• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

জিলহজের প্রথম দশকের ১০ আমল

admin by admin
May 18, 2026
in অন্যান্য
0
জিলহজের প্রথম দশকের ১০ আমল

RelatedPosts

সামাজিক অবক্ষয়: বিপন্ন শিশু ও নারীদের নিরাপত্তা : লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

সাম্য ও মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলাম : লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

কবি নজরুল বাংলার শ্রেষ্ঠ সম্পদ : বাংলাদেশ ন্যাপ


রুপসীবাংলা৭১ অন্যান্য ডেস্ক : জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ সময়। এই দিনগুলো এমন এক মহামূল্যবান সুযোগ, যখন বান্দার নেক আমল আল্লাহ তাআলার নিকট সবচেয়ে প্রিয় হয়ে ওঠে।

একজন মুমিনের জন্য এ দশক শুধু ক্যালেন্ডারের কিছু দিন নয়; বরং এটি আত্মশুদ্ধি, ইবাদত, তাওবা, তাকওয়া ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক সুবর্ণ মৌসুম। নামাজ, রোজা, হজ, তাকবির, কোরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ও কোরবানির মতো মহান আমলের মাধ্যমে এ সময়কে সমৃদ্ধ করা মুমিনের ঈমানি দায়িত্ব। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ যেদিন আসমান জমিন সৃষ্টি করেছেন সেদিন থেকেই মাসসমূহের গণনা আল্লাহ তাআলার নিকট তাঁর বিধান অনুযায়ী বারটি। তার মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত।’ (সুরা : তাওবা, আয়াত : ৩৬)

হাদিসে মহানবী (সা.) বলেন, ‘নিশ্চয় সময়ের হিসাব যথাস্থানে ফিরে এসেছে, আসমান-জমিনের সৃষ্টির সময় যেমন ছিল (কারণ, আরবরা মাস-বছরের হিসাব কম-বেশি ও আগপিছ করে ফেলেছিল); বারো মাসে এক বছর। এর মধ্য থেকে চারটি মাস সম্মানিত। তিনটি মাস ধারাবাহিক—জিলকদ, জিলহজ, মুহাররম। আরেকটি হলো রজব, যা জুমাদাল আখিরাহ ও শাবানের মধ্যবর্তী মাস।
’ (সহিহ বুখারি, হাদিস নং : ৪৬৬২)

এই চার মাসের মধ্যে জিলহজ মাসের ফজিলত সবচেয়ে বেশি। কারণ, এ মাসেই পালন করা হয় ইসলামের অন্যতম প্রধান ইবাদত হজ এবং আদায় করা হয় কোরবানির মত মহান আমল। তাই এ মাসের মধ্যে প্রথম দশক হল ইবাদতের মৌসম। এ দশক এতটাই মহিমান্বিত যে, আল্লাহ তাআলা এ দশ রাতের কসম করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘শপথ ফজরের, শপথ দশ রাত্রির।
’ (সুরা : ফাজর, আয়াত : ১-২)

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. ও মুজাহিদ রাহ.-সহ অনেক সাহাবী, তাবেঈ ও মুফাসসির বলেন, এখানে ‘দশ রাত’ বলে জিলহজ্বের প্রথম দশ রাতকে বুঝানো হয়েছে। (তাফসিরে ইবনে কাসির, খণ্ড : ৪, পৃষ্ঠা-৫৩৫)

নিম্নে পবিত্র এ মাসের গুরুত্বপূর্ণ ১০টি আমলের বিবরণ তুলে ধরা হলো-

১. বেশি বেশি জিকির ও তাসবিহ পাঠ করা : জিকির ও তাসবিহ আল্লাহ তাআলার কাছে অনেক প্রিয় আমল। এ দশকের আমল হিসেবে বিশেষভাবে জিকিরের কথা এসেছে। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তাআলার নিকট জিলহজের প্রথম দশকের আমলের চেয়ে অধিক মহৎ এবং অধিক প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং তোমরা এই দিনগুলোতে বেশি বেশি লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার এবং আলহামদু লিল্লাহ পড়।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ৫৪৪৬)

২. জিলহজ শুরু হলে নখ-চুল না কাটা : ইহরাম বাঁধার পর হাজিদের জন্য নখ-চুল কাটাসহ আরও কিছু বিষয় নিষেধ। কিন্তু যারা হজে যাননি তাদের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে জিলহজের প্রথম দশকে নখ-চুল না কাটার মাধ্যমে অন্যরাও সাদৃশ্য অবলম্বন করতে পারে। হাদিসে বিশেষ মর্যাদার কথা বর্ণিত হয়েছে। উম্মে সালামা রা. থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যখন জিলহজের প্রথম দশক শুরু হবে তখন তোমাদের মধ্যে যে কুরবানি করবে সে যেন তার চুল নখ না কাটে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৯৭৭)

অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘আমাকে কোরবানির দিন ঈদ (পালনের) আদেশ করা হয়েছে, যা আল্লাহ এ উম্মতের জন্য নির্ধারিত করেছেন। তখন এক সাহাবি আরজ করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! যদি আমার কাছে শুধু একটি মানিহা থাকে (অর্থাৎ যা শুধু দুধপানের জন্য কাউকে দেওয়া হয়েছে) আমি কি তা কোরবানি করব? মহানবী (সা.) বললেন, না, তবে তুমি (জিলহজের প্রথম দশক শুরু হওয়ার পর চুল-নখ ইত্যাদি না কেটে কোরবানির দিন) চুল, নখ ও মোঁচ কাটবে এবং নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করবে। এটাই আল্লাহর দরবারে তোমার পূর্ণ কুরবানী বলে গণ্য হবে।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২৭৮৯)

