নিজস্ব প্রতিনিধি : হোটেল-রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি গেজেট অবিলম্বে বাস্তবায়ন, ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস কার্যকর,রমজানের অজুহাতে ছাঁটাই নির্যাতন বন্ধ, এক মাসের মজুরির সমপরিমাণ উৎসব বোনাস নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান এবং শ্রম আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করার দাবিতে আজ বিকাল ৪:৫০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে হোটেল-রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ, কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান খান ও সঞ্চালনায় ছিলেন যুগ্ম-আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান, বাংলাদেশ ওএসকে গার্মেন্টস এন্ড টেক্সটাইল শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোঃ ইয়াছিন, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি প্রকাশ দও, যুগ্ম সম্পাদক আতিকুল ইসলাম টিটু এবং হোটেল রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ ঢাকা মহানগর কমিটির আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম খান, যুগ্ম আহ্বায়ক রাজু আহমেদ কুদ্দুসসহ সংগ্রাম পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি গেজেট দীর্ঘদিন ধরে বাস্তবায়িত না হওয়ায় হাজার হাজার শ্রমিক ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস আইনে নিশ্চিত থাকলেও বাস্তবে শ্রমিকদের ১২-১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান করা হয় না, ফলে শ্রমিকরা আইনগত সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত থাকেন।
বক্তারা আরও বলেন, রমজানকে সামনে রেখে শ্রমিক ছাঁটাই, মজুরি বকেয়া রাখা এবং এক মাসের মজুরির সমপরিমাণ বোনাস না দেওয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনক। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না করে মালিকদের একতরফা মুনাফা বৃদ্ধি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শ্রম আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নজির এদেশে নেই।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নিলে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

