• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

আল-কুরআন বিজ্ঞান ও রমজান

admin by admin
March 1, 2026
in অন্যান্য
0
আল-কুরআন বিজ্ঞান ও রমজান

RelatedPosts

পকেট খালি? মেনে চলুন টাকা সঞ্চয়ের এই টিপসগুলো

আস্থার সংকটে রাষ্ট্র অনিশ্চয়তার বৃত্তে জনজীবন : কবি মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে সড়ক নিরাপত্তা কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ অপরিহার্য : লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

*লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল *
আল-কুরআন মহান আল্লাহ্ তা’আলার বাণী। মানব জাতির হিদায়াতের জন্য আল্লাহর নিকট থেকে অবতীর্ণ আসমানী গ্রন্থসমূহের মধ্যে আল-কুরআন সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। কুরআনের পূর্ববর্তী সকল আসমানী কিতাবের সারবস্তু এবং পৃথিবীর সকল জ্ঞান-বিজ্ঞান তার মধ্যে সন্নিবিষ্ট আছে বলেই তাকে কুরআন বলা হয়। কুরআনের অপর একটি নাম আল-হাকীম অর্থাৎ জ্ঞান ভান্ডার। মানুষের প্রয়োজনীয় এমন কোন বিষয় নেই, যা এই কুরআনে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। আল্লাহ তা’আলা স্বয়ং আল-কুরআনকে ৫৫টি নামে পরিচিহ্নিত করেছেন। প্রত্যেকটি নামের মধ্যেই এই কিতাবের গুণাবলী, অনন্যতা ও শ্রেষ্ঠত্বের কথা তুলে ধরা হয়েছে। উল্লেখিত এসব নামের মধ্যে আল্লাহ্ তা’আলা কুরআন মাজীদকে হাকিম(বিজ্ঞানময় বা জ্ঞানভান্ডার)
ফোরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী), আয্যিকর (উপদেশ) আন্নূর (জ্যোতি) প্রভৃতি নামে সম্বোধন করেছেন। এক কথায়, আল-কুরআন হচ্ছে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ মানবজাতির হিদায়াতের মহাগ্রন্থ। বিজ্ঞান যেহেতু মানবীর তৎপরতা ও মানবজাতির অগ্রগতির জন্য আল্লাহ্ তা’আলা প্রদত্ত একটি বিশেষ জ্ঞান, তাই কুরআনের প্রায় সর্বত্রই জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সৃষ্টিতত্ত্ব, প্রকৃতি পরিবর্তন, বিবর্তন ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। অথচ অজ্ঞতার কারণে অনেকেই বিজ্ঞানকে ধর্মীয় বিষয়ের অঙ্গীভূত বলে মনে করতে চান না। বিজ্ঞানের যতই উৎকর্য সাধিত হচ্ছে আল্লাহ্ তা’আলার পরিচয় ও তাঁর সৃষ্টি রহস্যের সূক্ষাতিসূক্ষ বিন্যাস ও কৌশলের সাথে পরিচিত হয়ে মানুষ ততই আল্লাহর দ্বীনের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে।
