• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট কৃষিবান্ধব ও উৎপাদনমুখী হওয়া প্রয়োজন

admin by admin
May 18, 2026
in অন্যান্য
0
২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট কৃষিবান্ধব ও উৎপাদনমুখী হওয়া প্রয়োজন

RelatedPosts

সামাজিক অবক্ষয়: বিপন্ন শিশু ও নারীদের নিরাপত্তা : লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

সাম্য ও মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলাম : লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

কবি নজরুল বাংলার শ্রেষ্ঠ সম্পদ : বাংলাদেশ ন্যাপ

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। শিল্পায়ন, নগরায়ণ ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় দেশের অর্থনীতিতে নতুন নতুন খাতের বিকাশ ঘটলেও কৃষির গুরুত্ব এতটুকুও কমেনি। বরং খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচন, রপ্তানি আয় এবং গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণচাঞ্চল্য ধরে রাখতে কৃষিই এখনো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচিত। দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত। তাই জাতীয় বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে কৃষিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া সময়ের দাবি।

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট এমন হওয়া প্রয়োজন, যা হবে কৃষিবান্ধব, উৎপাদনমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর এবং কৃষকের স্বার্থরক্ষায় কার্যকর। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, কৃষি উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি এবং খাদ্য আমদানিনির্ভরতা বিবেচনায় নিয়ে এমন একটি বাজেট প্রণয়ন করতে হবে, যা দেশের কৃষিকে আরও টেকসই ও লাভজনক করে তুলবে।

বর্তমান বিশ্বে খাদ্য নিরাপত্তা একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আন্তর্জাতিক খাদ্যবাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলো খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে চরম চাপের মুখে পড়ছে। বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। চাল, গম, ভোজ্যতেল, ডালসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বাস্তবতায় দেশের নিজস্ব কৃষি উৎপাদন বাড়ানো ছাড়া বিকল্প নেই। আর এজন্য প্রয়োজন কৃষিবান্ধব বাজেট।
কৃষক আজ নানা সংকটের মধ্য দিয়ে কৃষিকাজ পরিচালনা করছেন। সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ, বিদ্যুৎ, ডিজেল, শ্রমিক মজুরি সবকিছুর খরচ বেড়ে গেছে। কিন্তু কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য সবসময় পান না। মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন এবং ভোক্তাও বাড়তি দামে পণ্য কিনতে বাধ্য হন। ফলে কৃষক যেমন নিরুৎসাহিত হচ্ছেন, তেমনি কৃষি উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তাই বাজেটে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর উদ্যোগ থাকতে হবে।

কৃষি উপকরণে ভর্তুকি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। বিশেষ করে সার, ডিজেল ও বিদ্যুতের ওপর সরকারি সহায়তা বাড়ানো জরুরি। কৃষক যেন সহজে এবং কম খরচে কৃষি উপকরণ পেতে পারেন, সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে। অনেক সময় বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কৃষকদের ভোগান্তিতে ফেলা হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি রোধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। বাজেটে কৃষি উপকরণ সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করার উদ্যোগ থাকতে হবে।

কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। উন্নত বিশ্বের কৃষি ব্যবস্থায় যান্ত্রিকীকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন পদ্ধতির কারণে উৎপাদনশীলতা অনেক বেশি। বাংলাদেশেও কৃষিযন্ত্রের ব্যবহার বাড়ছে, তবে তা এখনো প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। কৃষিযন্ত্র কেনার ক্ষেত্রে সহজ ঋণ, ভর্তুকি এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলার, রিপার, হারভেস্টার, ড্রোন প্রযুক্তি, স্মার্ট সেচব্যবস্থা ইত্যাদি কৃষকের নাগালের মধ্যে আনতে হবে। এতে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং কৃষিকাজ আরও লাভজনক হবে।

কৃষিঋণ সহজ ও সুদমুক্ত অথবা স্বল্পসুদে প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে অনেক কৃষক ব্যাংক ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা জটিলতার মুখোমুখি হন। ফলে তারা এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নিতে বাধ্য হন। এতে কৃষকের আর্থিক সংকট আরও বাড়ে। বাজেটে প্রান্তিক কৃষকদের জন্য বিশেষ কৃষিঋণ কর্মসূচি চালু করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষিঋণ বিতরণ করলে দুর্নীতি কমবে এবং প্রকৃত কৃষক উপকৃত হবেন।

কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন। দেশে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয়ে যায়। পর্যাপ্ত হিমাগার, গুদাম এবং আধুনিক সংরক্ষণব্যবস্থা না থাকায় কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হন। তাই বাজেটে প্রতিটি অঞ্চলে আধুনিক হিমাগার নির্মাণ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প স্থাপন এবং কৃষিপণ্যের রপ্তানি সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ থাকতে হবে। কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে উঠলে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং দেশের রপ্তানি আয়ও বৃদ্ধি পাবে।

কৃষি গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি এখন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে। খরা, বন্যা, লবণাক্ততা, অতিবৃষ্টি ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ফসল উৎপাদনে ঝুঁকি বাড়ছে। তাই জলবায়ু সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন, উন্নত বীজ উৎপাদন এবং কৃষি গবেষণায় বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন। কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিকায়ন করতে হবে।

