• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

ইতিহাস নির্মানের গণ-অভ্যুত্থান দিবস ৫ আগস্ট

admin by admin
July 29, 2026
in Uncategorized
0
রেলের অন্দর মহলে কি চলছে?

RelatedPosts

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন ৪ সদস্যের সাক্ষাৎ

বেগম খালেদা জিয়ার জীবনাবসান ঘটেছে, কিন্তু পরাজয় বরণ করেননি: রিজভী

ইতিহাস নির্মানের গণ-অভ্যুত্থান দিবস ৫ আগস্ট

।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।
০১. ইতিহাস বদলে দিয়ে ইতিহাস নির্মানের গণ-অভ্যুত্থান দিবস ৫ আগস্ট। গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪সালের এইদিনে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন সরকার প্রধান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ছাত্র, শ্রমিক ও জনতার সম্মিলিত আন্দোলনে শাসকের মোড়কে জড়িয়ে থাকা এক স্বৈারাচারের পতন হয়। দীর্ঘ শাসনে সবাইকে খেপিয়ে তুলেছিলেন শেখ হাসিনা। তাঁর সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে দুর্নীতি, অর্থ পাচার, ও অর্থনীতির মন্দা পরিস্থিতিতে মানুষের মধ্যে প্রচন্ড ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। আর রাজনৈতিক দিক থেকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪–দলীয় জোটের বাইরে অন্য সব দল সরকারবিরোধী অবস্থান গ্রহন করে। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানা কয়েক সপ্তাহের ছাত্র ও জনতার বিক্ষোভ, রক্তক্ষয় এবং দেশজুড়ে অশান্তির পর ক্ষমতা ত্যাগ এবং দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়। তার পতনের মধ্য দিয়ে মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্ষমতার মসনদে চেপে বসা ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে।

ছাত্র-জনতা-মেহনতি মানুষের অভ্যুত্থানের মুখে ফলে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এ বছর দুইবছর পূর্ণ হচ্ছে। হাজারো প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশে দীর্ঘ প্রায় দেড় দশকের স্বৈরাচারী-ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান হয় এই দিন। ওইদিন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যেতে বাধ্য হন প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঐতিহাসিক এই পট পরিবর্তনের দগদগে স্মৃতি এখনো তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশের মানুষকে।

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসলেও পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ বাস্তবে কার্যত একটি নির্বাচনের ছদ্মাবরনে ‘একনায়কতান্ত্রিক’ সরকারে পরিণত হয়েছিল। ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশে বাস্তবিক অর্থে আর কোন সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। এই সময়ে অনুষ্ঠিত তিনটি জাতীয় নির্বাচনের দুইটি হয়েছে অনেকটা একতরফা নির্বাচন। ২০১৮ সালের নির্বাচনের সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহন করলেও নির্বাচনের আগের রাতে প্রশাসন ও সরকারী দলের কর্মীবাহিনী ভোট কেটে নির্বাচনের আকাঙ্খাকে কবর দিয়েছিল। আর ২০২৪ সালের নির্বাচনটি হয়েছে একেবারেই আমি-তুমি-ডামি নির্বাচন। জনগনের ভোটারধিকারের কফিনে শেষ পেরেক মারা হয়েছিল। ফ্যাসীবাদের সময়টাতে মানুষ আসলে ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি বেছে নেয়ার বা মতামত জানানোর কোন অধিকার পায়নি। দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবি অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ”আওয়ামী লীগ যেটা করেছে, জোরজবরদস্তি করে একটা কতৃত্ববাদী সরকার প্রতিষ্ঠা করলো। জনগণের কোন রায় তারা নেয়নি। ফলে জনগণের সমর্থনও ছিল না তাদের পেছনে। প্রশাসনকে ব্যবহার করে জবরদস্তি করে ভুয়া নির্বাচন করে তারা ক্ষমতায় ছিল।”

