নিজস্ব প্রতিনিধি :বনানীস্থ বিআরটিএ সদর কার্যালয়ে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ নিয়ে বিআরটিএ আইন শাখা অংশীজনের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। আজ বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ অটোরিক্সা হালকাযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন (রেজি: নং-বি-২১৮১) কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে বিআরটিএ এর কর্তৃপক্ষের সাথে দীর্ঘ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বিআরটিএ এর পরিচালক, আইন (যুগ্ম সচিব)। সভায় বিআরটিএ এর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ অটোরিক্সা হালকাযান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে ফেডারেশনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসাইন, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম ফারুক, আবুল হোসেন, চট্টগ্রাম, এস এম সেলিম, ঢাকা, মোজাম্মেল হক বাবু, ঢাকা, মনির হোসেনসহ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বিভিন্ন ধারা নিয়ে শ্রমিক পক্ষ থেকে সংশোধনের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের উত্থাপিত সংশোধনী নীতিগতভাবে একমত পোষন করেন। তারা বলেছেন অন্যান্য অংশীজনের সাথে আলোচনা করে সকল সংশোধনী বিবেচনা করে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ যুগোপযোগী করা হবে। এব্যাপারে শ্রমিক পক্ষের উত্থাপিত বিশেষ কয়েকটি ধারা উল্লেখ্যযোগ্য। এর মধ্যে রয়েছেন আইন বাস্তবায়নে সরকারি বিভিন্ন তদারকি কমিটিতে যাত্রী ও পন্য পরিবহন খাতের সরকার নিবন্ধিত ট্রেড ইউনিয়ন (হালনাগাদ) ফেডারেশনসমূহের প্রতিনিধি অন্তর্ভূক্ত করা। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর সংশ্লিষ্ট সর্বশেষ গেজেট অনুসরণ করার দাবী জানান। সংশোধীত বিধান মোতাবেক যাত্রী ও পন্য পরিবহনের সকল ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন অন্তর্ভূক্ত করা। পরিবহন খাতে গঠিত ট্রাস্টি বোর্ড ও সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলে একই ভাবে সকল ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের প্রতিনিধিকে অন্তর্ভূক্ত করা। শ্রমিক প্রতিনিধিরা জোর দিয়ে বলেন নিরাপদ সড়ক আমরাও চাই। কোন চালক ইচ্ছাকৃত ভাবে দুর্ঘটনা ঘটায় না। কারণ এই পেশাই তার একমাত্র জীবিকা। নানা কারণে সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়। এর দায় পুরাটাই চালকের উপর বর্তানো অমানবিক ও মানবাধিকার পরিপন্থি। শ্রমিক নেতৃবৃন্দ বলেন ট্রাফিক আইন লঙ্গনজনিত অপরাধে আইনী জরিমানা থাকলেও এই আইনের অপব্যবহার হচ্ছে এবং চালকরা হয়রানীর স্বীকার হচ্ছে। ট্রাফিক আইন লঙ্গন সংক্রান্ত অপরাধ জরিমানা বিধান সংশোধন অত্যাবশ্যকীয়। এ ব্যাপারেও বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ সহমত পোষন করেন।

