• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ই-সিগারেট নিষিদ্ধে সক্রিয় অবস্থান বজায় রাখার আহ্বান

admin by admin
April 4, 2026
in জাতীয়
0
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ই-সিগারেট নিষিদ্ধে সক্রিয় অবস্থান বজায় রাখার আহ্বান

RelatedPosts

প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, কঠোর নির্দেশ

দখল করা ব্যাংক বেদখল হবে, এই যাতনা আমরা বুঝি: জামায়াতকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিদ্যুৎ সাশ্রয় শিখতে ফ্রান্সে যেতে চান রাসিক প্রশাসক, প্রধানমন্ত্রীর ‘না’

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশসমূহ পর্যালোচনা ও ও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ থেকে ক্ষতিকর ই-সিগারেট আমদানি, উৎপাদন, বিতরণ ও ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত ধারাটি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে দেশে তরুনদের মাঝে ই-সিগারেট খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাবে, যা বর্তমানে সরকারের তামাক নিয়ন্ত্রণে নির্বাচনী অঙ্গীকারের পরিপন্থি। আমরা বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ই-সিগারেট নিষিদ্ধে সক্রিয় অবস্থান বজায় রাখার আহবান জানাই।

বাংলাদেশ ই-সিগারেট ব্যবহার নেই বললেই চলে। তারপরও কম ক্ষতিকর, ধূমপান ত্যাগে সহায়ক এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের ব্যবহারে জন্য বলে এ নেশাপণ্য বাংলাদেশ বাজার সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। সরকার ধূমপান ব্যবহার ত্যাগের লক্ষ্যে তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এবং নিকোটিন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি ঔষধকে অত্যাবশকীয় ঔষধের তালিকা স্থান দিয়েছে। এ অবস্থায় ধূমপান ত্যাগে সহায়ক বলে এই নতুন নেশাপন্য বাজারে প্রবেশ করানো উদ্দেশ্য তরুণদের নতুন নেশায় আসক্ত করা। সরকার সিগারেটই প্রাপ্ত বয়স্কদের নিকট বিক্রয় নিশ্চিত করতে পারেনি। আর ই-সিগারেট শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্কদের নিকট বিক্রি করা হবে এটা একটি অবান্তর দাবি।

আমরা লক্ষ্য করছি যে ই-সিগারেটকে কম ক্ষতিকর উল্লেখ করে তামাক কোম্পানি এবং কতিপয় ব্যবসায়ী এর প্রসারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এটি কোনোভাবেই কম ক্ষতিকর পণ্য নয়। বরং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণিত যে, আসক্তি সৃষ্টিকারী ই-সিগারেট ফুসফুসের ক্ষতির পাশাপাশি হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। ই-সিগারেটে এবং নিকোটিন পাউচ জাতীয় পণ্যগুলোকে প্রচলিত সিগারেটের বিকল্প, সিগারেট ছাড়ার উপায়, কম ক্ষতিকর বা নিরাপদ – কোনোভাবেই উল্লেখ করা যায় না। ব্যবসায়ীদের কথা অনুসরণ না করে, যে সকল দেশে ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করেছে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুসরণ করা উচিত।

বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে তামাক ব্যবহার বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের হার ৩৫.৩ শতাংশ। বর্তমানে বাংলাদেশে যে হারে সিগারেটের ব্যবহার বাড়ছে, সরকার নানা ধরনের কর্মমূচি গ্রহণ করার পরও সেটি রোধ করতে পারছে না। এমতাবস্থায় ই-সিগারেট কে যদি বৈধতা দেওয়া হয় তবে এটি ব্যাপকভাবে যুব সমাজের মাঝে ছড়িয়ে পড়বে এবং জনস্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বাংলাদেশে মহামান্য আপিল বিভাগ সিভিল আপিল নং ২০৪-২০৫/২০০১ মামলায় ০১/০৩/২০১৬ তারিখে প্রদত্ত এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে বাংলাদেশে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। একই রায়ে দেশে নতুন কোনো তামাক বা তামাকজাত দ্রব্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন না দেওয়া এবং বিদ্যমান তামাক কোম্পানিগুলোকে বিকল্প পণ্য উৎপাদনে উৎসাহিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।ই-সিগারেটকে বৈধতা দেয়া আপিল বিভাগের নির্দেশনার পরিপন্থি।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে তামাকের ব্যবহার কমানোর প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে। ২০০৫ সালে নিবার্চনী অঙ্গীকার না হওয়া সত্ত্বেও সরকার যেখানে তামাক নিয়ন্ত্রণে এমন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন সেখানে, বর্তমানে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত থাকার পরও ই-সিগারেটকে বৈধতা দেওয়া সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির সাথে সাংঘর্ষিক। বাংলাদেশে ই-সিগারেটের ব্যবহার প্রায় নেই বললেই চলে। শুধুমাত্র কিছু ব্যবসায়ীর জন্য বাংলাদেশে এ ধরনের ক্ষতিকর নেশা দ্রব্য ই-সিগারেট এবং নিকোটিন পাউচের বাজার তৈরির সুযোগ করে দেওয়া কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না।

বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের কারণে বছরে প্রায় ১৯৯,১৪৯ মানুষ অকালে প্রাণ হারায় এবং অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ৮৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তামাক ব্যবহার না কমানো গেলে দেশে অসংক্রামক রোগ হ্রাস করা সম্ভব হবে না। এমতাবস্থায় ক্ষতিকর ই-সিগারেট নিষিদ্ধের বিধানসহ তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশটি দ্রুত আইনে পরিণত করার কার্যকর ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি। আমরা মনে করি যে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট (বাটা) স্বাস্থ্য মন্তণালয়কে ই-সিগারেট নিষিদ্ধে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছে।।

Previous Post

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Next Post

‘হাম’-শিশুর মৃত্যু : প্রতিরোধে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।

Next Post
‘হাম’-শিশুর মৃত্যু : প্রতিরোধে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।

'হাম'-শিশুর মৃত্যু : প্রতিরোধে প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল :  info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নিবাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- বাপ্পী এদবর

 

 

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.