চাকুরি হারাচ্ছেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের শতাধিক মাষ্টাররোল কর্মচারীবৃন্দ “অন্যদিকে স্বজনপ্রীতি দেখিয়ে যে নিয়োগ কার্যক্রম চলমান তা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

0
274

বাপ্পি এদবর ঃ২৩ এপ্রিল ২০২২ রোজ শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মুখে চাকুরি হারাচ্ছেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের শতাধিক মাষ্টাররোল কর্মচারীবৃন্দ “অন্যদিকে স্বজনপ্রীতি দেখিয়ে যে নিয়োগ কার্যক্রম চলমান তা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে প্রায় দেড় শতাধিক কর্মচারী দীর্ঘ ৫,১০,১৫ বছর যাৰ সৈনিক মজুরি ভিত্তিতে বা বিনা বেতনে কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহায়ক, হিসাব সহকারী, গাড়ী চালক সহ বিভিন্ন ত্বপূর্ণ পদে দেশের বিভিন্ন জেলা কার্যালয় ও অফিস সমূহে কর্মরত আছে। যারা পায়না। ঠিকমতো বেতন বা ঈদ সহ অন্যান্য উৎসবে বোনাস। জনবল সংকটের কারণে বিভিন্ন অফিসে এইভাবে তাদের কাজের সুযোগ দেওয়া হয়।

কর্মরত মাষ্টাররোলের কর্মচারীরা সকলেই যথেষ্ট শিক্ষিত ও কর্মদক্ষ। তাদের অধিকাংশেরই শিক্ষাগত যোগ্যতা অনার্স-মাস্টার্স পাস এবং কর্মরত পদের জন্য সুযোগ্য, দক্ষ ও অভিজ্ঞ। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে যখন তীব্র জনবল সংকটে সরকারের উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হচ্ছে তখন এই মার্চাররোল কর্মচারীরাই দত্তরের সকল কাজ দক্ষতার সাথে পরিচালনা করে আসছে। তারা আরও বলেন লোকবল সংকটের কারণে যেই কাজ দুই-তিন জন কর্মচারী মিলে করা কষ্টকর, সেই কাজ একজনে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে সম্পন্ন করেছে। তারা বলেন- আমাদের অফিসে আসার নির্দিষ্ট সময় আছে (সকাল ৯টা) কিন্তু অফিস থেকে বাসায় যাওয়ার নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। আমরা প্রায়ই প্রতিদিন রাত ১১-১২ টা পর্যন্ত অফিস করে আমাদের কাজ সম্পন্ন করি। বর্তমানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের দীর্ঘ দিনের জনবল সংকট নিরসনে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান। চাকুরির জন্য আমাদের অত্র দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সহ অন্যান্য স্যারনের সাথে যোগযোগ করলে তাঁরা নিয়োগ পরীক্ষার অজুহাত দেখিয়ে বলেন যে, আমাদের কিছু করার নাই। অথচ তারা মাষ্টাররোদের কর্মচারিদের চাকরি রাজস্ব খাতে স্থায়ীকরণ না করে দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি করে জনবল নিয়োগ নি ০৭ এপ্রিল ২০২২ তারিখের “বাংলাদেশ জার্নাল” পত্রিকায় এবং ১১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে “DBC News” টিভিতে উঠে এসেছে। কর্মরত দক্ষ জনবলকে বাদ রেখে টাকার বিনিময়ে দূর্নীতি করে অদক্ষ কর্মচারীদের এভাবেই নিয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করছে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এই বিষয়ে আরো খবর পাওয়া গেছে প্রধান কার্যালয়ের কয়েকজন মাষ্টারোলের কর্মচারীরা অসাধুভাবে চাকরি বিষয়ে সুবিধা পেয়েছেন। প্রধান কার্যালয়ের নাটাররোলের কর্মচারী মোঃ হাসিব সরাসরি নিয়োগ কার্যক্রমের সাথে জজড়িত এবং সে নিজেও অন্যান্যদের মতো একজন চাকরিপ্রার্থী। নিজে প্রশ্নপত্র টাইপসহ বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করায় হাসিব নিজে লিখিত পরিক্ষায় পাশ করেছে এবং তার আত্মীয়সহ যাদের সাথে তার ভালো সম্পর্ক তারাও পরিক্ষায় পাশ করেছে। অন্যদিকে এসব দুর্নীতির দায় এড়াতে নিয়োগ কার্যক্রমের সাথে জড়িত অনেক কর্মকর্তায় এখন অন্যের উপর দোষ চাপিয়ে নিজে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি নিয়ে সবে পড়তে চাইছেন। এদিকে যারা দীর্ঘ ৫,১০,১৫ বছর ধরে অব দত্তরে মাষ্টাররোলে চাকুরী করে আসছে তারা যদি নিয়োগ না পায় তাহলে তাদের ভবিষ্যৎ কি হবে তার উত্তর জানা নেই। তাদের অধিকাংশেরই সরকারি চাকুরির বয়স শেষ হয়ে গেছে এখানে চাকুরি হবে এই আশায়। তাই তাদের অনেকেই এখন হতাশাগ্রপ্ত এবং পারিবারিক ভাবে নতুন কর্মস্থরের সম্ভাবনা ক্ষীন।এমতবস্থায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট মাষ্টাররোলের কর্মচারীদের একটাই দাবি যে, এরকম একটি নৃর্নীতি নিয়োগ কার্যক্রম সম্পর্কে আগামী ১ মাসের মধ্যে সঠিক তদন্ত করে স্বচ্ছ নিয়োগ পান এবং এতোদিন যাবৎ সরকারের উন্নয়ন কাজে নিঃস্বার্থ অংশীদার হিসেবে কর্মরত সুযোগ্য, দক্ষ ও অভিজ্ঞ বেতন-ভাতাহীন মাষ্টাররোপের কর্মচারীদের চাকুরি রাজস্ব খাতে স্থায়ীকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে আমরা আবারো কঠোর আন্দোলনে নামবো।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে