নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ
আজ ৪ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার দুপুর ২:৩০ মিনিটে ‘লিঙ্গীয় বৈষম্য দূর করি, সমতাপূর্ণ সমাজ গড়ি’- এই স্লোগানের আলোকে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের উদ্যোগে সংগঠনের ৫৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম।
অনুষ্ঠানের শুরুতে দুপুর ২:৩০মিনিটে সুফিয়া কামাল ভবনের সামনে জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে সুফিয়া কামাল ভবন থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পর্যন্ত একটি র্যালি অনষ্ঠিত হয়। র্যালি শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু।বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ৫৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর ঘোষণা পাঠ করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সহ-সভাপতি ডা. মাখদুমা নার্গিস রতœা, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান, দৈনিক সমকালের সাংবাদিক এবং কলামিস্ট মাহবুব আজীজ, ওয়াইডব্লিউসিএ অব বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক হেলেন মনীষা সরকার, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও পাঠাগার উপপরিষদ সদস্য এবং ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের উইমেন এ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সৈয়দা সুরঞ্জনা, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের রাইটার্স হাব এর চীফ এবং ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজী বিভাগের শিক্ষার্থী ও গবেষণা সহকারী মাহামুদ খালিদ।
আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সমবেত কন্ঠে সংগীত পরিবেশন করেন গীতপ্রিয় সংগঠনের শিল্পীবৃন্দ; বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন স্বরব্যঞ্জন, নৃত্যপরিবেশন করেন জাইমা, শ্রীময়ী, সুনেহা ও আরাহী। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন রোমান।

আলোচনা অনুষ্ঠানে
সভাপতির বক্তব্যে ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, সবসময় চেয়েছি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সকল নারী সমাজের আস্থার জায়গা হয়ে উঠুক, আমরা তা অর্জন করতে পেরেছি। গত একটা বছর যেভাবে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী বক্তব্যদেয়া হয়েছে, নারীবিদ্বেষী বক্তব্য, ঘৃণা বিদ্বেষ তৈরি করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে জনগণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রায় দিয়েছে। রাজনীতির চর্চার মূল জায়গা ছিলো মব শক্তি, নারী বিরোধী চর্চা। এসকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে, নারী আন্দোলন সমাজকে অগ্রগসর করার আন্দোলন, ব্যাকলাশ সমন্ধে সতেচন থাকতে হবে। বিশ্বব্যাপী ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে নারীর প্রতিপক্ষ হিসেবে, ধর্মকে নারীর আন্দোলনের মুখোমুখি করা হচ্ছে। এটি আমাদের প্রতিহত করতে হবে। সামাজিক ন্যায়প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। পিতৃতান্ত্রিক সমাজ কাঠামো ভেঙে সর্বক্ষেত্রে কিভাবে সমতা ভিত্তিক সমাজ কাঠামো গড়ে তোলা হবে নারী আন্দোলনের মূল লক্ষ্য। আমাদের থেমে যাওয়ার কোন সুযোগ নাই, একত্র হতে হবে, দাবী অব্যাহত রাখতে হবে, এগিয়ে যেতে হবে দৃঢ় পায়ে
শুভেচ্ছা বক্তব্যে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, আজকের দিনে স্মরণ করি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাকালীন সভাপতি সুফিয়া কামাল সহ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সকল সদস্যবৃন্দ, কর্মী সংগঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের। একই সাথে সংগঠনকে এগিয়ে নেয়ার পথে যারা পাশে থেকেছেন তাদের কর্মী সংগঠকদের পরিবার বর্গকে। স্মরণ করি দেশের সকল প্রগতিগীল, রাজনৈতিক , সামাজিক আন্দোলনের সাথে যুক্তদের কে। এই সংগঠন আমাদের অহংকার, যা নারী আন্দোলনের ভিতকে শক্ত করেছে। ৫৬ বছরে সংগঠন সংগ্রাম করেছে নারী আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে ও সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে । তিনি এসময় তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেন নতুনদের তাদের অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করতে হবে। যারা বৈষম্য কে জিইয়ে রাখতে চায়, নারীর অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চায় তাদের ভয় পাওয়ার কিছু নয়। নারীরা অর্ধেক জনগোষ্ঠী নয় বরং পূর্ণ মানুষের মত বিচরণ করবে সকল ক্ষেত্রে এটাই আমাদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে অঙ্গীকার ।