• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

বাংলা নববর্ষ : ঐহিত্য ও ইতিহাসের অংশ ।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।

admin by admin
April 9, 2026
in জাতীয়
0
বাংলা নববর্ষ : ঐহিত্য ও ইতিহাসের অংশ ।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।

RelatedPosts

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

পরিবর্তিত বাংলাদেশ “শ্রমিক থাকে নিরাপদ, মজুরি হবে ন্যায্য, মর্যাদা হবে সর্বোচ্চ” ভূমিকা

মহান মে দিবস: শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার : লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

বাংলা বছর বা বাংলা সন অথবা বঙ্গাব্দ, যে নামেই ডাকা হোক না কেন বাংলা নববর্ষ হচ্ছে আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অহংকার। এই বাংলা সনের প্রবর্তক হলেন মুঘল সামাজ্যের তৃতীয় সম্রাট মির্জা জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ আকবর। সম্রাট কর্তৃক রাজ্যের খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্যই ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে (মতান্তরে ১৫৫৬) সম্রাট আকবর হিজরি ও সৌর সনের সমন্বয়ে এই নতুন বর্ষপঞ্জি চালু করেছিলেন, যা প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল। জ্যোতির্বিদ আমীর ফতুল্লাহ শিরাজী এটি তৈরি করেন এবং আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (১৫৫৬ সাল বা ৯৬৩ হিজরি) থেকে এর গণনা শুরু হয়েছিল।

মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর সিংহাসনে আরোহণ করেন, যা হিজরি ৯৬৩ সাল। কৃষকদের কাছ থেকে ফসল কাটার পর কর আদায়ের সুবিধার্থে তিনি এই নতুন সন চালু করেন। সম্রাট আকবর কর্তৃক নিযুক্ত জ্যোতির্বিদ ও বিজ্ঞানী আমির ফতুল্লাহ শিরাজী হিজরি চান্দ্র বর্ষ এবং ভারতীয় সৌর বর্ষপঞ্জির সমন্বয় করে “তারিখ-এ-এলাহি” বা ফসলি সন তৈরি করেন। ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দে এই সন প্রবর্তন করা হলেও, এটি সম্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহণের বছর (১৫৫৬ খ্রিষ্টাব্দ বা ৯৬৩ হিজরি) থেকে কার্যকর করা হয়। ফলে শুরুর বছর থেকেই বাংলা সন ৯৬৩ বছর এগিয়ে থাকে। সম্রাট আকবরের সময়কাল থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন শুরু হয়। বৈশাখ মাসকে বছরের প্রথম মাস ধরা হয় কারণ ৯৬৩ হিজরি বছরের মহরম মাস বৈশাখ মাসের সাথে মিলেছিল। সময়ের সাথে সাথে এই “ফসলি সন” বাংলার সংস্কৃতি ও কৃষির সাথে মিশে “বঙ্গাব্দ” বা বাংলা সন নামে পরিচিতি পায়। ১৫৫৬ সালে সম্রাট আকবরের সিংহাসনে আরোহণের বছরটিকে ভিত্তি ধরে, তার শাসনামলে (১৫৮৪ সালের দিকে) কৃষি কর আদায়ের জন্য হিজরি ও সৌর সনের সংমিশ্রণে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়, যা এখন পহেলা বৈশাখ হিসেবে বাঙালির প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে।

আজকের বাংলা তারিখটা যেন কত? প্রশ্নটা প্রায় সকল বাঙ্গালিকেই নাকানিচুবানি খাওয়ায়। বুশের ইরাক আক্রমণ, ইরাক ইরান যুদ্ধসহ নানা তথ্য জিভের ডগায়। প্লেটোর পলায়ন থেকে বেনিংটনের আত্মহত্যা- গড়গড় করে বলা যাবে ঘণ্টা দেড়েক। অথচ এই একটা প্রশ্নে অস্বস্তিতেই পড়তে হয় না এমন বাঙালি বাংলা মুল্লুকে খুব কমই আছে। হাঁড়ির খবর ঘাঁটতে গেলে হয়তো তেতো অভিজ্ঞতা হাসিলের উদাহরণও কম পাওয়া যাবে না। কিন্তু তাতে বাঙালিকে ‘বেখবর জাতি’ তকমা দেয়াটা বিষম রকমের ভুল হবে। এই যে বসন্তবরণ, পহেলা বৈশাখ, মাঘ সংক্রান্তির মতো উৎসব যাপন, সে তো আর জোর জবরদস্তিতে করানো হয় না। সদিচ্ছাতেই পালন করে বাঙালিরা।

রাজস্ব আদায়ের জন্য সম্রাটের পক্ষ থেকে চাপ আসত প্রায়ই। সাধারণ মানুষরা ফসল না কেটে তো আর খাজনা দিতে পারত না। অনেকটা সে কারণেই নবাবেরা পুণ্যাহের প্রবর্তন করেন। নবাবের বাড়িতে উৎসব ও খাবার দাবারের আয়োজন থাকতো আর সাধারণ মানুষ তাতে যোগ দেবার পাশাপাশি রাজস্ব পরিশোধ করত। নবাবের বাড়িতে মেহমান হিসেবে আপ্যায়িত হওয়াটা কম কথা না। রীতিমতো উৎসবে পরিণত হয়ে গেল দিনটা। নববর্ষ চালুর ইতিহাসের পুণ্যাহের তাৎপর্য ব্যাপক। খুব সম্ভবত ব্যবসায়ীরা সেখান থেকেই হালখাতার অনুপ্রেরণা পেয়েছে। (সূত্র: পূর্বোক্ত গ্রন্থে শামসুজ্জামান খানের নিবন্ধ, পৃষ্ঠা: ১১১)।

মোটামুটি সেভাবেই চলেছে ইতিহাস। ১৯৫২ সালে প্রখ্যাত জ্যোতিপদার্থ বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা এবং তার কমিটি ভারতের অন্যান্য সালের সঙ্গে বাংলা সনেও সংস্কারের প্রস্তাব করেন। ভারত সরকার তার প্রস্তাব গ্রহণ করে ১৯৫৭ সালে। সেই সংস্কারের কথা মাথায় রেখে ১৯৬৩ সালে তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানে বাংলা ক্যালেন্ডার সংস্কার কমিটি গঠিত হয়। কমিটির প্রধান ছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্। বাংলাদেশ জন্মের পর তাজউদ্দিন আহমদ সরকারি নথিতে বাংলা তারিখের প্রথা চালু করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়ে তা আরো দৃঢ় হয়। অবশেষে ১৯৮৭ সাল থেকে সরকারি কাজে খ্রিষ্টাব্দ ব্যবহারের পাশাপাশি বাংলা সন লেখার নির্দেশনা আসে। বাংলা ক্যালেন্ডার আধুনিকায়নে মেঘনাদ সাহা এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্-এর

Previous Post

ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউসে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও ভাবনার এক গভীর সন্ধ্যা

Next Post

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পূর্বাপরসাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ ঐক্য পরিষদের

Next Post
৭১-র গণহত্যার স্বীকৃতি চেয়ে মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপিত প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে ঐক্য পরিষদ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পূর্বাপরসাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ ঐক্য পরিষদের

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল :  info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নিবাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- বাপ্পী এদবর

 

 

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.