• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

গণতন্ত্রের সম্ভাবনাময় সূচনা, রাষ্ট্র গঠনের নতুন লড়াই

admin by admin
February 13, 2026
in রাজনীতি
0
গণতন্ত্রের সম্ভাবনাময় সূচনা, রাষ্ট্র গঠনের নতুন লড়াই

RelatedPosts

কত শতাংশ পোস্টাল ব্যালটে ভোট পড়েছে জানাল ইসি

ফলাফল না দিয়েই বাসায় চলে গেলেন ডিসিরা

ঢাকা-৪ আসনে বিজয়ী জামায়াতের প্রার্থী জয়নুল আবেদীন

নিজস্ব প্রতিনিধি : গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্য ন্যূনতম যে শর্তটি অপরিহার্য, তা হলো একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। ভোটাধিকার কেবল সাংবিধানিক বিধান নয়, এটি নাগরিক মর্যাদার কেন্দ্রবিন্দু। ২০০৮ সালের পর দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশে ক্ষমতার প্রকৃত পালাবদল ঘটেনি। এর ফলে যে বাস্তবতা তৈরি হয়েছে, তা হলো ক্ষমতার পালাবদলের অনুপস্থিতি, একদলীয় প্রাধান্য এবং ক্রমেই কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ। ইতিহাস বলে, যখন জনগণের ভোটের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের পথ সংকুচিত হয়, তখন রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে জবাবদিহির বিষয়টি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রাষ্ট্রযন্ত্র ক্রমে নাগরিকের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করে। সাম্প্রতিক পরিবর্তনের পর আমরা এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি, যেখানে গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন এবং গণতন্ত্রকে সুসংহত করার প্রশ্ন একসঙ্গে সামনে এসেছে।

আমরা অতীতেও গণতান্ত্রিক উত্তরণ ঘটিয়েছি, কিন্তু গণতান্ত্রিক উপাদানগুলোর একীভূতকরণ নিশ্চিত করতে পারিনি। ফলে নতুন করে আমাদের আবারও গণতান্ত্রিক সংকটে পড়তে হয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান আমাদের সামনে আবার একটি সুযোগ এনে দিয়েছে। এবারের নির্বাচন তাই কেবল ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নয়, এটি গণতান্ত্রিক ভিত্তি পুনর্গঠনের একটা পরীক্ষাও।

এই নির্বাচনের দুটি মাত্রা রয়েছে। প্রথমত, এটি জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। নাগরিকেরা ভোট দিয়ে তাঁদের পছন্দের রাজনৈতিক শক্তিকে ক্ষমতায় আনার সুযোগ পাচ্ছেন। দ্বিতীয়ত, এটি একধরনের গণ-অনুমোদন। রাষ্ট্রকাঠামো ও রাজনৈতিক সংস্কারে যে পরিবর্তনের প্রস্তাব এসেছে, জনগণ তা সমর্থন করছে কি না, সেটিও এই প্রক্রিয়ায় যাচাই হচ্ছে।

নির্বাচনের দিনে কিছু বিচ্ছিন্ন অনিয়মের খবর এসেছে। বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে কখনো শতভাগ স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোট হয়েছে বলা যাবে না। এটি আশা করাটাও বাস্তবসম্মত নয়। প্রশ্ন হলো, অনিয়মের মাত্রা কি এই পর্যায়ের যে এটা সামগ্রিক ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে? এখন পর্যন্ত যে প্রবণতা দৃশ্যমান, তাতে বড় কোনো কারচুপির ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। এটি একটি ইতিবাচক দিক।