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ৫৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর ঘোষণা পাঠ করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম। এসময় নারী সমাজের প্রতি আহ্বান জানানো হয়: নারীর প্রতি সংবেদনশীল আইনসমূহের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে; মৌলবাদ, সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে নারীসমাজসহ সকল নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য অব্যাহত প্রয়াস চালাতে হবে এবং সংগঠনের ঘোষণাপত্রের অঙ্গীকার অনুযায়ী সকল প্রকার মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান সংহত করতে হবে। নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিদের সঙ্গে কার্যকর নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবেÑযাতে তারা সংসদে, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে, রাজনৈতিক দলের এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য উদ্যোগী হতে হবে; নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সকল প্রজন্মের পুরুষদের সম্পৃক্ত করতে হবে।ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে সম্পদ-সম্পত্তিতে সকল নারীর সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে অভিন্ন পারিবারিক আইন (ইউএফসি) প্রণয়নের জন্য সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। কর্মক্ষেত্রে পেশাজীবী, কর্মজীবী ও শ্রমজীবী নারীর জন্যে নারীবান্ধব নিরাপদ পরিবেশ, শিশু দিবাযতœ কেন্দ্র এবং যানবাহনের পর্যাপ্ত সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে এবং পেশাজীবী নারীদের পদোন্নতি, প্রশিক্ষণে বৈষম্য প্রদর্শন না করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। রাজনীতিতে এবং নির্বাচনী প্রচারে ধর্মের ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। নারীর অপ্রদর্শিত পারিবারিক শ্রম জিডিপিতে অন্তর্র্ভুক্ত করতে হবে। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল থেকে নির্বাচনে ৩৩% নারীকে মনোনয়ন দিতে হবে। জনপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) ২০১৩ অনুসারে- রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ সকল স্তরের কমিটিতে ৩৩% নারীদের জন্য সংরক্ষণ রাখা এবং এই লক্ষ্য রাজনৈতিক দলগুলোর গঠনতন্ত্রে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। জেন্ডার-সংবেদনশীল বাজেট বাস্তবায়ন করতে হবে এবং এর মনিটরিং করতে হবে।নারীর প্রতি সংবেদনশীল আইনসমূহের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে নারীর প্রতি পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের লক্ষ্যে ব্যক্তি, পরিবার, প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে জেন্ডার-সংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি ও চর্চা করতে হবে।
আলোচক হিসেবে উপস্থিত বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সহ-সভাপতি ডা. মাখদুমা নার্গিস রতœা বলেন, আমরা অধিকার আদায়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শহীদ মিনার আমাদের শিক্ষা দেয় মাথা নত না করা, দৃঢ়ভাবে নিজের লক্ষ্য প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে যাওয়া। একুশের থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা নানা প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে এগিয়ে চলেছি। দীর্ঘ ৫৬ বছরের সংগ্রামে দেখতে পাই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে ধীরে ধীরে আমরা আরো শক্তিশালী হয়ে উঠেছি। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে মহিলা পরিষদের থাকা কর্মকৌশলের অনেকটাই আমরা বর্তমান সময় অনুসারে পরিবর্তন করেছি, এবং আধুনিকমনস্ক গণনারী সংগঠন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে সংগঠনের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলে আজ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যে সম্মান পাই তা সংগঠনের কারণে সম্ভব হয়েছে। সংগঠন যেমন পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কথা বলে, তেমনি যেকোন ধর্মের নারী সহিংসতার শিকার হলে তার পাশে দাড়ায়। তিনি এসময় কর্মী ও সংগঠকদের উদ্দেশ্যে বলেন সমতা পূর্ণ সমাজ যতদিন প্রতিষ্ঠা না হবে ততদিন প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম আমাদের আন্দোলনের মশাল প্রজ¦লিত থাকবে।
ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান বলেন, নতুন প্রজন্ম নানা বিভ্রান্তির মধ্যে আছে। তাদের এই বিভ্রান্তি দূরে আমাদের কাজ করতে হবে। ৫৬ বছর পরে অনেক কিছুই নতুন করে ভাবতে হবে। জাতির আত্মপরিচয় নিয়ে আমাদের বড় ধরণের সংকট আছে। নারীর অধিকার অর্জনের বিষয়। রাষ্ট্র সেই অধিকার দেয়ার বিষয়ে কতটুকু আন্তরিক দেখতে হবে। অর্থনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক অগ্রগতি হলেও নারীর অধিকার, সমতার ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছি। বর্তমানে জ¦ালানি নিয়ে তৈরি হওয়া বৈশি^ক সংকটে নারীর উপর কি প্রভাব পড়ছে তা আমাদের দেখতে হবে
দৈনিক সমকালের সাংবাদিক এবং কলামিস্ট মাহবুব আজীজ বলেন, ৫৬ বছর আগে নারীর জীবন যেমন ছিল তার থেকে খুববেশি পরিবর্তিত হয়নি। সম্পদে সমঅধিকার, রাজনীতিতে নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হলে প্রকৃত ক্ষমতায়ন নিশ্চত হবে। দেশকে অসাম্প্রদায়িক, সকলের জন্য সমান মর্যাদাপূর্ণ করে তুলতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সকলের মতকে শ্রদ্ধা করতে হবে।
ওয়াইডব্লিউসিএ অব বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক হেলেন মনীষা সরকার বলেন, আজ কয়েকটা প্রজন্ম এখানে উপ¯্থতি। এটা বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের একটা বড় অর্জন। তরুণ প্রজন্মের চোখেনারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন দেখি তা আমাদের পূর্ণতা দেয়। লৈঙ্গিক বৈষম্য যুগে যুগে রয়েছে। বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাসÍবায়নের লক্ষ্যে এখন অনেকে সংগঠন আন্দোলন করে যাচ্ছে। কিন্তু তা থমকে যায়। ৫৬ বছর পরও আমাদের সমতাপূর্ণ সমাজর কথা বলতে হচ্ছে। অসাম্প্রদায়িক, মানবিক সমাজ গড়তে আমরা প্রত্যয়ী।
প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও পাঠাগার উপপরিষদ সদস্য এবং ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের উইমেন এ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও তরুণী সংগঠক সৈয়দা সুরঞ্জনা বলেন,সংগঠনের ৫৬ এর উদযাপন সংখ্যাগত নয়, বরং নারী আন্দোলনের সুতিকাগার- বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের এর দীর্ঘ যাত্রার পথকে উন্মোচন করে। যা একইসাথে সংকটে থেমে না গিয়ে এগিয়ে যেতে অন্তর্হিত শক্তিকে তুলে ধরে আমাদের সামনে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চিন্তার পার্থক্য রয়েছে তবে নারীর অধিকারের প্রশ্নে আমাদের চাওয়া একই।
ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের রাইটার্স হাব এর চীফ এবং ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজী বিভাগের শিক্ষার্থী ও গবেষণা সহকারী মাহামুদ খালিদ বলেন, মহিলা পরিষদ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে, এর কিছুটাও যদি অর্জিত হতো তবে কিছুটা হলেও নারীর অধিকার অর্জিত হত। আমাদের দেশে নারী আন্দোলন নিয়ে অনেক ভুল ধারণা আছে। এই ভুল ধারণা নিরসনের জন্য স্কুল, কলেজের শিক্ষা কারিকুলামে নারী আন্দোলন, সামাজিক আন্দোলন এর বিষয়টি যুক্ত করতে হবে।
উক্ত সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেত্রীবৃন্দ, পাড়া কমিটির সদস্য, সম্পাদকমন্ডলী, কর্মকর্তাগণ নি:সংকোচ ফাউন্ডেশন, আদিবাসী নারী নেটওয়াক, উইমেন সেলফ ডিফেন্স তায়কোয়ানদো একাডেমি, নারী ফুটবল টিম এর প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক সহ প্রায় ৫০০ এর অধিক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক খুরশীদা ইমাম এবং সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার ফজিলা খাতুন লতা।

