• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

মানবাধিকারের ধর্ম ইসলাম

admin by admin
December 18, 2025
in অন্যান্য
0
মানবাধিকারের ধর্ম ইসলাম

RelatedPosts

বসন্ত এসে গেছে

জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে ইসলামী নীতি ও দৃষ্টিভঙ্গি

ইসলামে অন্যায় ও বিশ্বাসঘাতকতার শাস্তি


রুপসীবাংলা৭১ অন্যান্য ডেস্ক : ইসলামের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে—ইসলাম মানুষকে অধিকার আদায়ের চেয়ে অধিকার প্রদানের বিষয়ে বেশি উৎসাহিত করেছে। ইসলাম প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে গুরুত্বের সঙ্গে অন্যের হক ও অধিকার আদায়ের অনুভূতি জাগ্রত করে। কারণ কেয়ামতের দিন এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। আধুনিক যুগে প্রতিটি দেশ, জাতি ও সমাজে মানুষের মৌলিক অধিকার তথা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং চিকিৎসার অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে রাসুল (সা.)-এর ওপর অবতীর্ণ ঐশীগ্রন্থ আল কোরআনে এসব মৌলিক অধিকার সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য এসেছে। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী রিজিকের মালিক একমাত্র আল্লাহ। মানুষের কর্তব্য রিজিক অণ্বেষণ করা। রাষ্ট্র বা সমাজপতিদের দায়িত্ব সে বিষয়ে সহযোগিতা করা।

রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আগমন ঘটেছিল দুনিয়াবাসীকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে। মানব কল্যাণের মূর্ত প্রতীক ছিলেন রসুল (সা.)। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘(হে নবী)! নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সব কল্যাণ দান করেছি’ (সুরা কাওসার-১)। মানব জাতির সর্বস্তরে কল্যাণ নিশ্চিত করতে ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, অর্থনৈতিক জীবনসহ মানব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রসুল (সা.) মহান আল্লাহর কাছ থেকে মানব জাতির জন্য নিয়ে এসেছেন পূর্ণাঙ্গ ও কল্যাণকর জীবনাদর্শ।

কোরআন মানুষকে সত্য ও মিথ্যার মাঝে পার্থক্য করতে শেখায়। কোরআন মানুষকে কল্যাণ ও আলোর পথ দেখায়। মানুষের অধিকার আদায়ে সত্যের পক্ষে থেকে পাপাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়।

ইসলাম মানবাধিকারের সীমাকে এত প্রশস্ত করেছে যে, পুরো জীবন এর মাঝে এসে পড়ে। পিতা-মাতার হক, বন্ধুবান্ধবের হক, শ্রমিক-মালিক এবং শাসক ও জনগণের হক, সরকারের হক, শ্রমজীবী মানুষদের হক, দুর্বল ও অসহায়দের হক, সাধারণ মানুষের হক ইত্যাদি।