বাংলাদেশে কৃষিজমির পরিমাণ দিন দিন কমছে। শিল্পায়ন ও নগরায়ণের কারণে উর্বর জমি হারিয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই কৃষিজমি রক্ষায় কঠোর আইন প্রয়োগ এবং অনাবাদি জমিকে চাষের আওতায় আনার উদ্যোগ প্রয়োজন। বাজেটে এ বিষয়ে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা থাকতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতও কৃষির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং রপ্তানি আয়ে এ খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই মাছ, দুধ, ডিম ও মাংস উৎপাদনে সহায়তা বাড়াতে হবে। খামারিদের জন্য সহজ ঋণ, খাদ্য সহায়তা, টিকা প্রদান এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখতে হবে। বিশেষ করে ছোট খামারিদের টিকিয়ে রাখতে বাজেটে আলাদা প্রণোদনা থাকা প্রয়োজন।

কৃষিতে নারীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামীণ নারীরা কৃষিকাজ, গবাদিপশু পালন, বীজ সংরক্ষণ এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অথচ অনেক ক্ষেত্রে তারা প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হন। তাই নারী কৃষকদের জন্য বিশেষ ঋণ সুবিধা, প্রশিক্ষণ এবং প্রণোদনার ব্যবস্থা বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।

তরুণ প্রজন্মকে কৃষির প্রতি আগ্রহী করে তুলতেও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। বর্তমানে অনেক তরুণ কৃষিকে লাভজনক পেশা হিসেবে বিবেচনা করেন না। ফলে কৃষিতে দক্ষ জনশক্তির ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিকে লাভজনক শিল্পে রূপান্তর করা গেলে তরুণ উদ্যোক্তারা কৃষিতে এগিয়ে আসবেন। এজন্য কৃষিভিত্তিক স্টার্টআপ, অ্যাগ্রো প্রসেসিং, স্মার্ট ফার্মিং এবং কৃষি উদ্যোক্তা তৈরিতে বিশেষ তহবিল গঠন করা যেতে পারে।

কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারকে আরও সক্রিয় হতে হবে। ধান কাটার মৌসুমে কৃষক প্রায়ই কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হন। অন্যদিকে কয়েক মাস পর সেই চালই ভোক্তাদের উচ্চমূল্যে কিনতে হয়। এই বৈষম্য দূর করতে সরকারি খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করতে হবে। সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ফসল কেনার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্যের বাজার মনিটরিং আরও কার্যকর করতে হবে।
কৃষিখাতে দুর্নীতি ও অনিয়মও একটি বড় সমস্যা। অনেক সময় প্রকৃত কৃষক সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। ভর্তুকি, কৃষিঋণ কিংবা প্রণোদনা বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ডাটাবেজ ও স্মার্ট কার্ড চালু করা যেতে পারে। এতে প্রকৃত কৃষক সহজে সরকারি সুবিধা পাবেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কৃষকদের জন্য ফসল বীমা চালু করা অত্যন্ত জরুরি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রতিবছর অনেক কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েন। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা কিংবা অতিবৃষ্টির কারণে ফসল নষ্ট হলে কৃষক চরম সংকটে পড়েন। তাই বাজেটে কৃষি বীমা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং সহজ শর্তে বীমা সুবিধা চালু করা প্রয়োজন।

এছাড়া কৃষিপণ্য রপ্তানি বাড়ানোর দিকেও নজর দিতে হবে। বাংলাদেশের শাকসবজি, ফলমূল, মাছ এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু মান নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণ এবং রপ্তানি অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা সেই সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারছি না। বাজেটে রপ্তানিমুখী কৃষি উৎপাদন ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ থাকতে হবে।

একটি কৃষিবান্ধব বাজেট কেবল কৃষকের উন্নয়নই নিশ্চিত করবে না, বরং সামগ্রিক জাতীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। কৃষকের আয় বাড়লে গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হবে, দারিদ্র্য কমবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভরতা কমে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে খাদ্য উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। কিন্তু এই অর্জন ধরে রাখতে হলে কৃষিকে আরও আধুনিক, লাভজনক ও টেকসই করতে হবে। এজন্য প্রয়োজন বাস্তবমুখী পরিকল্পনা এবং কৃষকের প্রতি আন্তরিক রাজনৈতিক অঙ্গীকার। শুধু কাগুজে বাজেট নয়, বরং মাঠপর্যায়ে কার্যকর বাস্তবায়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট হতে হবে কৃষকবান্ধব, উৎপাদনমুখী এবং ভবিষ্যতমুখী। কৃষকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা, উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য কৃষিখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। কৃষি বাঁচলে দেশ বাঁচবে, কৃষক বাঁচলে অর্থনীতি বাঁচবে। তাই জাতীয় উন্নয়নের স্বার্থেই এবারের বাজেটে কৃষিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

Previous Post

নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর আতিকুল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন মূল আসামি সহ গ্রেফতার ৬

Next Post

চট্টগ্রামে ৭ দিন ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধের নির্দেশ

Next Post
চট্টগ্রামে ৭ দিন ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধের নির্দেশ

চট্টগ্রামে ৭ দিন ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধের নির্দেশ

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল :  info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নিবাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- বাপ্পী এদবর

 

 

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.