• About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
Advertisement
ADVERTISEMENT
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
No Result
View All Result
Ruposhi Bangla 71 | Online news update in Every Minutes
No Result
View All Result

মুসলমানের ওপর অর্পিত দুই গুরুদায়িত্ব

admin by admin
November 27, 2025
in অন্যান্য
0
মুসলমানের ওপর অর্পিত দুই গুরুদায়িত্ব

RelatedPosts

পকেট খালি? মেনে চলুন টাকা সঞ্চয়ের এই টিপসগুলো

আস্থার সংকটে রাষ্ট্র অনিশ্চয়তার বৃত্তে জনজীবন : কবি মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে সড়ক নিরাপত্তা কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ অপরিহার্য : লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল


রুপসীবাংলা৭১ অন্যান্য ডেস্ক : ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ আল্লাহর পক্ষ থেকে কিয়ামত পর্যন্ত যুগ-যুগান্তরে, প্রজন্ম-প্রজন্মান্তরে এই উম্মত দ্বিনের কাজের ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত উম্মত’ হিসেবে বিভূষিত। (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১১০)

‘মধ্যপন্থী উম্মাহ’রূপে এই উম্মাহর পরিচয় বিঘোষিত হয়েছে কোরআন মাজিদে।

(সুরা : আল বাকারাহ, আয়াত : ১৪৩)

‘মনুষ্যকুলের সাক্ষী’—এই পদে অধিষ্ঠিত এই উম্মাহ।

(সুরা : আল বাকারাহ, আয়াত : ১৪৩)

নবীদের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে তাঁদের নিজ নিজ উম্মত যখন অভিযোগ তুলবে হাশরের ময়দানে তখন এই উম্মাহই এগিয়ে আসবে নবীদের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে।
এই উম্মাহর দায়িত্ব অপরিসীম।

নবী করিম (সা.) শেষ নবী, তাঁর পর আর নবী হয়ে আসবেন না কেউ। নবুয়তের সিলসিলা বন্ধ, তা আর উন্মোচিত হবে না কখনো; কিন্তু ‘কারে নবুয়ত’ বা নবীদের কাজ চলবে কিয়ামত পর্যন্ত। রাসুল (সা.)-এর ওয়ারিস (উত্তরাধিকারী) হিসেবে এই কাজ চালিয়ে যাবেন এই উম্মাহর উলামায়ে কেরাম।

আম্বিয়ায়ে কেরামের দায়িত্ব ছিল দুটি—‘হিফাজতে দ্বিন তথা দ্বিনের যথাযথ সংরক্ষণ এবং ‘তাবলিগে দ্বিন’ তথা দ্বিনকে সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া। আল্লাহপাকের পক্ষ থেকে যে দ্বিন, যে বিধি-বিধান নাজিল হয়েছে, নবী ও রাসুলরা তা সেভাবেই সংরক্ষণ করেছেন। একচুলও এদিক-সেদিক হতে দেননি। তাঁদের জীবদ্দশায় দ্বিনের মধ্যে কোনোরূপ তাহরিফ-তাবদিল, পরিবর্তন, পরিবর্ধন ঘটেনি, ঘটতে দেননি।
জান-মাল, ইজ্জত-আবরু সবকিছু দিয়ে তাঁরা নিজ নিজ যুগে এই দ্বিনকে রক্ষা করেছেন।

খতমে নবুয়তের তুফাইলে দ্বিন রক্ষার মহান দায়িত্ব এই উম্মাহর, বিশেষ করে এই উম্মাহর উলামায়ে কেরামের কাঁধে। আল্লাহপাক যেমন আবরাহার হামলা থেকে বায়তুল্লাহ শরিফ রক্ষার জন্য ছোট ছোট পাখির ঝাঁককে অসিলা হিসেবে কবুল করেছিলেন, তেমনি বড় মেহেরবানি করে নবীজি (সা.)-এর সদকায় দ্বিন রক্ষার মহান কাজে এই উম্মাহকে কবুল করেছেন। কিয়ামত পর্যন্ত সর্বযুগে এই উম্মাহর একদল থাকবে, যারা সর্বস্ব বিলিয়ে হলেও এই দ্বিনকে যথাযথভাবে রক্ষার আপ্রাণ প্রয়াস চালিয়ে যাবে। তাঁরা এই দ্বিনের সদাসতর্ক নির্ঘুম প্রহরী।