৩. জিলহজের প্রথম নয় দিন রোজা রাখা : ফোকাহায়ে কেরাম জিলহজের প্রথম নয় দিন রোজা রাখা উত্তম বলেছেন। কারও পক্ষে সম্ভব হলে সে পুরো নয় দিনই রোজা রাখবে। কারণ, জিলহজের পুরো দশকের আমলই আল্লাহর কাছে প্রিয়। এ দশককে আমলে প্রাণবন্ত রাখার জন্য রোজার বিকল্প কোনো আমল নেই। কারণ, রোজা আল্লাহর কাছে অত্যধিক প্রিয় আমল। তাই যাদের পক্ষে সম্ভব জিলহজের প্রথম দশক তথা নয় জিলহজ পর্যন্ত রোজা রাখতে রাখা। হাদিস এসেছে, ‘মহানবী (সা.) জিলহজের নয় দিন রোজা রাখতেন।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ২৪৩৭)

৪. বিশেষভাবে নয় জিলহজ রোজা রাখা : কারো পক্ষে যদি পুরো নয় দিনই রোজা রাখা সম্ভব না হয়, তাহলে সে নয় জিলহজ রোজা রাখবে। মহানবী (সা.) বলেন, ‘আরাফার দিনের (নয় জিলহজের) রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করি যে, (এর দ্বারা) আগের এক বছরের এবং পরের এক বছরের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৬২)

৫. জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা : হাদিসে ইরশাদ হয়েছে মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘আরাফার দিনের মত আর কোনো দিন এত অধিক পরিমাণে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয় না। আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার নিকটবতীর্ হন এবং বান্দাদের নিয়ে ফিরিশতাদের সাথে গর্ব করেন। আল্লাহ বলেন, কী চায় তারা? (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৩৪৮)

৬. দোয়া করা : আরাফার দিন জিলহজের প্রথম দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিনে দোয়ার গুরুত্ব অনেক বেশি। মহানবী (সা.) বলেন, ‘শ্রেষ্ঠ দোয়া হলো আরাফার দোয়া। এ দিনের দোয়া হিসেবে সর্বোত্তম হল ঐ দোয়া, যা আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবীরা করেছেন।’ তা হলো-

لَا إِلَهَ إِلّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

(জামে তিরমিজি, হাদিস নং : ৩৫৮৫)

৭. হজ ও ওমরাহ সম্পাদন করা : হজ ও ওমরাহ এ দুটি হলো এ দশকের সর্বশ্রেষ্ঠ আমল। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘এক ওমরাহ থেকে আরেক ওমরাহ মধ্যবর্তী গুনাহের কাফফারাস্বরূপ আর কবুল হজের প্রতিদান কেবলই জান্নাত।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৭৭৩, মুসলিম, হাদিস : ৩৩৫৫)

৮. তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা : জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ফজরের নামাজ থেকে নিয়ে ১৩ তারিখের আসরের নামাজ পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব। নারী-পুরুষ সবার জন্য ফরজ নামাজের পর তাকবিরে তাশরিক পাঠ করা কর্তব্য। (ফাতাওয়ায়ে শামি)

এ তাকবির একবার করে পাঠ করবে। তাকবিরে তাশরিক হলো, ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।’

৯. পশু কোরবানি করা : এ দিনগুলোর দশম দিন প্রত্যেক সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব।

১০. ঈদুল আজহার নামাজ পড়া : ঈদুল আজহার নামাজ প্রত্যেক সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন পুরুষের ওপর ওয়াজিব। সূর্যোদয়ের ২০-৩০ মিনিট পর থেকে দ্বিপ্রহরের পূর্ব পর্যন্ত ঈদের নামাজ পড়া যায়। নবীজি (সা.) ঈদুল আজহার নামাজ সাধারণত সূর্যোদয়ের আধাঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে আদায় করতেন। ঈদুল আজহার নামাজ একটু তাড়াতাড়ি পড়াই উত্তম। তবে প্রয়োজনে কিছুটা বিলম্ব করাও নিষিদ্ধ নয়।

জিলহজের প্রথম দশক একজন মুমিনের জীবনে আখিরাতমুখী পরিবর্তনের এক অনন্য সুযোগ। এই দিনগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জীবনের প্রকৃত সফলতা দুনিয়ার ভোগ-বিলাসে নয়; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে। তাই এ বরকতময় সময়কে অবহেলায় নষ্ট না করে বেশি বেশি ইবাদত, জিকির, তাওবা ও নেক আমলে নিজেকে ব্যস্ত রাখা উচিত। হতে পারে, এই দশকের কোনো একটি ইখলাসপূর্ণ আমলই আমাদের নাজাতের কারণ হয়ে যাবে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে জিলহজের প্রথম দশকের মর্যাদা অনুধাবন করে সর্বোত্তমভাবে আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
রুপসীবাংলা৭১/এআর

Previous Post

চট্টগ্রামে ৭ দিন ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধের নির্দেশ

Next Post

আর্জেন্টিনার গ্রুপসঙ্গী হয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে অস্ট্রিয়া, দল ঘোষণা

Next Post
আর্জেন্টিনার গ্রুপসঙ্গী হয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে অস্ট্রিয়া, দল ঘোষণা

আর্জেন্টিনার গ্রুপসঙ্গী হয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে অস্ট্রিয়া, দল ঘোষণা

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল :  info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নিবাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- বাপ্পী এদবর

 

 

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.