ব্রেকিং নিউজ ১: প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানে বারবার ত্রুটি, কারণ জানতে চায় সংসদীয় কমিটি   |   ব্রেকিং নিউজ ২: আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতে নামিবিয়ার ইতিহাস   |   ব্রেকিং নিউজ ৩: শিক্ষক নিয়োগে ১৮ রায় জালিয়াতি : তদন্ত কমিটি গঠন করলেন আপিল বিভাগ
  • About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
QR Code
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

আল-কুদস’ দিবস : ফিলিস্তিন মুক্তির অঙ্গীকার ।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।

admin by admin
March 12, 2026
in অন্যান্য
0
আল-কুদস’ দিবস : ফিলিস্তিন মুক্তির অঙ্গীকার ।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।

RelatedPosts

দেশপ্রেমিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ১৪০তম জন্মবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন।

পুরান ঢাকায় এক পঙ্গু হতদরিদ্র ব্যক্তিকে হুইলচেয়ার উপহার দিলোছাত্রদল নেতারা

পুরান ঢাকার সফল সংগঠক মোস্তাকের জন্মদিন পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধি /
‘আল-কুদস’ দিবস : বিশ্ব মুসলিমের জাগরণের দিন, ফিলিস্তিন মুক্তির অঙ্গীকার। এই দিনে বিশ্বজুড়ে জনগণের এই ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি ফিলিস্তিনিদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে জাগ্রত রাখা এবং ইসরাইলের প্রতি বিশ্ব মুসলমানের ঘৃণা প্রকাশের মাধ্যম হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে। মজলুম ফিলিস্তিনি জাতির ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা ইহুদি শাসন, শোষণ, নিপীড়ন ও তাদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞের অবসান ঘটানো এবং বায়তুল মোকাদ্দাসকে রাজধানী করে ফিলিস্তিনি জাতির নিজস্ব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের সকল মুসলমানকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে এ দিবসটি।আল-কুদস দিবস বা আন্তর্জাতিক আল-কুদস দিবস (ফার্সি ভাষায়- روز جهانی قدس) প্রতি বছর রমজান মাসের শেষ শুক্রবার পালিত হয়ে থাকে, যা ১৯৭৯ সালে ইরানে শুরু হয়েছিল। এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো ফিলিস্তিনী জনগণের সাথে একাত্মতা প্রকাশ, জায়নবাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ এবং ইসরাইল কর্তৃক জেরুযালেম দখলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ। জেরুযালেম শহরের অপর নাম ‘কুদস’ বা ‘আল-কুদস’ (আরবী ভাষায়)।

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইবরাহীম ইয়াজদি সর্বপ্রথম আল-কুদস দিবস র‍্যালি আয়োজনের ধারণা দেন। তারপর আয়াতুল্লাহ খোমেইনী (রহ.) ১৯৭৯ সালে ইরানে এর প্রবর্তন করেন। এর পর থেকে ইরান সরকার প্রতি বছর আল-কুদস দিবসে প্যারেড আয়োজন করে আসছে। বছর ঘুরে প্রতি বছরই আমাদের কাছে চলে আসে পবিত্র মাহে রমজান। সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য এক কঠোর প্রশিক্ষণের মাস। দৈহিক ও আত্মিক সংযমের মধ্য দিয়ে আত্মশুদ্ধির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই কেবল জাগতিক ও আধ্যাত্মিক যাবতীয় কল্যাণকর্মে সাফল্যের সোপানে সহজে আরোহণ করা সম্ভব।

ফিলিস্তিন ও পবিত্র বায়তুল মোকাদ্দাস দখলদার ইহুদিবাদীদের হাত থেকে মুসলমানদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদ মুক্ত করার জন্য মুসলমানদের জাগিয়ে তোলাই আল-কুদস দিবসের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এ ছাড়াও মজলুম ফিলিস্তিনি জাতির ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা ইহুদিবাদী শাসন, শোষণ, নিপীড়ন ও তাদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞের অবসান ঘটানো এবং বায়তুল মোকাদ্দাসকে রাজধানী করে ফিলিস্তিনি জাতির নিজস্ব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাও এ দিবসের আরেকটি বড় লক্ষ্য। মুসলমানদের বিরুদ্ধে ইহুদি ও খ্রিষ্টধর্মের পোশাকধারী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর নব্য ক্রুসেড মোকাবেলার জন্য মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ করা এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম বা প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ইসলামী শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্যও এ দিবস কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