গভীরভাবে লক্ষ করলে দেখা যায়, বান্দার হক এবং আল্লাহর হক আদায় করার নামই হচ্ছে ইসলাম। মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় রসুল (সা.)-এর কাছে নাজিলকৃত আল কোরআনে আল্লাহর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বিধান এসেছে। যেমন- খাদ্য : পবিত্র কোরআনে ঘোষণা হচ্ছে, ‘পৃথিবীর প্রতিটি জীবের জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহ নিয়েছেন।’ (সুরা হুদ ৬)। বস্ত্র : আল কোরআনের ঘোষণা : ‘হে বনি আদম, আমি তোমাদের জন্য পোশাক অবতীর্ণ করেছি, যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে এবং অবতীর্ণ করেছি সাজসজ্জার বস্তু পরহেজগারির পোশাক। এটি উত্তম।’ (সুরা আরাফ : ২৬)। বাসস্থান : মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার বাসস্থান। আল কোরআনের ঘোষণা : ‘আল্লাহ করে দিয়েছেন তোমাদের ঘরকে অবস্থানের জায়গা এবং চতুষ্পদ জন্তুর চামড়া দ্বারা করেছেন তোমাদের জন্য তাঁবুর ব্যবস্থা।’ (সুরা আন নাহল : ৮০)। অন্য আয়াতে এসেছে, ‘আমি কি তোমাদের জন্য জমিনকে বিছানা করিনি?’ (সুরা নাবা ৬) শিক্ষা : কোরআনুল করিমের ঘোষণা : ‘পড় তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন’ (সুরা আলাক : ১-২)। চিকিৎসা : আল কোরআনে এসেছে, ‘আমি কোরআনে এমন বিষয় নাজিল করি, যা রোগের জন্য ওষুধ ও মুমিনের জন্য রহমত’ (সুরা বনি ইসরাইল : ৮২)। রসুল (সা.) মানুষের সুচিকিৎসায় উৎসাহিত করেছেন এবং উন্নত চিকিৎসার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। যেমন তিনি বলেন, ‘তোমরা জয়তুনের তেল ব্যবহার করো, কেননা এটা কল্যাণকর বৃক্ষ। রসুল (সা.) আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি মাসে তিন দিন সকালে মধু খাবে তার কোনো কঠিন ব্যাধি হবে না (ইবনে মাজাহ)। এমনিভাবে তিনি চিকিৎসার জন্য প্রাকৃতিক অনেক বস্তু যেমন আদা, কালিজিরা, খেজুর, দুধ ইত্যাদির উপকারিতা বর্ণনা করেছেন। নারীর কল্যাণ : আইয়ামে জাহেলিয়ায় কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করলে একে দুর্ভাগ্যের কারণ মনে করে কখনো কখনো হত্যা বা জীবন্ত মাটিচাপা দেওয়া হতো! কিন্তু রসুল (সা.) স্পষ্ট ঘোষণা দিলেন, কন্যাসন্তান দুর্ভাগ্যের নয় বরং সৌভাগ্যের। তাদের হত্যা করা যাবে না, অভাব-অনটন থাকা সত্ত্বেও কন্যাসন্তানকে উত্তমরূপে লালনপালন করলে তারা তার জন্য জাহান্নামের পথে আড়াল হয়ে (পিতা-মাতাকে) রক্ষা করবে (বুখারি ও মুসলিম, মিশকাত)। সামাজিক কল্যাণ : বিরাজমান ভেদাভেদ, পারস্পরিক বিদ্বেষ ও কলহকে চিরতরে দূরীভূত করার জন্য রসুল (সা.) সর্বোৎকৃষ্ট ভূমিকা রেখেছেন। যার দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় তাঁর গৃহীত বিভিন্ন সামাজিক চুক্তি বিশেষ করে মদিনা সনদে।

মানবসভ্যতার আবহমান কাল থেকেই এ কথা স্বীকৃত যে, অর্থই মানব জীবনের অন্যতম চালিকাশক্তি। তাই এ ব্যবস্থায় অকল্যাণকর কোনো কার্যক্রম মানব জীবনে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা আনবেই! যেমন সুদ, ঘুষ, অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ ইত্যাদি।

লেখক : ইসলামবিষয়ক গবেষক
রুপসীবাংলা৭১/এআর

Previous Post

হাদিকে হত্যাচেষ্টা: আদালতে জবানবন্দি দিলেন ফয়সালের বাবা-মা

Next Post

মহাবিশ্বের শুরুতে ‘ডাইনোসর’ আকারের বিশাল নক্ষত্র ছিল

Next Post
মহাবিশ্বের শুরুতে ‘ডাইনোসর’ আকারের বিশাল নক্ষত্র ছিল

মহাবিশ্বের শুরুতে ‘ডাইনোসর’ আকারের বিশাল নক্ষত্র ছিল

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল :  info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নিবাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- বাপ্পী এদবর

 

 

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.