• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

দেশের স্বার্থে কাজ করব, কেউ কাউকে ব্যর্থ করতে চাইব না: প্রধানমন্ত্রী

admin by admin
April 30, 2026
in জাতীয়
0
দেশের স্বার্থে কাজ করব, কেউ কাউকে ব্যর্থ করতে চাইব না: প্রধানমন্ত্রী

RelatedPosts

প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কঠোর নির্দেশ

দখল করা ব্যাংক বেদখল হবে, এই যাতনা আমরা বুঝি: জামায়াতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিদ্যুৎ সাশ্রয় শিখতে ফ্রান্সে যেতে চান রাসিক প্রশাসক, প্রধানমন্ত্রীর ‘না’


রুপসীবাংলা৭১ প্রতিবেদক : সরকার ও বিরোধী দলের যে কেউ ব্যর্থ হলে পুরো সংসদ ব্যর্থ হবে বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ দলীয় নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, বর্তমান সংসদ হবে এমন সংসদ, যা বাংলাদেশের অতীতে কখনো হয়নি। এই সংসদে আমরা উভয়পক্ষ দেশের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করব। উভয়পক্ষ কেউ কাউকে ব্যর্থ করতে চাইব না। আমরা ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়ে যাবে। এই সংসদের কেউ আমরা শয়নে-স্বপনে ব্যর্থ বাংলাদেশ দেখতে চাই না।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাব ও ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাব কণ্ঠভোটে সংসদে গৃহীত হয়। তবে বিরোধীদল এতে ‘না’ ভোট দিয়েছে।

বর্তমান বাংলাদেশ ও সংসদ একাত্তরের মতো হাজারো শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদল ও সরকারি দলের মধ্যে অনেকগুলো বিষয়ে দ্বিমত থাকবে। আমরা ডিবেট করব; আলাপ করব, আলোচনা করব, বসব, কথা বলব। কিন্তু কোনোভাবেই এই সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। অতীতে আমরা সরকারকে ব্যর্থ করে দিতে ১৭৩ দিন হরতাল ডাকতে দেখেছি। কেউ কি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন এতে দেশের ক্ষতি হয়নি। সেই ক্ষতির মাশুল আমাদের বছরের পর বছর টেনে নিয়ে যেতে হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একমত হয়েই বলতে চাই। এই সংসদ মানেই পুরো বাংলাদেশ। এই সংসদের সফলতা মানেই ভবিষ্যতের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এ সরকারের টিকে থাকা মানে সমৃদ্ধের পথে এগিয়ে যাওয়া।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলের নেতার সঙ্গে একমত পোষণ করছি। অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করেছি। কোনো কোনো বিলের বিষয়ে একমত হয়েছি। কোনো কোনো বিলের বিষয়ে আমাদের হয়তো দ্বিমত আছে। পরিষ্কারভাবে আমার দলের অবস্থান থেকে বলতে চাই, যেসব বিষয়ে আমাদের দ্বিমত রয়েছে, আমরা বিরোধী দলের সদস্যদের সঙ্গে বসব, আলোচনা করব। দেশের স্বার্থে আমরা সমাধান বের করব। আসুন, আমরা পপুলার ডিসিশনে আলাপ করব না। আলাপ করব সঠিক সিদ্ধান্তের ব্যাপারে।

তিনি বলেন, সংসদ নেতা হিসেবে আমার দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের কাছে প্রস্তাব থাকবে আসুন, আগামী অধিবেশনে আলোচনা করব কত দ্রুত দেশের বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করতে পারি। আলাপ করতে চাই কত দ্রুত কত বেশিসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান করতে পারি। আলাপ করতে চাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে কত দ্রুত শিক্ষা ও চিকিৎসা পৌঁছে দিতে পারি।

তিনি বলেন, দেশের পরিস্থিতি যদি আমরা স্থিতিশীল রাখতে না পারি, দেশকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে না পারি, তাহলে দেশকে আমরা এগিয়ে নিতে পারব না, যদি না আমরা স্থিতিশীল সরকার বা এই সংসদকে স্থিতিশীল করতে না পারি, তাহলে আমরা কোনোভাবেই এই দেশকে সামনে নিয়ে যেতে পারব না। দেশকে সামনে নিতে হলে আমাদের উভয় পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, আইটি সেক্টর নিয়ে আমাদের মধ্যে হয়তো বিতর্ক ও দ্বিমত থাকতে পারে; কিন্তু আইটি সেক্টরের উন্নয়ন ঘটাতে হবে এটা নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই। আজ আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি, আমাদের আলোচনার বিষয় হবে এ দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন। আলোচনার বিষয়বস্তু হবে আমরা অন্য দেশের উদাহরণ দেব না বরং আমরা আমাদের দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর সব দেশে গণতন্ত্রের স্বীকৃত বিষয় হচ্ছে অ্যাগ্রি করার জন্যই ডিজঅ্যাগ্রি। আজ জুলাই সনদ নিয়ে অনেক কথা হয়েছে। সে বিতর্কে আমি যাব না। কারণ আমাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও গন্তব্যের কথা বলেছি। জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বিরোধী দল ও আমাদের লক্ষ্য এক। আমাদের উদ্দেশ্য এক। আমাদের গন্তব্য এক। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশর মানুষ, উদ্দেশ্য হচ্ছে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ আর গন্তব্য হচ্ছে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এই সংসদের দিকে সমগ্র বাংলাদেশ তাকিয়ে আছে। পৃথিবীর প্রতিটি কর্নারে যেখানে বাংলাদেশি আছেন, তারা দৃঢ় প্রত্যাশা ও আশা নিয়ে সংসদের দিকে তাকিয়ে আছেন।

তিনি বলেন, দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা ছিল মানুষ মুক্তভাবে কথা বলতে পারবে। নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে। তাদের প্রত্যাশা ছিল যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবে।

সংসদ নেতা বলেন, আমরা সরকার গঠনের পরে কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। আমরা কৃষক কার্ড দেওয়া শুরু করেছি। আমরা সব ধরনের কৃষকের কাছে পৌঁছাতে চাই।

আমরা শিক্ষাঙ্গনগুলোর অবস্থার পরিবর্তন চাই। রাজনৈতিক কারণে আমাকে বহু বছর ব্রিটেনে থাকতে হয়েছে। সেখানকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেখে মনে হয়েছে আহ! আমার দেশের স্কুলগুলো কেন এমন হতে পারে না! সেখানকার শিক্ষার্থীদের দেখে মনে হতো, আমার দেশের প্রাইমারি স্কুলের শিশুরা কবে এভাবে স্কুলে যাবে! সে বিবেচনায় আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে স্কুলব্যাগ, ড্রেস ও জুতা সরবরাহ করব।

শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার উদ্বেগের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা এখানে ওনার কনসার্ন ব্যক্ত করেছেন। আমিও এ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়েছি। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ডামাডোলের (পরিস্থিতিতে) মধ্যে শিক্ষাঙ্গনে পড়েছিলাম। দুয়েকবার সিরিয়াস অবস্থার মধ্যেও পড়ে গিয়েছিলাম। স্বাভাবিকভাবে আমি চাই আমার দেশের সন্তানরা একটি সুন্দর পরিবেশে লেখাপড়া করুক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আমরা দেখেছি বিশ্বের প্রত্যেক দেশ মধ্যপ্রাচ্যের যে ক্রাইসিস যাচ্ছে, যে যুদ্ধাবস্থা, তার কারণে প্রতিটি দেশ জ্বালানি সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। এর তাপ হয়তো বাংলাদেশেও লেগেছে। এজন্য বাংলাদেশের মানুষ কিছুদিন কষ্টও পেয়েছে। সেদিন বিরোধী দলের পক্ষ থেকে একসঙ্গে বসে সুরাহা বের করার যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে আমরা যৌথভাবে কমিটি গঠন করেছি এ ব্যাপারে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার, যাতে দেশের মানুষ স্বস্তিতে থাকতে পারে। আমার মনে হয় আমরা আজও এ সমস্যার (শিক্ষাঙ্গনের) সমাধানও উভয়পক্ষ একসঙ্গে বসে নিশ্চয়ই বের করতে সক্ষম হব।

নারী উন্নয়নে বিএনপির বিগত আমলে নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দেশে থাকাকালে দলীয় রাজনৈতিক কারণে বিভিন্ন অঞ্চল সফর করেছি। তখন মনে হয়েছে, জনসংখ্যার অর্ধেককে পেছনে ফেলে উন্নয়ন সম্ভব নয়। দেশ গঠনে যাতে নারীসমাজ ভূমিকা রাখতে পারে, সেজন্য আমরা ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করব।
রুপসীবাংলা৭১/এআর

Previous Post

আমাদের চেহারা বদলায়নি, জামায়াতই হঠাৎ বদলে গেছে : মির্জা ফখরুল

Next Post

মে দিবস উপলক্ষে জাতীয় শ্রমিকধারার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সমাবেশ

Next Post
মে দিবস উপলক্ষে জাতীয় শ্রমিকধারার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সমাবেশ

মে দিবস উপলক্ষে জাতীয় শ্রমিকধারার প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও সমাবেশ

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল :  info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নিবাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- বাপ্পী এদবর

 

 

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.