০২. ১৬ বছরে স্বৈরাচারী শাসনামলে আওয়ামী সরকার শুধু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষই নয়, বিরোধী গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিরুদ্ধ মত দমন করেছে কঠোর হাতে। বিরোধী গণমাধ্যম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, দখল নেয়া হয়েছে অথবা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা হয়েছে। বাংলাদেশে বহু বছর ধরে সামাজিক মাধ্যমেও শেখ হাসিনা বা শেখ মুজিব বিরোধী বক্তব্য পোস্ট করার জের ধরে মামলা হয়েছে, গ্রেফতার করা হয়েছে। এই দমনের জন্য ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের মতো আইন করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন, শেখ হাসিনার সরকার ও পুলিশ বাহিনী মিলে পুরো দেশকে একটা ‘মাফিয়া স্টেটে’ পরিনত করেছিল। আর এসবের জন্য সবসময়েই সরকারি প্রশাসন যন্ত্র, পুলিশ, র‍্যাব ও গোয়েন্দা বাহিনী এমনকি বিচার বিভাগকে ব্যবহার করা হয়েছে।

২০২৪-এর ১ আগষ্ট থেকে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন পর্যন্ত দেশবাসীরমত আমার মত কোটি মানুষকে থাকতে হয়েছিল দম বন্ধ করা পরিস্থিতির মাঝে। নিজে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসাবে সরকারী বাহিনী ও সরকারী দলের সমর্থকদের হুমকির মুখে ছিলাম, ঠিক তেমনই একজন পিতা হিসাবেও সর্বক্ষন এক আতঙ্কের মাঝে প্রতিটি সময় পার করতে হয়েছে। জেষ্ট্য পুত্র মাহিন ও একমাত্র কণ্যা মাহিমা দুইজনই ছাত্র অভ্যুত্থানের সমর্থক হিসাবে মাঠে অবস্থান করছিল। তাদের সহকর্মী রাহুল, প্রিয়তাকে সাথে নিয়ে বন্ধুদের একটা গ্রুপ প্রতিনিয়ত রাজপথের আন্দোলনে সোচ্চার ছিল। রামপুরা থেকে বনশ্রীতে তখন চলছিল সরকারী বাহিনী ও সরকারী দলের সন্ত্রাসীদের গুলি বর্ষন। নির্বিচারে হামলা, ফলে আহত হচ্ছে আমার সন্তানের মত অন্যান্য সন্তানরাও। সে এক শাসরুদ্ধকর অবস্থা। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসাবে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে যোগাযোগ, সংবাদ কর্মীদের সাথে কথা বলা এরই মাঝে অন্য বাবা মার মত করে নিজ সন্তানদের জন্য চিন্তা করা। তখন পরিস্থিতিটা এমই ছিল নিজের সন্তানদেরও আন্দোলনে যেতে বাধাঁ দেয়ার মত নৈতিক অবস্থান ছিল না কোন বাবা-মারই। মাহিন-মাহিমার প্রশ্ন ছিল বাবা আমার ভাই-বোন, সহযোদ্ধারা মাঠে আমরা তো ঘরে থাকতে পারি না। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসাবে আমার সন্তানদের আন্দোলনের মাঠে যেতে বাধা দেবার ক্ষমতা ছিল না। যদিও আন্দোলন পরবর্তী বিজয়ের পর জুলাই-আগস্ট চেতনাকে নিয়ে কোন ব্যবসা বা সুবিধা নেবার প্রয়োজন তারা বোধ করে নাই। এটাই আমার সন্তুষ্টি।