কুদস অর্থ পবিত্র। ‘আল কুদস’ বলতে বোঝায় ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে পবিত্র ভূমিতে অবস্থিত পবিত্র মসজিদ, যা মসজিদুল আকসা বা ‘বায়তুল মুকাদ্দাস’ নামে পরিচিত। হজরত ইবরাহিম (আ.) কর্তৃক কাবাঘর নির্মাণের ৪০ বছর পর তাঁর ছেলে হজরত ইসহাক (আ.)-এর সন্তান হজরত ইয়াকুব (আ.) ফিলিস্তিনের জেরুজালেম নামক স্থানে ‘আল আকসা’ মসজিদটি নির্মাণ করেন। এরপর তাঁর ছেলে হজরত ইউসুফ (আ.)-এর বংশধর হজরত দাউদ (আ.)-এর সন্তান হজরত সুলায়মান (আ.) তা পুনর্নির্মাণ করেন। রমজান মাসের শেষ শুক্রবার জেরুজালেম নগর প্রতিষ্ঠা করেন।

আদিতে ‘কাবা’ কিবলা থাকলেও মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মুকাদ্দাস স্থাপনের পর এটি কিবলা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। আমাদের প্রিয় নবী (সা.) ওহি লাভ ও নবুওয়াত প্রকাশের সময় বায়তুল মুকাদ্দাসই কিবলা ছিল। মদিনায় হিজরতের প্রায় দেড় বছর পর এই কিবলা পরিবর্তন হয়ে পুনরায় কাবা কিবলা হিসেবে নির্ধারিত হয়। মদিনা থেকে মক্কা দক্ষিণ দিকে এবং বায়তুল মুকাদ্দাস উত্তর দিকে। নবীজি (সা.) সাহাবায়ে কিরামসহ জামাতে জোহরের নামাজে আদায়রত অবস্থায় কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ হয়। তখন নামাজ অবস্থায় নবীজি (সা.) ও সাহাবাগণ উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ঘুরে গিয়ে কাবামুখী হয়ে কিবলা পরিবর্তন করে নামাজ সম্পন্ন করলেন। মদিনা শরিফে মসজিদুল কিবলাতাইন বা দুই কিবলার মসজিদও রয়েছে। ঐতিহাসিক এই ঘটনাকে ‘তাহবিলে কিবলা’ বা কিবলা পরিবর্তন বলা হয়। (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ১৪২-১৫১)।

ইসলামের দ্বিতীয় কিবলা বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের প্রথম কিবলা হিসেবে পরিচিত হয়। হাদিসে আছে: ‘কাবা শরিফ তথা মসজিদুল হারামে নামাজে এক লক্ষ গুণ সওয়াব, মদিনা শরিফে মসজিদে নববীতে নামাজে পঞ্চাশ হাজার গুণ সওয়াব, বায়তুল মুকাদ্দাসে নামাজে পঁচিশ হাজার গুণ সওয়াব।’

বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের কাছে সব সময় সম্মানিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) মিরাজ রজনীতে মসজিদুল হারাম তথা কাবা শরিফ থেকে মসজিদুল আকসা তথা বায়তুল মুকাদ্দাস প্রথম সফর করেন, যা ইসরা নামে পরিচিত। (সুরা-১৭ বনী ইসরাইল, আয়াত: ১)। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.) মিরাজ গমনের সময় এই মসজিদে নামাজ আদায় করেন। এ এলাকা অসংখ্য নবী–রাসুলের স্মৃতিবিজড়িত, এর আশপাশে অনেক নবী–রাসুলের সমাধি রয়েছে। এটি দীর্ঘকালের ওহি অবতরণের স্থল, ইসলামের কেন্দ্র এবং ইসলামি সংস্কৃতির চারণভূমি ও ইসলাম প্রচারের লালনক্ষেত্র। এই পবিত্র ভূমির ভালোবাসা প্রত্যেক মোমিনের হৃদয়ের গভীরে প্রোথিত।

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, হজরত আদম (আ.) মক্কায় কাবাঘর নির্মাণের চল্লিশ বছর পর বায়তুল মুকাদ্দাসে মসজিদুল আকসা নির্মাণ করেন, অতঃপর হজরত সুলায়মান (আ.) বায়তুল মুকাদ্দাসের এ পবিত্র মসজিদের পুনঃনির্মাণ করেন। কিন্তু বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহে ওই মসজিদ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের অধিকারে আসে এবং পরবর্তীকালে ওই পবিত্র স্থান আবাদ করে সেখানে মসজিদুল আকসা ও কুব্বাতুস সাখরাহসহ (মসজিদ) বিভিন্ন স্থাপনা নির্মিত হয়। ১০৯৬ খ্রিস্টাব্দে ইউরোপের ক্রুসেডার খ্রিস্টানরা সমগ্র সিরিয়া ও ফিলিস্তিন দখল করে নেয়ার পর বায়তুল মুকাদ্দাসের বিভিন্ন ইসলামী স্থাপনায় পরিবর্তন করে, বিশেষ করে মসজিদুল আকসাকে গির্জায় পরিণত করে।

