রুপসীবাংলা৭১ অন্যান্য ডেস্ক : হারমালা ইবনে ইয়াহইয়া (রহ.) … আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে মাথার চুল জমাট করা অবস্থায় তালবিয়া পাঠ করতে শুনেছি। তিনি বলছিলেন, ‘লাব্বইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা …… লা শারিকা লাকা।’ তিনি এর সঙ্গে আর কোনো কথা যোগ করতেন না।
আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) আরো বলতেন, রাসুল (সা.) জুল-হুলায়ফায়, দুই রাকআত সালাত আদায় করতেন। তারপর তার উষ্ট্রী যখন তাকে নিয়ে জুল-হুলাইফার মসজিদের সামনে দাঁড়াত, তখন তিনি সশব্দে তালবিয়া পাঠ শুরু করতেন।
শিক্ষা ও বিধান
১. তালবিয়া হজ ও উমরার একটি মৌলিক শিয়ার (প্রতীক)। রাসুল (সা.) নিজে তা পাঠ করেছেন।
২. তালবিয়া সশব্দে পাঠ করা সুন্নাহ। কেননা রাসুল (সা.) সশব্দে তালবিয়া পাঠ করতেন। এতে অন্যরাও উদ্বুদ্ধ হয় এবং ইবাদতের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
৩. নির্ধারিত শব্দেই তালবিয়া পাঠ করা উত্তম।
রাসুল (সা.) ‘لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ’ পর্যন্তই পড়তেন। তবে এ ছাড়া যদি কেউ অন্য বর্ণনা অনুযায়ী ভিন্ন শব্দে তালবিয়া পাঠ করে তাহলেও হবে। তবে এই শব্দে পাঠ করা উত্তম।
৪. ইহরামের স্থান (মীকাত) থেকেই হজে ইবাদত শুরু। তাই নির্ধারিত স্থান থেকে হজ বা উমরার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা জরুরি।
৫. তালবিয়া শুরুর আগে তিনি দুই রাকআত সালাত আদায় করতেন। কেননা, এটি ইবাদতের জন্য মানসিক ও আত্মিক প্রস্তুতির শিক্ষা দেয়।
৬. রাসুল (সা.)-এর প্রতিটি কাজ—কখন, কোথায়, কিভাবে করেছেন এসবই— সুন্নাহ। তাই হজের প্রতিটি ধাপে তাঁর অনুসরণ করা আমাদের কর্তব্য।
রুপসীবাংলা৭১/এআর

