রুপসীবাংলা৭১ ক্রীড়া ডেস্ক : চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুইশোর্ধ্ব দলীয় স্কোর হয়ে পাঁচটি। এর মধ্যে ২৩৫ রান তুলেছে আয়ারল্যান্ড। যা এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। শুধু তাই নয়, ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এই সংস্করণের বিশ্বকাপের ইতিহাসেও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর এটি।
২০০৭ আসরে কেনিয়ার বিপক্ষে ৬ উইকেটে ২৬০ তুলেছিল শ্রীলঙ্কা। এমন রেকর্ড গড়ার দিনে বড় ব্যবধানে জিতে মাঠ ছেড়েছে আইরিশরা। ওমানকে ৯৬ রানে হারিয়েছে তারা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর এসএসসি গ্রাউন্ডে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে আয়ারল্যান্ড। এমনকি দলীয় ৬৪ রানে আরেকটি উইকেট হারালে বিপদ আরও বাড়ে।
পল স্টার্লিংয়ের জায়গায় ভারপ্রাপ্ত নেতৃত্ব পাওয়া টাকারের সঙ্গে গ্যারেথ ডিলানি যোগ দিতেই বদলে যায় ম্যাচের দৃশ্যপট। ৩০ বলে ৩ চার ও ৪ ছয়ে ৫৬ রানে আউট হন ডিলানি। এরপর ক্রিজে আসেন জর্জ ডকরেল। তার বিধ্বংসী ইনিংসে ডেথ ওভারেই দলটি ৯৩ রান তোলে, যা তৃতীয় সর্বোচ্চ।
শেষদিকে জর্জ ডকরেল আগ্রাসী ছিলেন। তার সঙ্গে টাকারের জুটি ছিল ১৯ বলে ৭০ রানের। অধিনায়ক টাকার ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি করতে পারেননি। ৯৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি, যা অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান।
বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের সর্বোচ্চ স্কোরার হওয়ার পথে টাকার ৫১ বলে ১০ চার ও ৪ ছয় মারেন। ৯ বলে ৫ ছয়ে ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন ডকরেল। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান সংগ্রহ করে আয়ারল্যান্ড।
২৩৬ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১০.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ১০০ রান তোলে ওমান। লড়াই করার মতো অবস্থায় ছিল তারা। কিন্তু আমির কালিম ও হাম্মাদ মির্জার ৪৯ বলে ৭৩ রানের জুটি ভেঙে গেলে আর দাঁড়াতে পারেনি ওমান।
৪২ রানে শেষ সাত উইকেট হারায়। কালিম সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন। ৪৬ রান আসে হাম্মাদের ব্যাটে। শেষ পর্যন্ত ২ ওভার বাকী থাকতেই ১৩৯ রানে গুটিয়ে যায় ওমান। আইরিশদের পক্ষে জশ লিটল নেন সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট।
রুপসীবাংলা৭১/এআর

