• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

মোহরম সিকিউরিটিজের পরিচালকদের বিদেশ ভ্রমণে বিএসইসির নিষেধাজ্ঞা

admin by admin
February 19, 2026
in অর্থনীতি
0
মোহরম সিকিউরিটিজের পরিচালকদের বিদেশ ভ্রমণে বিএসইসির নিষেধাজ্ঞা

RelatedPosts

বাজেটে নারী ও তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে টোল আদায় ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা

আসন্ন ২০২৬-২৭ বাজেটে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাজেট বৃদ্দির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত


রুপসীবাংলা৭১ অর্থনীতি ডেস্ক : পুঁজিবাজারের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ট্রেকহোল্ডার (ট্রেক-১০৮) মোহরম সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সব পরিচালকদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ শাখাকে অবহিত করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

সম্প্রতি পুলিশের বিশষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক বরাবর বিএসইসি থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।বিএসইসির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মোহরম সিকিউরিটিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সব পরিচালকদের বিদেশ গমনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সব পরিচালকের নাম হলো-মোহারম সিকিউরিটিজের চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান, পরিচালক আফছারুজ্জামান ও হালিমা পারভীন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মুছা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে সাম্প্রতিক সময়ে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর কাস্টমার ফান্ড ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা অভিযোগ সামনে আসছে।নিয়ম অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীরা শেয়ার কেনাবেচার জন্য যে অর্থ জমা দেন, তা ব্রোকারেজ হাউসের সমন্বিত গ্রাহক হিসাব বা কনসলিডেটেড কাস্টমার অ্যাকাউন্টে (সিসিএ) সংরক্ষিত থাকার কথা। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, কিছু প্রতিষ্ঠান ওই হিসাব থেকে অর্থ সরিয়ে অন্যত্র ব্যবহার করছে।

এর আগে ২০২৩ সালে মোহরম সিকিউরিটিজের ক্লায়েন্টদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিএসইসি। গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলো-বিএসইসির অতিরিক্ত পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন, উপ-পরিচালক মো. আব্দুস সেলিম, সহকারী পরিচালক মো. তৌহিদুল ইসলাম সাদ্দাম এবং সিএসইর সহকারী ব্যবস্থাপক মো. বাশার।

মোহরম সিকিউরিটিজ ছাড়াও আরো তিনটি সিএসই ব্রোকারজ হাউজ রয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে ক্লায়েন্টদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ওই ব্রোকারেজ হাউজগুলো হলো-সিলেট মেট্রো সিটি, ট্রেন্ডসেট সিকিউরিটিজ এবং ফার্স্ট লিড সিকিউরিটিজ।

এছাড়া এদিকে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্যভুক্ত তিনটি ব্রোকারেজ হাউজ-বানকো সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ এবং তামহা সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে ১০ হাজার ৯০০ বিনিয়োগকারীর প্রায় ১৭৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীর অর্থ নিরাপদ না থাকলে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব নয়।তাই নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই পদক্ষেপ বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তারা বলছেন, ব্রোকারেজ হাউসগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এমন কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন ছিল। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত অন্য ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্যও সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার সহজ হবে এবং বাজারে স্বচ্ছতা বাড়বে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা মনে করে, এ ধরনের অনিয়ম শুধু বিনিয়োগকারীর আর্থিক নিরাপত্তাকেই ঝুঁকিতে ফেলে না, বরং বাজারে আস্থার সংকটও তৈরি করে। ফলে বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বাজারে আসতে দ্বিধাগ্রস্ত হন এবং বাজারে তারল্য সংকট দেখা দেয়।

পুঁজিবাজারে ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে জমা থাকা বিনিয়োগকারীদের অর্থ ও শেয়ার অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। শেয়ার কেনার জন্য গ্রাহকেরা ব্রোকারেজ হাউসে টাকা জমা দিলে সেই টাকা একটি কনসলিডেটেড কাস্টমার অ্যাকাউন্ট (সিসিএ) তথা সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে জমা থাকার কথা। কিন্তু একশ্রেণির ব্রোকারেজ হাউস সিসিএ থেকে টাকা সরিয়ে নিচ্ছে। এতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বাজারে আস্থা সংকট বাড়ছে। তাই সেসব ব্রোকারেজের বিরুদ্ধে কঠোর হয়েছে বিএসইসি।

এতে কোনো ব্রোকারেজের এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি নজরে পড়লে তাদের বিরুদ্ধে বিদেশ ভ্রমণসহ সব ধরনের ব্যবস্থা নেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এর আগে ব্রোকারেজ হাউসগুলো যে বিনিয়োগকারীদের টাকা সরিয়ে ফেলে, তা খতিয়ে দেখতে ডিএসইকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ডিএসইর তৈরি করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রাহকের হিসাব থেকে টাকা সরিয়ে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর মালিকেরা নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে।
রুপসীবাংলা৭১/এআর

Previous Post

রমজানে বন্ধ থাকবে স্কুল, আজ থেকে ৩৯ দিনের ছুটি শুরু

Next Post

সৌদি আরবে আবারও শুরু হচ্ছে সিনেমার উৎসব

Next Post
সৌদি আরবে আবারও শুরু হচ্ছে সিনেমার উৎসব

সৌদি আরবে আবারও শুরু হচ্ছে সিনেমার উৎসব

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল :  info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নিবাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- বাপ্পী এদবর

 

 

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.