সাংবাদিক আব্দুল গাফফার চৌধুরীর নামানুসারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি হলের নাম ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি হলের নাম রাখার আবেদনসিরাজউদ্দীন আহমেদ

0
70

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কালজয়ী একুশে গানের রচয়িতা সাংবাদিক, কলাম লেখক পলাশি থেকে ধানমন্ডি নাটকের লেখক ও পরিচালক বাংলার বিবেক বঙ্গবন্ধুর একান্ত আপনজন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গাফফার চৌধুরী গত ১৯ মে লন্ডনের এক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মরহুমের মৃত্যুতে বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ এক শোক সভার আয়োজন করেছে ৩০ মে ২০২২ বিকাল ৪ ঘটিকায় তোপখানা রোড, ক্যাফেঝিল হোটেল, ঢাকা।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল।আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দীন আহমেদ।আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন গণি মিয়া বাবুল।

আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান এম এ ভাসানী, তৃণমূল বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্কাছ আলী খান, বাংলাদেশ ন্যাপের সহ সভাপতি স্বপন কুমার সাহা, বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সাবেক ডেপুটি এটনী জেনারেল বাংলাদেশ এ্যাডভোকেট হারুনুর রশিদ, সুপ্রীমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল হক চাষী, বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টির সভাপতি সৈয়দ মোখলেসুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপকমিটির দপ্তর বিষয়ক সদস্য খন্দকার তারেক রায়হান, নাগরিক ফোরামের সভাপতি শহীদুন্নবী ডাবলু, বরিশাল বিভাগ সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের রোকন উদ্দিন পাঠান, বাংলাদেশ আওয়ামী সমবায় লীগের আমিনুর রহমান সগীর, বাংলাদেশ জাসদ নেতা হুমায়ুন কবির, কবি মির্জা সেলি, সাংবাদিক মিজান শাহজাহান ও মিসেস বানী, নারী নেত্রী এলিজা রহমান, বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সহ সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক সমির রঞ্জন দাস ও দপ্তর সম্পাদক কামাল হোসেন প্রমুখ।দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন বরিশাল বিভাগ সমিতির সহ সভাপতি আব্দুল আলিম খান।

প্রধান অতিথির ভাষনে সিরাজ উদ্দীন আহমেদ বলেন স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নেতৃত্ব দিয়ে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। আর এই বাঙালি জাতিকে সাংবাদিক আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী ভাষার গান অমর অকুশের গান রচনা করে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। সেই ঐক্যবদ্ধ জাতিকে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন করেছেন। আজ বাংলাদেশের রাজনীতির যেই গনঘটা সেই মুর্হুতে আব্দুল গাফফার চৌধুরী আমাদেরকে এতিম করে মৃত্যুবরণ করেন। তার জন্য বাঙালি জাতির যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ হওয়ার নয়।সিরাজউদ্দীন আহমেদ বলেন বিশ্বের দিক বিজয়ী হয়েছিলেন আলেকজান্ডার। আর গাফ্ফার চৌধুরী তার কলাম লেখনের মাধ্যমে বিশ্বকে জয় করেছিলেন।তিনি আরো বলেন আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠার জন্য গাফফার চৌধুরী বরিশাল জেলায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন।লায়ন গণি মিয়া বাবুল বলেন আজকের এই সভা থেকে আমাদের দাবী আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর প্রকাশিত সকল কলাম প্রবন্ধ, গান পুস্তক আকারে যদি প্রকাশ করতে পারি তাহলে কালজয়ী অমর একুশে গানের রচয়িতার প্রতি সম্মান দেখানো হবে।সভাপতির ভাষনে এম এ জলিল বলেন সাংবাদিক গাফফার চৌধুরীর মৃত্যুর পর আমরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে যা দেখতে পাই তা হলো স্বাধীনতা বিরোধীদের লালন পালনকারী বিএনপি সহ যারাই বাঙালি জাতিয়তাবাদ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ধারণ করে না তারা তাকে শ্রদ্ধা জানায় না। আজকে এই সভা থেকে আমাদের দাবী স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতিহত করার লক্ষ্যে স্বাধীনতার পক্ষের অসাম্প্রদায়িক মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন। তবেই স্বার্থক হবে গাফফার চৌধুরীর আদর্শ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে