নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আসন বিন্যাস বিষয়ে ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর স্মারক লিপি প্শরদান করা হয়। স্মরকলিপি প্রদানে ছিলেন- অধ্যক্ষ মোঃ মাইনুদ্দিন, উপাধ্যক্ষ মোঃ আবদুর রহমান, অধ্যক্ষ মোঃ বাইজিদ বোস্তামী, অধ্যক্ষ আবদুল গফুর মিয়া,অধ্যক্ষ ভারপ্রাপ্ত শ্রী গৌতম চন্দ্র সেন, মোঃ রাজিব কাজী প্রমুখ।
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার পুরানা পল্টন আজাদ সেন্টারে ভর্তিতে পূর্ন বিশ্বাসের দাবিতে অধ্যক্ষ মোঃ মাইন উদ্দিন এর সভাপতিত্বে উপাধ্যক্ষ মোঃ আবদুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা করেন অধ্যক্ষ মোঃ বাইজিদ বোস্তামী, অধ্যক্ষ আবদুল গফুর, গৌতম চন্দ্র সেন, মোঃ রাজীব কাজি, প্রমুখ বক্তারা বক্তব্য রাখেন এবং স্মরকলিপি দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন।

একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে যেমনভাবে-সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারিত আছে, তেমনভাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি সফটওয়্যার যুগোপযোগী করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি কলেজ, এমপিওভুক্ত কলেজ এবং পরবর্তী পর্যায়ে প্রাইভেট কলেজে সরকার কর্তৃক শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিতকরণ প্রসঙ্গে
উপর্যুক্ত বিষয়ে বিভিন্ন বোডের চেয়ারম্যান, ডিজি মহোদয়, শিক্ষা সচিব,শিক্ষা মন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি পেশ করেন।
স্মারকলিপিত যা ছিলো তা হুবাু তুলে ধরা হলো-
সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত জানাচ্ছেন যে, বাংলাদেশের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ সিংহভাগ শিক্ষা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে আসছে। বাংলাদেশের সাবেক তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সরকার মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে ২০০৫ সাল থেকে NTRCA প্রতিষ্ঠা করে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য পরীক্ষার মাধ্যমে ২০১৪ সাল পর্যন্ত নিবন্ধন সনদ প্রদান করেন এবং পরবর্তীতে ২০১৫ সাল থেকে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়। এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকার কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগ হওয়ায় সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগতমান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বর্তমানে দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান পার্ট টাইম শিক্ষক নিয়েগ দিয়ে যেমন ২,০০০ (দুই হাজার), ২,৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত), ৩,০০০ (তিন হাজার) জন শিক্ষার্থী ভর্তি করছে। শুধু তাই নয় অনেক প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত শাখা খুলে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি করছে। এর বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় অনেক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহে কাম্য সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে না। যার প্রভাবে অনেক এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগকৃত শিক্ষকদের এমপিও করানো যাচ্ছেনা। এমনকি কাম্য সংখ্যক শিক্ষার্থীর অভাবে প্রতিষ্ঠানের এমপিও-পর্যন্ত বন্ধ হওয়ার উপক্রম। বিশেষ করে উপজেলা ও গ্রামের কলেজগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে সরকার নিয়োগ দেন, শতভাগ বেতন দেন, শিক্ষা সরঞ্জামও দেন তাই সরকার প্রদত্ত সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের জন্য এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহে সক্ষমতা অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিতকরণে আশু পদক্ষেপ জরুরী প্রয়োজন।
এমতাবস্থায়, মহোদয় সমীপে বিনীত নিবেদন এই যে, একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে যেমনভাবে-সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারিত আছে, তেমনভাবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি সফটওয়্যার যুগোপযোগী করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি কলেজ, এমপিওভুক্ত কলেজ এবং পরবর্তী পর্যায়ে প্রাইভেট কলেজে সরকার কর্তৃক শিক্ষার্থী ভর্তি নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে মহোদয়ের মর্জি হয়।