৪ আগস্ট গভীর রাতে কথা হচ্ছিল বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানির সাথে। তিনি অনেকটা নিশ্চিভাবেই বললেন সরকারের পতন অসম্ভাবি। এই ফ্যাসীবাদী সরকার তার ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে পারবে না। তিনি করাবন্দি এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, সিনিয়র সহকারী সদস্য সচিব এবিএম খালিদ হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান এডভোকে সৈয়দ এহসানুল হুদা-সহ বিরোধী দলের নেতাদের খোজ খবর নেন। ৫ আগস্ট সকালেও সরকারের পেটোয়া বাহিনী আন্দোলনকারীদের উপর গুলি বর্ষন ও হামলা অব্যাহত রাখে। এসময় খবর আসে আমার ছেলে ছড়রা গুলিতে আহত। খুব চিন্তিত হয়ে যখন চোখ দিয়ে অশ্রু বের হচ্ছে ঠিন তখনই খবর আসে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করছেন। আন্দোলনকারীদের সাথে সাধারণ মানুষের ঢেউয়ে রাজপথ যেন জনতার স্রোতে পরিনত হয়। সবার চোখে মুখে সে কি আনন্দ। আমার চোখের অশ্রু তখন আনন্দ নাকি বেদনার বুঝতে কষ্ট হচ্ছিল। হঠাৎ ছেলের কল মোবালে। “বাবা আমরা বিজয়ী হয়েছি” ফ্যাসীবাদী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করছে, পালিয়ে যাচ্ছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলি এবং আওয়ামী লীগের দলীয় সন্ত্রাসীদের হামলা ও গুলিতে শহিদ হয়েছেন আবু সাঈদ মুগ্ধ ওয়াসিমসহ বহু শিক্ষার্থী এবং নানা পেশার প্রায় হাজারেরও বেশি মানুষ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের তান্ডবে চোখের আলো নিভে গেছে ৪০০ জনের। মারাত্মক জখম ও আহত হয়েছেন ২৩ সহস্রাধিক মানুষ। পুঙ্গুত্ববরণ করতে হয়েছে অনেককেই। এখনো শরীরে বুলেটের ক্ষত নিয়ে হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন হাজারো মানুষ। এত ত্যাগের বিনিময়েই বিজয় এনে দিয়েছে আমাদের সন্তানরা।

স্বৈারাচারের পতনের মধ্য দিয়ে ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরী হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে চলতি বছর ১২ ফেব্রুয়ারি একটি জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগনর নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে। যদিও এই নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর একটি অংশ নানা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়েছে এবং এখনো দিয়ে যাচ্ছে। তারা হয়তো এটা উপলব্ধি করতে পাছে না, এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করলে তাদের আন্দোলন ও অর্জন সবই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েে যায়। দীর্ঘদিনের একদলীয় ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের কাজের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। এই পরিবর্তনের ফলে দেশের প্রাপ্তির খাতায় যুক্ত হয়েছে বাকস্বাধীনতা, ভয়ের সংস্কৃতি থেকে মুক্তি এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কারের এক নতুন সুযোগ।

০৩. ইতিহাসে লেখা হলো, ৫ আগস্ট ২০২৪, শেখ হাসিনার পতন। সাথে একটি নতুন বাংলাদেশের সূচনা। অনেকের জন্য এটা ছিল নতুন আশা, নতুন শুরু আর পুনর্গঠনের সুযোগ। তবে দিনটি একই সাথে অন্য কিছুরও সূচনা করেছিল – বিশৃঙ্খলা। প্রতিটি সূচনার সাথে সাথে তার নিজস্ব একটি ঝড় আসে। অভ্যুত্থানে ছাত্র জনতার জয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে গেলেও হাসিনা ও তার পরিবার পিছিয়ে থাকতে রাজি হননি। পুরো শেখ পরিবার দেশ ছাড়লেও বারবার হয়েছেন সংবাদের শিরোনাম। এখনো মাঝে মাঝেই শিরোনাম হয়ে থাকেন। দেশের বাইরে থেকেও তৈরি করার চেষ্টা করছেন বিশৃঙ্খলার ঘূর্ণিঝড়। রহস্যময় ফোন কল, উদ্ভট অভিযোগ, রাজনৈতিক নাটকীয়তা এবং ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের মরিয়া চেষ্টা! কি ছিল না গত দুই বছরে ?