বর্তমান সময়কে বলা হয় বিজ্ঞানের উৎকর্যের যুগ। বিজ্ঞানকে জানা মানে আল্লাহ্ ও তাঁর সৃষ্টি সম্পর্কে জানা, আল্লাহ্র সৃষ্টি রহস্যের সাথে পরিচিত হওয়া, আল্লাহর দেয়া বিশেষ জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে বিশ্ব প্রকৃতি ও মানবতার কল্যাণ সাধন করা। এ যুগের তরুণ প্রজন্ম বিজ্ঞান প্রযুক্তির আবহে বেড়ে উঠছে, ফলে তরুণ প্রজন্মকে অবশ্যই জানতে হবে যে, মহাগ্রন্থ আল-কুরআন হচ্ছে আল্লাহর নিয়ামত, দিক-নির্দেশনা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের এক অনন্ত ভান্ডার, তাহলে তারাই সর্বাগ্রে আঁকড়ে ধরবে এই পবিত্র কুরআনকে এবং এর আলোয় আলোকিত হয়ে উঠবে তাদের মেধা ও মনন। অন্যথায় তারা হবে বিভ্রান্ত। পবিত্র কুরআনের মোট আয়াত সংখ্যার মধ্যে প্রায় এক-অষ্টমাংশই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে নিবেদিত হয়েছে। কুরআন আক্ষরিক অর্থে কোন বিজ্ঞান গ্রন্থ নয়, কাজেই বিজ্ঞানের সকল নীতিই এর মধ্যে হুবহু সন্নিবিষ্ট পাওয়া যাবে এমন আশা করা যেতে পারে না। তবে প্রকৃত ঘটনা ও বিজ্ঞানের সূত্র নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে কুরআনের নিজস্ব ভঙ্গিমা রয়েছে। এটি বৈজ্ঞানিক সূত্রসমূহের মূল প্রতিপাদ্য তুলে ধরে এবং বেশ কিছু ঘটনা বা সত্য সম্পর্কে ইঙ্গিত ধর্মী বক্তব্য প্রদান করে। যাতে থাকে সর্বোচ্চ সংখ্যক সূত্রসমূহ সম্পর্কে পরিষ্কার ইঙ্গিত। কুরআনের একটা বক্তব্য কোন একটা নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক বিষয়ে ব্যাপক কথা তুলে ধরে।
একটি দৃষ্টান্ত বিষয় স্পষ্ট করে তুলতে পারে। আল্লাহর পবিত্র কুরআনে বলেন “আমি কোন কিছুই অযথা সৃষ্টি করি নাই”। এই যে ঘোষণা, প্রকৃতপক্ষে এটি একজন আধুনিক পরিবেশ বিজ্ঞানীর সর্বপ্রথম মৌলিক বিশ্বাসের বিষয়বস্তু, যিনি উপলব্ধি করেন এই মাহবিশ্বের একটা সূক্ষ ব্যবস্থাপনা রয়েছে যাতে আমাদের বিঘ্ন সৃষ্টি করা উচিত নয়।
পৃথিবীতে প্রায় ৩ কোটি প্রকারের জীবদেহ রয়েছে। এ পর্যন্ত মাত্র ৫০ লক্ষের উপর গবেষণা সম্পন্ন হয়েছে। এ সকল জীবদেহের অনেকগুলোরই কার্যগত উপযোগিতা কী তা আমরা জানি না। অবশ্য অনেক সময়ই দেখা গেছে, এ সকল জীবদেহের জীবনধারায় মানুষ বিঘ্ন সৃষ্টি করে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমনকি আমরা যদি নাও জানি কোন বিশেষ প্রজাতির জীবদেহের কাজ কী, তবুও এটি যাতে টিকে থাকতে পারে সেদিকে আমাদের সর্বাধিক দৃষ্টি রাখতে হবে। কারণ এই প্রজাতি বিলুপ্ত বা উচ্ছেদ হলে তা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। ফলে দেখা যায় যে, পরিবেশ বা বাস্তুসংস্থান বিজ্ঞানের পরিপূর্ণ ভিত্তি কুরআনের এই ঘোষণা ব্যতীত আর কিছু নয় যে, কোন কিছুই অযথা সৃষ্টি করা হয়নি। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে যে, “তিনিই সেই সত্তা যিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছেন এবং তাদেরকে বিন্যাস করেছেন সঠিক অনুপাতে”। সূরা “আল-মু’মিনূন”-এ ভ্রুণ স্তর থেকে ধাপে ধাপে মানব শিশু কিভাবে বেড়ে পূর্ণাঙ্গ মানবে পরিণত হয় তার উল্লেখ রয়েছে। এ সকল ধাপের কথা আল-কুরআনে বলা হয়েছে ৭ম খ্রিষ্টাব্দে যখন ভ্রুণতত্ত্ব বিজ্ঞানের উদ্ভাবনই ঘটেনি। ভ্রুণতত্ত্ব বিজ্ঞানের শাখা গড়ে উঠেছে মাত্র ১০০ বছর হয়েছে। পবিত্র কুরআনে উল্লেখিত মানব ভ্রুণের ধাপে ধাপে বৃদ্ধির বিষয়টি মাত্র সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে। আল্লাহ্ মানুষকে তাঁর সৃষ্টি এবং এর উন্নয়ন সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করতে বলেছেন, যেন মানুষ জীববিদ্যার গভীরে প্রবেশ করতে পারে এবং জীবনের রহস্য উন্মোচন করতে পারে। আমরা যাকে সৃষ্টিজগৎ বলে থাকি, তা আল্লাহরই এক প্রকার স্মারকচিহ্ন বা নিদর্শন। বিজ্ঞান মানুষকে এই স্মারকচিহ্নই বুঝতে সাহায্য করে। সাধারণভাবে জ্ঞান এবং বিশেষভাবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অবশ্যই ধর্মের সাথে সাথেই চর্চা করতে হবে। বস্তুত কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী বিজ্ঞান অন্যান্য মানবিক কর্মতৎপরতার মতই ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। যেখানে বিজ্ঞান আমাদেরকে শিক্ষা দেয় কীভাবে প্রকৃতি কাজ করে এবং এই শিক্ষা আমাদের প্রয়োজন পূরণের জন্য উৎপন্ন দ্রব্য ও প্রক্রিয়া কাজে লাগাতে সক্ষম করে। তেমনি ধর্ম আমাদেরকে শিক্ষা দেয় সেই সকল মূল্যবোধ যা আল্লাহ্ আমাদেরকে চর্চা করতে বলেন যাতে জীবনের মূল্যবোধ ও উপযোগিতার দিকগুলো সুসমন্বিতভাবে সংমিশ্রণ ঘটানো যায়। কাজেই বলা যায় যে, বিজ্ঞান ও ধর্ম উভয়ই প্রয়োজন। বিজ্ঞান বস্তুগত জ্ঞান দান করে, ধর্ম সেই জ্ঞানকে ব্যবহারের মূল্যবোধ শিক্ষা দেয়। ধর্ম মানুষকে আহ্বান জানায় সৃষ্টিজগৎ ও স্রষ্ট্রা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতে। বিজ্ঞান সৃষ্টিকে বুঝার মত জ্ঞান দান করে এবং সৃষ্টিই স্রষ্টার নিদর্শন হিসেবে কাজ করে। বিজ্ঞান ও ধর্মের মধ্যে সত্যিকার অর্থে কোন বিরোধ নেই। মূলতঃ আল-কুরআন ও বিজ্ঞানের মধ্যেও কোন বিরোধ নেই। তবে পবিত্র কুরআন আল্লাহর বাণী, অপরিবর্তনশীল ও সংরক্ষিত। আর মানুষের গবেষণা ও অক্লান্ত অনুশীলনের ফলে গড়ে উঠেছে বিজ্ঞান, বিজ্ঞান পরিবর্তনশীল। বিজ্ঞানসহ মানবজীবনের সকল কর্মতৎপরতাই আল-কুরআনের আওতাভুক্ত।

পবিত্র রমজান মাসে মানবজাতির পথনির্দেশক গ্রন্থ কুরআন নাজিল হয়েছে, যা কেবল ধর্মীয় বিধান নয়, জ্ঞান, চিন্তা ও অনুধ্যানেরও আহ্বান জানায়। রমজান, কুরআন ও বিজ্ঞান এই তিনটি বিষয় আলাদা মনে হলেও গভীরে গেলে দেখা যায়, এদের মধ্যে একটি বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক সেতুবন্ধন রয়েছে। রমজান মানুষকে সংযম শেখায়, কুরআন চিন্তার দিশা দেয়, আর বিজ্ঞান সেই চিন্তাকে পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করার পদ্ধতি শেখায়।
কুরআনের প্রথম ওহি ছিল “ইকরা” বা পড়ো। এটি কেবল পাঠ করার নির্দেশ নয়; বরং জ্ঞানার্জনের প্রতি একটি মৌলিক আহ্বান। কুরআন বারবার মানুষকে চিন্তা করতে, পর্যবেক্ষণ করতে, প্রকৃতির নিদর্শন নিয়ে ভাবতে উৎসাহ দেয়। আকাশ, পৃথিবী, দিন-রাতের পরিবর্তন, বৃষ্টি, উদ্ভিদের জন্ম এসবকে নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পদ্ধতি বিজ্ঞানমনস্কতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, কারণ বিজ্ঞান ও প্রকৃতিকে পর্যবেক্ষণ করে নিয়ম খুঁজে বের করে।
কুরআনে মহাবিশ্বের সৃষ্টির কথা, আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর গঠন, বৃষ্টি চক্র, ভ্রূণের বিকাশ ইত্যাদি প্রসঙ্গ এসেছে। অনেক চিন্তাবিদ মনে করেন, এসব আয়াতে আধুনিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ইঙ্গিত রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, মহাবিশ্বের প্রসারণ ধারণাটি আধুনিক কসমোলজিতে সুপ্রতিষ্ঠিত। আবার ভ্রূণতত্ত্বের কিছু ধাপের বর্ণনাও কুরআনে পাওয়া যায়।
তবে এখানে ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। কুরআন মূলত হিদায়াতের গ্রন্থ, বিজ্ঞানের পাঠ্যবই নয়। তাই বৈজ্ঞানিক তত্ত্বকে জোর করে আয়াতের সঙ্গে মেলানোর চেষ্টা করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি কুরআনের জ্ঞানচর্চার আহ্বানকে উপেক্ষা করাও সমীচীন নয়। কুরআনের ভাষা অনেক সময় রূপকধর্মী, যা মানুষের বোধগম্যতার পরিসরে কথা বলে। বিজ্ঞান সেই বাস্তবতাকে পরীক্ষণযোগ্য ভাষায় বিশ্লেষণ করে।
রমজান কেবল ব্যক্তিগত ইবাদতের মাস নয়; এটি সামাজিক রূপান্তরের সময়ও। যাকাত ও ফিতরার মাধ্যমে সম্পদের পুনর্বণ্টন ঘটে, যা সামাজিক বৈষম্য কমাতে সহায়ক। অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একই সঙ্গে ইফতার ও তারাবির মতো সমষ্টিগত আয়োজন সামাজিক পুঁজিকে শক্তিশালী করে। এ ধরনের আচার-অনুষ্ঠান সামাজিক বন্ধন ও আস্থাকে বৃদ্ধি করে।
অনেকে মনে করেন, বিজ্ঞান ও ধর্ম পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু ইতিহাসে দেখা যায়, বহু বিজ্ঞানী গভীর ধর্ম বিশ্বাসী ছিলেন। ইসলামের স্বর্ণযুগে গণিত, চিকিৎসা, রসায়ন ও জ্যোতির্বিজ্ঞানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছিল। তখন কুরআনের অনুপ্রেরণায় জ্ঞানচর্চা একটি ইবাদত হিসেবে বিবেচিত হতো। জ্ঞানকে আল্লাহর সৃষ্ট জগতের রহস্য উন্মোচনের উপায় হিসেবে দেখা হতো।
রমজান সেই জ্ঞানচর্চার মানসিক প্রস্তুতি তৈরি করে। সংযম ও আত্মনিয়ন্ত্রণ মনকে স্থির করে, চিন্তাকে গভীর করে। কুরআন তিলাওয়াত ও ধ্যান মানুষকে প্রশ্ন করতে শেখায় আমি কে, কোথা থেকে এলাম, সৃষ্টিজগতের নিয়ম কী। বিজ্ঞান সেই প্রশ্নের পরীক্ষণযোগ্য উত্তর খোঁজে।
রমজান, কুরআন ও বিজ্ঞান-এই তিনটি বিষয়কে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। রমজান মানুষকে শুদ্ধ করে, কুরআন দিকনির্দেশনা দেয়, আর বিজ্ঞান অনুসন্ধানের পদ্ধতি শেখায়। যখন এই তিনটি সমন্বিত হয়, তখন মানুষ কেবল ধার্মিকই নয়, জ্ঞানী ও দায়িত্বশীল নাগরিকও হয়ে ওঠে।
বর্তমান বিশ্বে প্রয়োজন এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি, যেখানে আধ্যাত্মিকতা ও যুক্তিবাদ পাশাপাশি চলে। রমজানের সংযম, কুরআনের চিন্তার আহ্বান এবং বিজ্ঞানের অনুসন্ধিৎসা এই তিনটির সমন্বয়ে একটি আলোকিত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

Previous Post

“রাজনৈতিক বিবেচনায় দায়েরকৃত গণ মামলায় আটক বুদ্ধিজীবি, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণী -পেশার নাগরিকদের বিনা বিচারে আটক থেকে মুক্তি এবং মামলা পূণ:মূল্যায়নের আহবান”

Next Post

১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান

Next Post
১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান

১৯৯১ সালের পর আবারও নরসিংদীর ৫ আসনে বিএনপির জয় : ড. মঈন খান

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল :  info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নিবাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- বাপ্পী এদবর

 

 

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.