নিজস্ব প্রতিনিধি :
বিগত ২০২২ সালে সর্বশেষ নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির পরে বাদ পড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্তিতে চরম হতাশার সৃষ্টি হলে সম্মিলিত নন এমপিও ঐক্য পরিষদের ব্যানারে বাদপড়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংগঠিত করে বিগত সরকারের সময় আন্দোলন সংগ্রাম করলেও অন্যায় ভাবে তা আমলে নেওয়া হয় নাই। ২০২৪ এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরে বর্তমান সরকারের সময় এমপিওভুক্তির দাবিতে একযোগে সকল জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও শিক্ষা উপদেষ্টা বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান, মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসুচির মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে কোন কাজ না হলে রমজানের রোজ, কাফনের কাপড় পরে জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা ৩ বারে ৮৭ দিন লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালনের প্রেক্ষিতে সকল প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন ও ১৪ টি রাজনৈতিক দলের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকদের যৌথ উদ্যোগে মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টার সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে সরকার নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও প্রদানের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহন করে।
সাংবাদিক ভাইয়েরাঃ
উল্লেখিত পত্রিকায় এমপিও সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে সম্মিলিত নন এমপিও ঐক্য পরিষদ এর শিক্ষক নেতৃবৃন্দকে জড়িয়ে মিথ্যা, বানায়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
আমরা জানি, অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্তির কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেখানে কারও সাথে আর্থিক লেনেদেনের কোন সুযোগ নাই। একটি কুচক্রিমহল উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে এমপিও কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার হীন উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য সাংবাদিকদের কাছে সরবরাহ করে এমপিও বন্ধের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সম্মিলিত নন এমপিও ঐক্য পরিষদের সুনাম ক্ষুন্ন করা এবং এমপিও কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যে পরিকল্পিত ভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদপত্রগুলোকে বুভুক্ষ নন এমপিও শিক্ষকদের পাশে থেকে বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশ করে নির্বাচনের পূর্বেই এমপিওভুক্ত ঘোষনার পক্ষে রিপোর্ট করতে অনুরোধ করছি।
অদ্য ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ বিকাল ৩ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক প্রিন্সিপাল মোঃ সেলিম মিয়া। আরো উপস্থিত ছিলেন মূখ্য সমন্বয়ক অধ্যক্ষ দবিরুল ইসলাম, মূখ্য সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মোঃ নাজমুছ সাহাদাত আজাদী, সাংগঠনিক সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মোঃ মুনিমুল হক, যুগ্ম সাংগঠনিক সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মোঃ ইমরান বিন সোলাইমান, সমন্বয়ক অধ্যক্ষ সাজ্জাদ হোসেন, সমন্বয়ক অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম, সমন্বয়ক অধ্যক্ষ বাকী বিল্লাহ, সমন্বয়ক সুপার মোঃ ফরহাদ হোসেন বাবুল, সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মোঃ আবতাবুল আলম, সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুর রহমান, সমন্বয়ক প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর মোঃ এরশাদুল হক, সমন্বয়ক প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান বাবুল, সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মোঃ মিজানুল হক মামুন, সমন্বয়ক প্রভাষক মোঃ রায়হান কবির মিঠু, সমন্বয়ক প্রভাষক মোঃ মোবারক হোসেন, সমন্বয়ক প্রভাষক মোঃ হাবিবুল্লাহ, সমন্বয়ক প্রভাষক মোঃ গোলাম মোস্তফা, সমন্বয়ক সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ এনামুল হক ও সমন্বয়ক মোঃ জাহিদ হোসেন।