একসময় শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানও জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন। আর সেখানে তিনি পৌঁছেছিলেন ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই। ইতিহাসে এ রকম দৃষ্টান্ত বিরল; কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে এমন পরিবর্তন হলো, যেটা অনেকেই ভাবতে পারেননি। শেখ মুজিবুর রহমানের জনপ্রিয়তারএকবারেই শুণ্যের কোটায় চলে আসে। ঠিক একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো পাঁচ দশক পরে—২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। মোসাহেব ও মৌ-লোভীদের দ্বারা ঘেরা শেখ হাসিনা ভেবেছিলেন দিন এভাবেই যাবে; কিন্তু মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ কী ঘটিয়ে দিতে পারে, সেটা সম্ভবত ২৪ ঘণ্টা আগেও তিনি অনুধাবন করতে পারেন নাই।

শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ থেকে গণঅভ্যুত্থানে জুলাই মাসজুড়ে আন্দোলন ধীরে ধীরে তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে। রাজপথ স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে। আমাদের সন্তানদের মুখে ছিল- ‘জাস্টিস জাস্টিস উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘বুকের ভেতর অনেক ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর’, ‘আমার খায় আমার পরে আমার বুকে গুলি করে’, ‘তোর কোটা তুই নে, আমার ভাইকে ফিরিয়ে দে’, ‘লাশের ভেতর জীবন দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’, ‘চেয়ে দেখ এই চোখের আগুন, এই ফাল্গুনেই হবে দ্বিগুণ’, ‘আমি কে, তুমি কে, রাজাকার, রাজাকার, কে বলেছে, কে বলেছে, স্বৈরাচার স্বৈরাচার’। অবশেষে ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে প্রবল জনরোষের মুখে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে সামরিক বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে ভারতের দিল্লিতে পালিয়ে যান । তার পতনের দিন ঢাকাসহ সারাদেশে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে আসে এবং আনন্দ প্রকাশ করে। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে গেছেন। আওয়ামী লীগের নেতাদেরই কেউ কেউ মনে করছেন, শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে নিজের এত দিনের রাজনৈতিক অর্জন ধ্বংস করলেন। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দেওয়া দল আওয়ামী লীগের অস্তিত্বকেও হুমকিতে ফেলেছেন। ৫ আগস্ট এটাই প্রমাণ করেছে যে কোনো স্বৈরাচারী শাসনই শেষ পর্যন্ত জনগণের ইচ্ছার কাছে পরাজিত হয়, হতে বাধ্য হয়। কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন রূপ নেয় একটি পূর্ণাঙ্গ গণঅভ্যুত্থানে, যা দীর্ঘদিনের একটি স্বৈরশাসনের অবসান ঘটায়। যদিও আন্দোলনের পথ রক্তাক্ত ছিল, তবুও এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চেতনাকে নতুন করে জাগ্রত করেছে।

জুলাই-আগষ্ট গণ-অভ্যুত্থান ছিল দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, গুম, খুন, অপহরণ, ভোটাধিকার হরণসহ সব ধরনের অত্যাচার, নিপীড়নের বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম ও আপামর জনতার ক্ষোভের বিস্ফোরণ। এই বৈষম্যমূলক ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ করে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ক্ষমতায়ন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সুনিশ্চিত করাই ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য। একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন করে জুলাই-আগষ্টের চেতনার পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন অবশ্যই করতে হবে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা যদি ছিনতাই হয়ে যায় তাহলে আবারো দেশে স্বৈরাচার ও ফ্যাসীবাদের জন্ম হবার আশংকা রয়েছে। এই চেতনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে গণ-অভ্যুত্থানের আশাআকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে, প্রকৃত গণতান্ত্রিক উত্তরণের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে একটি ন্যায় ও সমতাভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ-আজকের এই দিনে এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর নিকট।

Previous Post

রেলের অন্দর মহলে কি চলছে?

Next Post

গ্যাস সংকট স্বাভাবিক করতে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করুন: সরকারকে বাংলাদেশ ন্যাপ

Next Post
গ্যাস সংকট স্বাভাবিক করতে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করুন: সরকারকে বাংলাদেশ ন্যাপ

গ্যাস সংকট স্বাভাবিক করতে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহন করুন: সরকারকে বাংলাদেশ ন্যাপ

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল : ruposhibd71@gmail.com

info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), 

Publisher and Editor

Gautam Kumar Edbor
www.ruposhibangla.com
www. asomoy.com

FB Page:ruposhibangla71

Youtube :Ruposhibangla71

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.