি অংশ এখনো এর সুফল পাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে বলে জানানো হলেও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতায় সংকটের তেমন পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দেশে বিদ্যুতের বড় ধরনের সংকট নেই এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের অভিজ্ঞতায় ভিন্ন কথা বলছে। তাদের অভিযোগ, দিনের বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় পর বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ক্ষোভও তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব কল কারখানা ও শিল্প অঞ্চলেও পড়ছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যার কারনে কল কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় জনমনে যে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে, তা যেন কোনভাবেই বিস্ফোরন না ঘটে। সংকটময় এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মী ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে অনাকাঙ্ক্ষিত হামলা বা নাশকতার আশঙ্কায় নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশ প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়েছে বলে জানা যায়। যা সংকটকে আরো ভয়াবহ করে তুলতে পারে।

সরকার অবশ্য গ্যাস ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর কথা জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও বিভিন্ন সভা-সমাবেশে সংকট সমাধানে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরছেন। সাধারণ মানুষও সরকারের আশ্বাসের ওপর আস্থা রাখতে চান। তাদের প্রত্যাশা, সরকারের নেওয়া উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়িত হবে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। তবে সেই প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত, কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ নেওয়া এখন জরুরি। কারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও পারিবারিক ব্যবস্থাপনা—সবকিছুই নির্ভর করছে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহের ওপর। মনে রাখতে হবে, শুধু একটি পদক্ষেপের মাধ্যমে জ্বালানিসংকটের সমাধান করা সম্ভব নয়। এসব উদ্যোগকে একটি সমন্বিত ও সম্মিলিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে দৃশ্যমান স্বস্তি বা ‘ভিজিবল রিলিফ’ পাওয়া সম্ভব হবে না।

এ পরিস্থিতিতে সরকারের প্রথম কাজ হওয়া উচিত সংকটের প্রকৃত কারণ জনগণের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা। কোন বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানির অভাবে বন্ধ, কোনটি অর্থের অভাবে উৎপাদন কমাচ্ছে, কোথায় গ্যাস সরবরাহের ঘাটতি এবং কোন কেন্দ্র চালাতে কত ব্যয় হচ্ছে এসব তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা দরকার। জরুরি ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো, জ্বালানি আমদানির অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং অপেক্ষাকৃত কম ব্যয়ের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সর্বোচ্চ সক্ষমতায় চালানোর উদ্যোগ নিতে হবে। আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার ঝুঁকি কমিয়ে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং জ্বালানি দক্ষতার ওপর গুরুত্ব বৃদ্ধি করতে হবে। বিদ্যুৎ খাতকে শুধু নতুন কেন্দ্র নির্মাণের দৃষ্টিতে দেখলে চলবে না। বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা কত, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রয়োজনের সময়ে কতটা বিদ্যুৎ নির্ভরযোগ্যভাবে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ করা যাচ্ছে। বর্তমান সংকট সেই মৌলিক শিক্ষা আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে। অতিরিক্ত সক্ষমতা গর্ব নয়, বাস্তব উৎপাদন ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত বিদ্যুৎ নীতির প্রধান লক্ষ্য। আজকের লোডশেডিং তাই সাময়িক সংকট হিসেবে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই; এটি বিদ্যুৎ খাতের নীতি ও ব্যবস্থাপনা নতুন করে পর্যালোচনার একটি জরুরি সংকেত। সরকারের কাছে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার অনুরোধ জানাই। লোড শেডিং সমস্যার সমাধান জরুরী হয়ে পড়েছে।

মনে রাখতে হবে, সরকার যতই পরিকল্পনা গ্রহন করুক না কেন সেই সব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে সময় লাগবে, আর ততদিনে চলমান সংকট আরও গভীর ক্ষতি করে ফেলতে পারে। তাই তাৎক্ষণিক সমাধানের কোনো জাদুকাঠি সরকারের হাতে নেই বলেই বিভিন্ন সূত্র থেকে আচ করা যাচ্ছে। এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি হলো, একটিমাত্র উৎস বা একটিমাত্র টার্মিনালের ওপর নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এসে বহুমুখী উৎসের সুযোগ ও সম্ভাবনা হাতে রাখা। জ্বালানি নিরাপত্তা মানেই কেবল পর্যাপ্ত সরবরাহ নয়, বরং সেই সরবরাহের উৎস কতটা বৈচিত্র্যময় ও স্থিতিস্থাপক, তার ওপরও নির্ভর করে। একটি টার্মিনালে ত্রুটি দেখা দিলে যেন গোটা জাতীয় গ্রিড অচল হয়ে না পড়ে, সেই ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা এখনই গড়ে তোলা প্রয়োজন। জ্বালানি খাতের এই ভঙ্গুরতা কাটিয়ে উঠতে না পারলে, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা কেবল থমকেই যাবে না, বরং তা পিছিয়েও যেতে পারে বহু বছর। সময় এসেছে এই সংকটকে জাতীয় অগ্রাধিকারের তালিকায় সবার ওপরে রেখে, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়ার। একই সাথে ‎বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে একদিকে লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কায় নিরাপত্তা চেয়েছে বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Previous Post

শিক্ষক-কর্মচারী অবসর ও কল্যাণ ভাতার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

Next Post

রাতেই ৭ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা : ৩ নম্বর সতর্কতা

Next Post
রাতেই ৭ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা : ৩ নম্বর সতর্কতা

রাতেই ৭ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা : ৩ নম্বর সতর্কতা

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল : ruposhibd71@gmail.com

info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), 

Publisher and Editor

Gautam Kumar Edbor
www.ruposhibangla.com
www. asomoy.com

FB Page:ruposhibangla71

Youtube :Ruposhibangla71

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.