নিজস্ব প্রতিনিধিঃ জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, ফেলানীকে হত্যা করে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখার ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও আমরা বিচার পাই নাই। ২০২৫ সালে সীমান্ত এলাকায় ৩৪ জন বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। কোন বিচার সালিশ নাই। সমাধান একটাই, মেরুদণ্ড সোজা করে পাল্টা জবাব দিতে হবে। ভারত থেকে একটা গুলি আসলে, এপার থেকে দুটি গুলি ছুড়তে হবে। কারণ তারা শান্তির ভাষা বুঝে না, কসাই মোদীর সীমান্তরক্ষীরা বুলেটের ভাষা বুঝে।
রাশেদ প্রধান বলেন, হিন্দু অত্যাচারের মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কলকাতায় আমাদের ক্রিকেটার মোস্তাফিজকে খেলতে দেওয়া হয় না। জনগণ জানতে চায় নির্বিচারে হিন্দু-মুসলিম গণহত্যা করে শেখ হাসিনা দিল্লিতে খেলে কি ভাবে? ভারত সরকার নিজের দেশে মুসলিম-খ্রিস্টান অত্যাচার করে আর মিথ্যা অভিযোগ দেয় বাংলাদেশে হিন্দু অত্যাচারের। বাংলার গদিতে ফ্যাসিস্ট হাসিনা নাই, ভারতের মিথ্যাচারের দিন শেষ। গণভোটে হ্যাঁ কে জয়যুক্ত করতে হবে, জাতীয় নির্বাচনে ইসলামী ও দেশপ্রেমী ১১ দলকে জয়যুক্ত করতে হবে, ভারতীয় আধিপত্যবাদ এবং আগ্রাসনকে চিরতরে কবর দিতে হবে।

আজ ৭ জানুয়ারি বুধবার সকালে ফেলানী হত্যা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বিজয়নগর-পল্টন এলাকায় ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসন বিরোধী জাগপা আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রেসক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন জাগপা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, সৈয়দ শফিকুল ইসলাম, সাংঠনিক সম্পাদক মো: নাসির উদ্দিন, যুব জাগপা সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, সাংগঠনিক সম্পাদক ওলিউল আনোয়ার প্রমুখ।