এরপর ১১৮৭ খ্রিস্টাব্দে সালাহ উদ্দীন আইয়ুবি বায়তুল মুকাদ্দাস শহরকে আবারও মুসলমানদের অধিকারে নিয়ে আসেন। অবশেষে ব্রিটিশ সরকার ফিলিস্তিনকে আরব ও ইহুদিদের মধ্যে ভাগ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে- ফলে ১৯৪৮ সালের ১৫ মে ফিলিস্তিনে ইহুদিবাদী অবৈধ ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভের পর ইহুদিরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং মুসলমানদের কচুকাটা করতে থাকে। তাদের অত্যাচারে জর্জরিত আরবরা জীবন বাঁচাতে দলে দলে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়।

তা সত্ত্বেও তখনও বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের দখলে ছিল। কিন্তু আরবদের দুর্বলতার মুখে ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধে তা মুসলমানদের হাতছাড়া হয়ে যায়। ফিলিস্তিনের নির্যাতিত জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তাদের আবাসভূমি ও আল-কুদস (বায়তুল মুকাদ্দাস) উদ্ধারের জন্য রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম চালিয়ে যেতে থাকে। তাদের সংগ্রামে দিশেহারা হয়ে ইহুদিবাদী ইসরাইল ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যে ভাঙন ধরানোর জন্য ফিলিস্তিনের একটি ক্ষুদ্র অংশে সীমিত স্বায়ত্তশাসনের কথা বলে কিছুসংখ্যক নেতাকে আপসকামী ভূমিকায় নিয়ে আসে।

তথাকথিত শান্তি আলোচনার সুযোগে তারা একে একে ফিলিস্তিনের প্রকৃত সংগ্রামী নেতাদের হত্যা করে চলেছে এবং ফিলিস্তিনের নতুন নতুন এলাকা দখল করে ইহুদি বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে, এমনকি ফিলিস্তিনে মানবিক ত্রাণসহায়তা পৌঁছাতে পর্যন্ত বাধা দিচ্ছে। এ ধরনের অমানবিক কার্যক্রম তারা এখনও অব্যাহত রেখেছে। এছাড়া তারা ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে বারবার বিমান হামলা চালিয়ে নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ এ পর্যন্ত কয়েক হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে এবং হাজার হাজার বাড়িঘর, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতাল ধ্বংস করেছে।

ইহুদিদের ষড়যন্ত্র ও ধ্বংসলীলা আজ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সীমাবদ্ধ নেই। সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে সিরিয়া, ইরাক, ইয়ামেন, লিবিয়া, বাহরাইনসহ গোটা আরব বিশ্বে মুসলিম দেশগুলোর জায়নবাদী আগ্রাসন ছড়িয়ে পড়েছে। জায়নবাদী ষড়যন্ত্রের ফাঁদে কোনো কোনো মুসলিম শাসক পতিত হয়েছেন। ফলে লাখ লাখ মুসলিম হত্যার শিকার হয়েছে। কোটি মুসলিম নিজ বাড়িঘর থেকে বিতাড়িত হয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে এবং সেখানে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেকে সাগরে ডুবে মরছে। আবার বোমা মেরে বিভিন্ন স্থাপত্যশিল্প মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে।

মূলত পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস তথা আল কুদসের মুক্তি ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সংগ্রামকে সমূলে বিনাশ করার জন্যই ইসরাইলের জন্মদাতা ব্রিটিশ, আমেরিকা এবং ইহুদিদের বন্ধু কতিপয় আরব রাষ্ট্র এক মহাষড়যন্ত্রের খেলায় মাঠে নেমেছে। তাই আজ বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং এ নতুন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। সবাইকে জানিয়ে দিতে হবে, ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলের কবল থেকে আল কুদস আল শরিফের মুক্তি এবং স্বাধীন সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির একমাত্র পথ।

মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে ১৯৭৮ সালে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে অধিকৃত ফিলিস্তিন ও এর নিপীড়িত ও বাস্তচ্যুত জনগণের অবস্থা আগের চেয়ে আরও কঠিন হয়ে পড়ে। মিশর ছাড়াও আরও কয়েকটি আরব ও ইসলামি দেশের মধ্যে ইহুদিবাদী ইসরাইলকে মোকাবিলার নীতিতে পরিবর্তন আসে এবং তারা ইসরাইলের সাথে আপোষকামী নীতি গ্রহণ করে। এই পরিস্থিতি ইহুদিবাদী ইসরাইলের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইসলামি বিশ্ব ও মুসলিম জাতিগুলোর ঐক্য ও সংহতিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে এবং ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইসলামি সরকারগুলোর মধ্যে বিভেদ ও বিভক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রকৃতপক্ষে এই পরিস্থিতি ও সময়টুকুতে ইসরাইলই ময়দানে বেপরোয়া ভাবে আবির্ভূত হয় এবং তারা নিজেদের অস্তিত্বকে বৈধতা দেয়ার নিমিত্তে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাজনৈতিক আগ্রাসনের সূচনা করে।

কিন্তু ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের বিজয় ফিলিস্তিন ইস্যুর পরিবর্তন প্রক্রিয়ায় একটি টার্নিং পয়েন্ট হয়ে ওঠে এবং ইরানের বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনী দখলদার ইহুদীবাদী সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের পতাকা উড্ডীন করেন এবং কুদস শরীফ ও ফিলিস্তিনের ইসলামি ও পবিত্র ভূমির মুক্তির বিস্মৃত লক্ষ্য ও আদর্শকে পুনরুজ্জীবিত করেন। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং এ বিপ্লবের মহান নেতা হজরত ইমাম খোমেইনি (রহ.) মসজিদুল আকসাসহ সমগ্র ফিলিস্তিনের মুক্তির লক্ষ্যে মুসলিম উম্মাহকে প্রতিবছর রমজানের শেষ শুক্রবারকে ‘আল-কুদস দিবস’ হিসেবে পালনের জন্য আহ্বান জানান এবং সেই থেকে প্রতিবছর বিশ্বে এ দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এ আহ্বানের আবেদনকে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে সমুন্নত রাখতে হবে। সেই থেকে সারা বিশ্বে দিনটি ফিলিস্তিন মুক্তির ও বিশ্ব মুসলিম ঐক্যের প্রতীকরূপে পালন করে থাকে। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণ শুরু থেকে বাংলাদেশ ফিলিস্তিন মুক্তির পক্ষে ছিল, এখনো আছে। বাংলাদেশ ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। এমনকি নতুন স্বাধীন বাংলাদেশকে ইসরায়েল প্রথম স্বীকৃতি দিলেও বাংলাদেশ তা গ্রহণ করেনি। কারণ, বাংলাদেশ ইসরায়েলকে বৈধ রাষ্ট্র মনে করে না।

চলতি বছর বিশ্বজুড়ে দিনটি এমন এক সময় ‘আল-কুদস’ দিবস পালিত হতে যাচ্ছে যখন ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইহুদিবাদী ইসরায়েলের গণহত্যার চালাচ্ছে, যখন ফিরিস্তিনি জনগনের পক্ষে ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের শক্তিশালী সমর্থক ইরানের উপর চলছে ইঙ্গ-মার্কিন আগ্রাসন। যে আগ্রাসনে শাহাদাত বরণ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ও স্বাধীন ফিলিস্থিন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেরত বীর মুজাহিদদের অনুপ্রেরনা উৎস আয়তুল্লাহ আলী খোমেনি।

মুসলিম বিশ্ব এই ‘আল-কুদস’ দিবসে শপথ গ্রহন করুন ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে গড়ে উঠুক বৃহত্তর-লৌহ কঠিন ঐক্য। বিশ্বজুড়ে জনগণ ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির মাধ্যমে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হোক। আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে ইরানের জয় হোক। আল-কুদুস দিবস বিশ্ব শান্তির প্রধান অন্তরায় ইসরাইলের প্রতি বিশ্ব মুসলমানের ঘৃণা প্রকাশের মাধ্যমে পরিণত হোক।

Previous Post

বন্ধুত্বের গর্ব, সাফল্যের উদযাপন—শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এমপি-কে ঘিরে এক আনন্দঘন সন্ধ্যা

Next Post

আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবসে খোয়াই সুতাংসহ হবিগঞ্জের সকল নদ-নদী দখল দূষনের কবল থেকে রক্ষার দাবী

Next Post
আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবসে খোয়াই সুতাংসহ হবিগঞ্জের সকল নদ-নদী দখল দূষনের কবল থেকে রক্ষার দাবী

আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবসে খোয়াই সুতাংসহ হবিগঞ্জের সকল নদ-নদী দখল দূষনের কবল থেকে রক্ষার দাবী

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল : ruposhibd71@gmail.com

info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নির্বাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), 

Publisher and Editor

Gautam Kumar Edbor
www.ruposhibangla.com
www. asomoy.com

FB Page:ruposhibangla71

Youtube :Ruposhibangla71

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.