পারিবারিক দৃঢ় বন্ধন আদর্শ সমাজ গঠনের পাথেয় ।

0
131

নিজস্ব প্রতিনিধিঃপরিবার হলো মানুষের সংঘবদ্ধ জীবন যাপনের এক বিশ্বজনীন রূপ। যার কারনে মানুষ সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে সামাজিকতা মানবিকতা আর মনুষ্যত্ব, মূল্যবোধ, বিবেক নিয়ে সমাজে বসবাস করে। তাঁরা ছাড়াও এই জগৎ সংসারের মাঝে আরও একটি পরিবার রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা মানুষের ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি, জীবনযাপন সব আলাদা হলেও সমগ্র মানবজাতি একটি বৃহৎ পরিবার যাঁরা একত্রিত হয়ে বিশাল শক্তিতে পরিণত হতে পারে ।

গত ১৫ মে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ কে কেন্দ্র করে আজ ২৩ মে ২০২২, সকাল ১১ টায় ‘ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্টের সম্মিলিত উদ্যোগে “যেখানে পরিবার, সেখানে ভালোবাসা” শীর্ষক আলোচনা  সভায় শীর্ষক একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর পরিচালক গাউস পিয়ারী’র সভাপতিত্বে এবং ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের বিভাগীয় প্রধান সৈয়দা অনন্যা রহমানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এইড ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক সাগুফতা সুলতানা, ইন্সাইট ইন্টারন্যশনাল স্কুলের শিক্ষিকা নাহিদ আক্তার, সমাজকর্মী আফরোজা বেগম ডেইজী, সমাজকর্মী সৈয়দা উক্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে তারা বলেন, সন্তানের মূল্যবোধ, চরিত্র, চেতনা ও বিশ্বাস  জন্ম নেয় পরিবার থেকেই।

পরিবার এমন একটি স্থান যেখানে প্রতিটি সদস্য তার চারিত্রিক গুণাবলি বিকশিত করার পর্যাপ্ত সুযোগ পায়। নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধের জায়গাটা পরিবার থেকে শিক্ষা দিতে হবে। পারিবারিক বন্ধন সেইসাথে অনুশাসন আমাদের জীবনকে সুশৃঙ্খল করে। আমরা যে যার কর্মস্থলে একঅর্থে তাও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবার এবং পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধের, সহমর্মিতা, নৈতিকতার শিক্ষার জায়গাটা শক্তিশালী করতে হবে। কিন্তু পর্যাপ্ত খেলাধূলার সুযোগ না পাওয়ায় শিশুদের মধ্যে কম্পিউটার- মোবাইলসহ বিভিন্ন ডিভাইসের প্রতি আসক্তি বেড়ে গেছে। এলাকাভিত্তিক খেলাধুলার  মাধ্যমে শিশুদের জন্য  সুযোগ  তৈরি হলে এ সমস্যা অনেকটাই সমাধান করা যাবে। পারিবারিক সম্পর্কের বন্ধন দৃঢ় করার পাশাপাশি এর নেয়াও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন,

বসবাসযোগ্য নগরীর কমিউনিকেশন অফিসার সানজিদা আক্তার, প্রকল্প কর্মকর্তা ডা. মিঠুন, প্রকল্প কর্মকর্তা প্রমা সাহা, ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিং বাংলাদেশের (আই ডাব্লিউ বি) পলিসি অফিসার আ.ন.ম মাসুম বিল্লাহ ভূঞা, (কনসালট্যান্ট সুমাইয়া তাবাস্সুম সুহী, কনসালট্যান্ট শাপলা খাতুন, পলিসি অফিসার রিফাত পাশা, স্বাস্থ্য অধিকার বিভাগের কৃষক বাজার প্রকল্পের মার্কেট সুপারভাইজার মো. খায়রুল আমিন ফিরোজ, মিঠুন আচার্য, মো.জিয়াউল হক, মোঃ শাহাদাত হোসেন তালুকদার এবং কৃষি বিশেষজ্ঞ মো. ইমরান মিয়া, মো. জনি মিয়া ও প্রজেক্ট  অফিসার রাফসান আহমদ এবং কমিউনিকেশন অফিসার আফরোজা বেগম। এলাকা ভিত্তিক পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত স্থানে ছোট সামাজিকীকরণের স্থান বা পকেট পার্ক গড়ে তোলা; ছাদবাগান, ছাদ কৃষি, নগর কৃষি ও সবুজায়নকে উৎসাহ প্রদান করাসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ  করার কথা বলেন ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে