রুপসীবাংলা ৭১: আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং মানবিক সমাজ গঠনের কারিগর ড. এম এ কাইয়ুম এখন এক নতুন সংকল্পে উজ্জীবিত। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যাই হোক না কেন, জনগণের সেবা এবং সামাজিক উন্নয়নই যার মূল লক্ষ্য, তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন একটি সুন্দর, মাদকমুক্ত ও বেকারত্বহীন সমাজ বিনির্মাণে।
স্বদেশ প্রপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি যেমন আবাসন খাতে বিপ্লব ঘটিয়েছেন, তেমনি একজন সমাজচিন্তক হিসেবে তার দৃষ্টি এখন তৃণমূলের উন্নয়নের দিকে। বিশেষ করে বেকার যুবসমাজকে জনশক্তিতে রূপান্তর এবং সমাজ থেকে মাদকের করাল গ্রাস নির্মূল করাকে তিনি তার জীবনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।
বেকারত্ব দূরীকরণে কর্মমুখী পরিকল্পনা
ড. কাইয়ুম বিশ্বাস করেন, কেবল সরকারি চাকরির ওপর নির্ভর না করে যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তার উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার বড় অংশ জুড়ে রয়েছে কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করা। তিনি এমন এক কর্মসংস্থানবান্ধব পরিবেশের স্বপ্ন দেখেন, যেখানে প্রতিটি যুবক তার মেধা ও শ্রম দিয়ে স্বাবলম্বী হতে পারবে।
মাদকমুক্ত সমাজ ও সুস্থ ধারা
যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে তিনি ‘মাদক উচ্ছেদ’ আন্দোলনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার মতে, তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং গঠনমূলক কাজে নিয়োজিত রাখতে পারলে মাদকের থাবা থেকে তাদের দূরে রাখা সম্ভব। এই লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন এলাকায় পাঠাগার স্থাপন এবং ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।
উন্নয়নমূলক চিন্তাধারা
২০১১ সালের নির্বাচন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পথচলা পর্যন্ত তিনি সব সময়ই সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন। তিনি মনে করেন, নির্বাচন হার-জিতের চেয়ে বড় হলো জনগণের আস্থা অর্জন। ডক্টর এম এ কাইয়ুমের সুযোগ্য নেতৃত্বে স্বদেশ প্রপার্টিজ যেমন মানুষের আস্থার ঠিকানায় পরিণত হয়েছে, তেমনি তার ব্যক্তিগত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ একটি উন্নত ভবিষ্যতের দিশা খুঁজে পাচ্ছে।
আসন্ন দিনগুলোতে তার এই উন্নয়নমূলক চিন্তাধারা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা দেশের সামগ্রিক সমৃদ্ধিতে এক অনন্য ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের বিজ্ঞজনেরা।
উন্নয়ন ও দূরদর্শী নেতৃত্ব নিয়ে
ব্যক্তি নয়, সমষ্টির উন্নয়নেই বিশ্বাসী ড. এম এ কাইয়ুম। আবাসন খাতের সফল রূপকার থেকে শুরু করে সামাজিক পরিবর্তনের অগ্রদূত হিসেবে তিনি আজ এক অনুকরণীয় নাম। হার-জিত বড় কথা নয়, জনগণের সেবাই হোক আমাদের মূল পাথেয়।”
(যুবসমাজ ও মাদকমুক্ত সমাজ নিয়ে
বেকারমুক্ত সুন্দর আগামী আর মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ—এই অঙ্গীকার নিয়ে এগিয়ে চলেছেন ড. এম এ কাইয়ুম। তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য। চলুন, এই ইতিবাচক পরিবর্তনের অংশ হই।
উন্নয়নমূলক চিন্তা, আধুনিক পরিকল্পনা এবং মানবিক সেবার আরেক নাম ড. এম এ কাইয়ুম। স্বপ্নের স্বদেশ গড়তে আমরা একতাবদ্ধ।