একই সঙ্গে ভোটার উপস্থিতির প্রশ্নটিও গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন শুধু অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলেও চলবে না, সেটি অংশগ্রহণমূলকও হতে হবে। নির্বাহী আদেশে কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় আওয়ামী লীগ এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। একটি বড় দল যেহেতু ভোটের মাঠে নেই, ফলে ভোট গ্রহণের হারে এর প্রভাব পড়াটাই স্বাভাবিক। তবে এখন পর্যন্ত প্রাথমিক হিসাব বলছে, ভোটার উপস্থিতি হয়তো ৬০ শতাংশের কাছাকাছি বা কিছুটা বেশি হতে পারে। একটি বড় রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ না থাকা সত্ত্বেও যদি এই হার অর্জিত হয়, তবে তা পুরোপুরি নিরাশাজনক নয়। অবশ্যই আরও বেশি অংশগ্রহণ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করত। তবু এটিকে একটি সম্ভাবনাময় সূচনা বলা যায়।

কোনো সহিংসতা ছাড়া ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এটি একটি অভূতপূর্ব ঘটনা। এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে সেনাবাহিনী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে। আশা করি, ভোটের ফলাফলের বিষয়টিও ইতিবাচক হবে। ভোট গ্রহণের দিন রাজনৈতিক দলগুলো যে স্বতঃস্ফূর্ততা, ধৈর্য ও সংযম দেখিয়েছে; আশা করি ভোটের ফলাফল নিয়েও তারা একই মনোভাবের পরিচয় দেবে। ফলাফল যা–ই হোক, দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। আমরা দীর্ঘদিন উইনার টেকস অল বা জয়ী দলই সব নিয়ে নেয়—এমন সংস্কৃতির ভেতর ছিলাম। নতুন প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও কার্যকর ভূমিকার সুযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে বিরোধী দলকেও উপলব্ধি করতে হবে যে গণতান্ত্রিক উত্তরণ একটি যৌথ প্রক্রিয়া।

এই নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত আছে গণভোটের প্রশ্ন। গণভোট ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে রাষ্ট্র সংস্কারের একটি সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি হবে। জুলাই সনদে যে প্রস্তাবগুলো রয়েছে, যেমন উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠা, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের বিধান, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগপদ্ধতির সংস্কার, সেগুলো বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে সংসদ ১৮০ দিনের জন্য একটি গাঠনিক ক্ষমতা লাভ করবে, যার মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন সম্ভব হবে। এই সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে রাজনৈতিক সদিচ্ছা, নীতি-স্পষ্টতা এবং আন্তদলীয় সমঝোতা অপরিহার্য।

নতুন সরকারের সামনে প্রথম চ্যালেঞ্জ হবে গণভোটের রায়ের প্রতি নিঃশর্ত সম্মান প্রদর্শন। জনগণ যদি রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে স্পষ্ট রায় দেয়, তবে তা বাস্তবায়নে গাফিলতি করলে শুরুতেই সরকারের প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ন হবে। একই সঙ্গে বিরোধী দলও তখন কঠোর অবস্থান নেবে। যে দল বা জোটই নির্বাচনে জিতুক, এবার বিরোধী দল দুর্বল হবে বলে মনে হয় না। ফলে ১৮০ দিনের ভেতরে যদি সংস্কার প্রশ্নে অচলাবস্থা তৈরি হয়, তবে আমরা আবার সংঘাতমুখী রাজনীতিতে ফিরে যেতে পারি। আরব বসন্ত-পরবর্তী রাষ্ট্রগুলোর অভিজ্ঞতা দেখায়, সংকটকালে ঐকমত্য গড়ে তুলতে ব্যর্থ হলে গণতান্ত্রিক যাত্রা থেমে যায় এবং আবার কর্তৃত্ববাদ মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।

দ্বিতীয় বড় চ্যালেঞ্জ প্রশাসন বা আমলাতন্ত্র। গত দেড় দশকে আমলাতন্ত্রে ব্যাপক রাজনীতিকরণ হয়েছে। মেধাভিত্তিক পেশাদারির পরিবর্তে আনুগত্যনির্ভর সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। এর ফলে প্রশাসনের মনোবল ও নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে আমলাতন্ত্রের ভেতরেও রাজনৈতিক বিভাজন দৃশ্যমান। যে দলই ক্ষমতায় আসুক, তাকে এই প্রশাসনিক বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে। প্রতিটি দলই তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে সুন্দর সুন্দর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর অনেকগুলো বাস্তবায়নযোগ্য নয়, অনেকগুলো চাইলে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এটি নির্ভর করবে প্রশাসনিক দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার ওপর। আমলাতন্ত্রের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সম্পর্ক কীভাবে পুনর্নির্ধারিত হবে, নীতিমালা কীভাবে সংশোধিত হবে, সেটিই আগামী কয়েক বছরের সাফল্য বা ব্যর্থতা নির্ধারণ করবে।

তৃতীয় চ্যালেঞ্জ নাগরিক সমাজের পরিসর পুনর্গঠন। গণতন্ত্রে সিভিল সোসাইটি কেবল সমালোচক নয়, এটি জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সহায়ক। সরকারকে সমালোচনার সুযোগ দিতে হবে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে, নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণের ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। বিগত সময়ে নাগরিক সমাজের স্বাধীন মতামতে যে সংকোচন ঘটেছে, তা থেকে বেরিয়ে না এলে গণতন্ত্র কাগজে থাকবে, বাস্তবে নয়।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দীর্ঘ সময় ধরে যে বলপ্রয়োগনির্ভর শাসনসংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তা এক দিনে দূর হবে না। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যে মবোক্রেসির উত্থান আমরা দেখেছি, নতুন সরকার ক্ষমতায় এলেই তা দূর হয়ে যাবে—এটি ভাবার অবকাশ নেই। ফলে নতুন সরকারকে সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দিতে হবে। রাষ্ট্রশক্তির প্রয়োগ ও নাগরিক অধিকারের ভারসাম্য রক্ষা করাটাও এখানে জরুরি।

অর্থনীতি আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ। সাময়িক স্থিতিশীলতা অর্জিত হলেও বিনিয়োগ ঘাটতি রয়ে গেছে। বেসরকারি বিনিয়োগে আস্থা ফিরিয়ে আনা, আর্থিক খাতের সংস্কার, বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতি রক্ষা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি আগামী সরকারের জন্য অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। তরুণ ভোটাররা এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা কর্মসংস্থান ও সুযোগ। যদি অর্থনৈতিক বাস্তবতা সেই প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকবে। তবে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কাগজে প্রণয়ন করাই যথেষ্ট নয়; তা বাস্তবায়নের জন্য দক্ষ ও নিরপেক্ষ প্রশাসনিক যন্ত্র প্রয়োজন, যা আবার আমাদের প্রশাসন সংস্কারের প্রশ্নে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

আমাদের মনে রাখতে হবে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একটি রাজনৈতিক সম্ভাবনার দিন। জনগণ তাদের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে। এখন দায়িত্ব রাজনৈতিক নেতৃত্বের। তাঁরা যদি এই সুযোগকে সম্মিলিত রাষ্ট্রগঠনের প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করতে পারেন, তবে গণতন্ত্রের পথে আমরা দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে পারব। আর যদি এই সুযোগ অবহেলিত হয়, তবে ইতিহাস আমাদের আরেকটি অপূর্ণ অধ্যায়ের মুখোমুখি দাঁড় করাবে। গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু করা যতটা কঠিন, তাকে সুসংহত করা তার চেয়েও কঠিন। এখন সেই কঠিন কাজটিই আমাদের সামনে।

Previous Post

পিৎজার কারিগর থেকে বিশ্বকাপে ইতালির প্রথম ম্যাচ জয়ের নায়ক

Next Post

২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতলেন এনসিপির নাহিদ ইসলাম

Next Post
২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতলেন এনসিপির নাহিদ ইসলাম

২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতলেন এনসিপির নাহিদ ইসলাম

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল :  info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নিবাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- বাপ্পী এদবর

 

 

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.