দ্বিনের কোনো একটা বিষয়, ফরজ থেকে নিয়ে মুস্তাহাব পর্যন্ত সবকিছু তাঁরা সেই পদ্ধতি, সেই স্তর, সেই মান রক্ষা করে যাবেন, যে মান, যে পদ্ধতি, যে স্তরে নবী (সা.) রেখে গিয়েছিলেন, যে স্তরে সাহাবি আমল করে দেখিয়ে গেছেন।

তেমনি দ্বিনের সীমানায় তাঁরা অনভিপ্রেত একটা সুতারও অনুপ্রবেশ ঘটতে দেননি। অবাঞ্ছিত কোনো কিছু ঢুকতে দেননি। দ্বিনের সুরতে কোনো বিদআত, কোনো কুসংস্কার তাতে প্রবেশ করতে দেননি। ইসলামের রঙে যত মোহময় কিছু প্রবঞ্চক-প্রতারকরা নিয়ে এসেছে, সবকিছু তাঁরা ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছেন। স্ত্রী-পুত্র-কন্যা, পরিবার-পরিজন, ধনসম্পদ, মানসম্মান সব লুটিয়ে দিয়েছেন; কিন্তু বর্ণচোরা ধর্ম ব্যবসায়ী লুটেরাদের দ্বিন লুটতে দেননি। উম্মাহর এই পবিত্র জামায়াতের পরিচয়ে নবী (সা.) ইরশাদ করে গিয়েছেন স্পষ্টভাবে—আমার উম্মতের একদল কিয়ামত পর্যন্ত হামেশা থাকবে, যারা প্রতিষ্ঠিত থাকবে, বিজয়ী থাকবে হকের ওপর, সত্যের ওপর। যারা তাদের বিরোধিতা করবে তারা কখনো তাদের ক্ষতি করতে পারবে না। (ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ, হাদিস : ১৯২০)

তাদের কাজ হবে—এক বর্ণনায় আছে, ‘এরা এই দ্বিন থেকে বিদূরিত করবে বাড়াবাড়িকারীদের বিকৃতি, বাতিলপন্থীদের মিথ্যারোপ এবং মূর্খদের মনগড়া ব্যাখ্যা।’

(আল বায়হাকি; আত-তাবরিজি, মিশকাত, হাদিস : ২৪৮)

ধর্মের ইতিহাসে দেখা যায়, ধর্মের নামে এই তিন ধরনের লোকই ধর্মকে ধ্বংস করে। বাড়াবাড়িকারীরা নিজেদের খাহেশ অনুসারে ধর্মের অনেক বিকৃতি সাধন করে থাকে। পরিণতিতে ধর্মের মূল রূপটিই হারিয়ে যায়।

এমনভাবে আরেক শ্রেণির লোক হলো ‘মুবতিলিন’ অর্থাৎ বাতিলপন্থীরা। এরা ধর্মের নামে নিজেদের স্বার্থে অনেক ধরনের বাতিল মতবাদ ও আচারের অনুপ্রবেশ ঘটায়। ইহুদিদের ইতিহাসের দিকে তাকালেই সবার সামনে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এরা মুসা (আ.)-এর আনীত দ্বিনে নানা মাত্রার বাতিল মতবাদ দিয়ে আকীর্ণ করে ফেলে। বনু ইসরাঈলের বহু নবী ও রাসুলের ওপর নানা বিষয় আরোপ করে কলুষিত করে ফেলে।

এভাবে মূর্খরা নিজেদের কুসংস্কারের পক্ষে নানা অবাস্তব মনগড়া ব্যাখ্যা এনে আত্মতৃপ্তি লাভ করতে প্রয়াসী হয়। কুরাইশরা কথায় কথায় বাপদাদাদের দোহাই দিয়ে ইবরাহিম (আ.)-এর সহজ-সরল ধর্ম ‘দ্বিনে হানিফ’-কে বিনষ্ট করে দেয়।

ইতিহাস সাক্ষী, এই উম্মাহর হকপন্থী আলিমরা বাড়াবাড়িকারীদের বিকৃতি সাধন, বাতিলপন্থীদের মিথ্যারোপ এবং অজ্ঞদের মনগড়া ব্যাখ্যা থেকে সর্বযুগে সর্বতোভাবে এই দ্বিনকে রক্ষা করেছেন। মজবুত কেল্লার সুদৃঢ় প্রাচীরের মতো তাঁরা দ্বিনকে সুরক্ষা দিয়েছেন। এই পথে তাঁদের হাজারো ঝড়ঝঞ্ঝা, শ্বাপদসংকুল জঙ্গম, তুফান-টাইফুন, কাঁটা বিছানো পিচ্ছিল ক্লেদাক্ত পথ হেলায় অতিক্রম করতে হয়েছে, লাঞ্ছনা-গঞ্জনা, অপমান-নির্যাতন সইতে হয়েছে, স্ত্রী-পুত্র-কন্যা পরিবার-পরিজন ছাড়তে হয়েছে, জন্মভূমির মায়া ত্যাগ করতে হয়েছে, জেলখানার নির্মম প্রকোষ্ঠ আর দেশান্তরের কঠোর নির্মমতার সম্মুখীন হতে হয়েছে, অনেক আপনজনের তিরস্কার ও বৈরিতা সহ্য করতে হয়েছে, চতুর্দিকের পৃথিবী তাঁদের জন্য সংকোচিত করে ফেলা হয়েছে, লোহার চিরুনি দিয়ে জ্যান্ত রেখে গায়ের গোশত খুবলে খুবলে তুলে ফেলেছে, ধারালো করাত দিয়ে দুই ফাঁক করে ফেলেছে, হাজারো জনের বিদ্রুপজ্বালায় অতিষ্ঠ হতে হয়েছে; কিন্তু কোনো কিছুর পরোয়া করেননি তাঁরা এক আল্লাহর সন্তুষ্টির দিকে চেয়ে, ‘লাওমাতা লাইম’ তথা নিন্দুকদের নিন্দাবাদের প্রতি বিন্দুমাত্র কর্ণপাত না করে নির্ভীক নিঃশঙ্ক চিত্তে জয়গান গেয়েছেন সত্যের, বাঙময় হয়েছেন হকের স্লোগানে স্লোগানে।

বুবকরি চেতনা [আবু বকর (রা.)-এর চেতনা]—‘আমি জীবিত থাকব আর দ্বিনের ক্ষেত্রে সামান্যতম ত্রুটি আসবে? না, তা হবে না, হতে দেব না’য় আপ্লুত ছিলেন তাঁরা। নবীজি (সা.) মহাপ্রভুর কাছে যাত্রার পরপরই সারা আরবজুড়ে শয়তানি শক্তি চগবগিয়ে ওঠে। কোথাও খতমে নবুয়তের বিরুদ্ধে ভণ্ড নবুয়তের দাবিদারদের শক্তির মহড়া, কোথাও জাকাত দিতে অস্বীকৃতির হুংকার : সঙ্গে কিসরা ও কায়সারের রক্তচক্ষু, মদিনা আক্রান্ত হওয়ার সমূহ আশঙ্কা; এদিকে নবী (সা.)-এর নিজের হাতে বেঁধে দেওয়া উসামা ইবন জায়দ (রা.)-এর বাহিনীর যাত্রাপেক্ষা; সাহাবিদের কেউ কেউ সদ্য নিযুক্ত খলিফাতুর রাসুল আবু বকর (রা.)-কে পরামর্শ দিলেন একটু রয়ে-সয়ে কাজ করার। কিন্তু কঠিন দার্য্য নিয়ে দৃঢ়পদ এই উম্মাহর পহেলাজন আবুবকর উদাত্ত জলদগম্ভীর স্লোগান দিলেন, ‘আ ইয়ানকুসুদ দ্বিন ওয়া আনা হায়্য’ অর্থাৎ দ্বিনের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হবে আর আমি জীবিত থাকব? তা হবে না, হতে পারে না। একটা উটের গলার রশিও যদি দিতে অস্বীকার করে, আমি আবু বকর বসে থাকব না। যদি শুনতে পাই, মা-বোনদের মদিনার পথে হেনস্তা করা হচ্ছে তবু আমি যে বাহিনী নবীজি (সা.) প্রস্তুত করে গিয়েছেন তা রুখব না। হৃদয় মথিত বুবকরি এই স্লোগানে সংবিৎ ফিরে পেল সবাই। ছড়িয়ে গেল চারদিকে এই প্রেরণাময়ী আওয়াজ। সবার কণ্ঠে একই সুর, ‘আ ইয়ানকুসুদ দ্বিন ওয়া আনা হায়্য।’

সব বাতিল শক্তিকে মিটিয়ে দিলেন আল্লাহপাক কয় দিনেই।

এই বুবকরি চেতনাই উম্মাহর রক্ষাকবচ। প্রথম শতাব্দী থেকে বর্তমান পর্যন্ত সর্বযুগে সর্বকালে মুজাদ্দিদিন, মুজতাহিদিন, মুহাদ্দিসিন ও মুজাহিদিন এই বুবকরি চেতনা ও স্লোগান নিয়েই জীবনব্যাপী সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন।

আমাদেরও একই চেতনায় হতে হবে আপ্লুত, একই স্লোগানে হতে হবে মুখরিত, ‘আ ইয়ানকুসুদ দ্বিন ওয়া আনা হায়্য,’ আমি জিন্দা থাকব আর দ্বিনে সামান্যতম নুকসান ঘটবে? হতে পারে না, হতে দেওয়া যায় না। অনেক দিন হলো আলস্য-ঘুমে কাটিয়ে দিয়েছ দিন, হে মুসলিম, আর কতকাল, আর কত দিন? জান্নাত হাতছানি দিয়ে ডাকছে তোমাকে ওই। এই উম্মাহর আরেকটি প্রধান দায়িত্ব হলো, সমাজকে ইতিবাচকভাবে গড়ে তোলা, সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-এর আঙ্গিকে গঠন করা। এই ক্ষেত্রে নবী (সা.) আল্লাহপাকের নির্দেশে কয়েকটি পন্থা অবলম্বন করেন। কোরআন মাজিদে ইরশাদ হয়েছে, ‘প্রথমত, তিলাওয়াত করে শোনান তাঁর (আল্লাহর) আয়াতগুলো..।’

(সুরা : আল জুমুআ, আয়াত : ২)

অর্থাৎ আল্লাহর কাছ থেকে যা কিছু লাভ করেছেন, তিনি উম্মতকে তা জ্ঞাত করেছেন। কিছুই গোপন করেননি। সব পৌঁছে গেছেন তিনি।

দ্বিতীয়ত, তিনি তাদের পরিশীলিত করেন, পরিশুদ্ধ করেন, শোধিত করেন।

(সুরা : আল জুমুআ, আয়াত : ২)

অর্থাৎ অন্তরকে সব আত্মিক ব্যাধি থেকে সুস্থ করে ‘মালাকৃতি’ গুণাবলিতে, ফেরেশতাসুলভ পবিত্রতায় সুসজ্জিত করেন। অন্তর পরিশুদ্ধ করেন।

তৃতীয় হলো, তাদের তিনি শিক্ষা দেন কিতাব আল কোরআন, আরো শিক্ষা দেন আল হিকমা ও সুন্নাহর। সুন্নাহর চেয়ে হিকমাহ সম্পন্ন ও প্রজ্ঞাময় আর কিছুই নেই। এই কিতাব ও সুন্নাহর শিক্ষায় তিনি উম্মতকে আলোকিত করেছেন, বিভূষিত করেছেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে নবী (সা.) পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্টতম সমাজ তৎকালীন আরব সমাজকে সবচেয়ে উত্কৃষ্টরূপে পরিগণিত করেছিলেন। যে সমাজের দৃষ্টান্ত কিয়ামত পর্যন্ত পৃথিবীর আর কেউ কখনো দেখাতে পারবে না।

এই উম্মাহর দায়িত্ব হলো সেই আলোকেই বর্তমান সমাজকে গড়ে তোলা। এ ছাড়া সমাজ গঠনের বিকল্প পথ নেই।

[লেখকের মিযাজে শরীআত গ্রন্থ থেকে (সংক্ষেপিত ও পরিমার্জিত)]

রুপসীবাংলা৭১

Previous Post

শেখ হাসিনার দুর্নীতি মামলার রায়কে ঘিরে আদালতে বিজিবি মোতায়েন

Next Post

মহাজাগতিক রেডিও ধাঁধার সমাধান দিল নতুন গবেষণা

Next Post
মহাজাগতিক রেডিও ধাঁধার সমাধান দিল নতুন গবেষণা

মহাজাগতিক রেডিও ধাঁধার সমাধান দিল নতুন গবেষণা

যোগাযোগ করুন :

ঠিকানা :  ১৫১,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা,বাংলাদেশ।

ফোন : +880 1916568675, 01685973164

ইমেইল :  info@ruposhibangla71.com

 
 
 

আমাদের সম্পর্কে :

সম্পাদক- গৌতম কুমার এদবর, নিবাহী সম্পাদক- মোঃ হারুন আর রশিদ, যুগ্ম সম্পাদক-নাজনীন সুলতানা (স্বপ্না), ব্যবস্থাপনা সম্পাদক- বাপ্পী এদবর

 

 

 

this site Developed by Super Bangla IT

No Result
View All Result
  • হোম
  • সম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা বাংলা
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • অন্যান্য
    • সংখ্যালঘু ডেক্স
    • আইন-আদালত
    • শিক্ষা-সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

© 2024 Ruposhibangla71.com and Website Developed by Super Bangla IT.